ভারতের পাঞ্জাবে দুই মহিলার মধ্যে বিয়ে নিয়ে তুমুল হৈচৈ

রকমারি

| ২৮ এপ্রিল ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৫৬
ভারতের পাঞ্জাবে এক সম-লিঙ্গ বিবাহের ঘটনায় একজন মহিলা সরকারি কর্মী তার সঙ্গীনীর সাথে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হয়েছেন। ওই রাজ্যে দুজন মেয়ের মধ্যে বিয়ের ঘটনা সম্ভবত এই প্রথম ঘটল।
রাজ্য সরকারের ওয়ার্ডেন পদে কর্মরত মনজিৎ কাউর সান্ধু (৪৪) দিনকয়েক আগে বিয়ে করেছেন তার ২৭ বছর বয়সী বান্ধবীকে, আর তারপর থেকেই স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এই বিয়ে নিয়ে তুমুল চর্চা হচ্ছে।
অবশ্য এই বিয়ে নিয়ে মিডিয়াতে অনেক ভুলভাল জিনিসও লেখা হচ্ছে, সেটা দাবি করে মনজিৎ সান্ধু বলেছেন, "এগুলো আমার ব্যক্তিগত জীবনে অবাঞ্ছিত নাক-গলানো ছাড়া কিছুই নয়।"
"যেমন অনেকেই লিখেছে আমি নাকি একজন পুলিশকর্মী - সেটা ঠিক নয়। তা ছাড়া আমি কোনওদিন অপারেশন করিয়ে আমার লিঙ্গ পরিবর্তনও করাইনি", বলেছেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেছেন তার বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি বিষয় - এটা নিয়ে এত হইচই করারও কিছু নেই। তাদের দুই পরিবারের সদস্যদেরই এই বিয়েতে সমর্থন ছিল এবং তারা সবাই বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বলেও জানিয়েছেন মনজিৎ সান্ধু।
পাঞ্জাবের জলন্ধর শহরের পাক্কা বাগ এলাকায় একটি মন্দিরে হিন্দু রীতিনীতি অনুযায়ী এই বিবাহ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় বলেও জানা গেছে।
ধর্মীয় রীতি অনুসারে বিয়ের পর শহরের একটি হোটেলে নবদম্পতির সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। তাতে তাদের পরিবারের লোকজন, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরাও হাজির ছিলেন।
মনজিৎ এরপর লাল পাগড়ি পরে ও ঘোড়ায় টানা রথে চেপে 'নববধূ'কে নিয়ে তার বাড়িতে এসে ওঠেন। যার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে, মনজিৎ তার নাম অবশ্য প্রকাশ করেননি।
তবে এই বিয়ের ছবি ও ভিডিও কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছে ঝড়ের বেগে।
জলন্ধর-সহ গোটা পাঞ্জাবে এই বিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

hafiz

২০১৭-০৫-২৮ ২২:১৬:৩৩

How it possible

Makbul

২০১৭-০৪-২৮ ০১:৩৪:১৭

এই সকল মানুষগুলো মানবতার শত্রু। বিয়ে কখনও ব্যক্তিগত বিষয় নয়-এটা হল পারস্পরিক ও সামাজিক বন্ধন। যারা সম-লিঙ্গ বিয়েকে ব্যক্তিগত বলে এর বৈধতা চায়, তারা কদিন পর কুকুর-ছাগল বিয়ে করারও বৈধতা চাইবে।

আপনার মতামত দিন