‘তৃণমূলে উঠান বৈঠকে নামছে বিএনপি’

অন্য গণমাধ্যমের খবর

অনলাইন ডেস্ক | ২৫ এপ্রিল ২০১৭, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:২৩
‘গোপন আলোচনায় হেফাজতের ভিন্ন সুর’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর। প্রতিবেদনে হাটহাজারী মাদ্রাসায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি ঘরোয়া বৈঠকে উপস্থিত হেফাজত নেতাদের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। তাদের মতে, ‘দেরিতে হলেও সরকার তাদের কাছে পরাজিত হয়েছে। তাই সরকারের কাছ থেকে দাবি আদায়ের এটি উপযুক্ত সময়। যে সরকার তাদের চরম নির্যাতনের মুখে শাপলা চত্বর থেকে তুলে দিয়েছিল, সেই সরকারের কাছ থেকেই ফের শাপলা চত্বরে সমাবেশের অনুমতি আদায় করতে হবে।’
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, নেতাদের সঙ্গে অপর এক ঘনিষ্ঠ আলোচনায় ইসলামী আন্দোলনের নেতা মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনারা অপেক্ষায় থাকেন। ডাক দেয়া হবে।
প্রস্তুত থাকিয়েন। চোখ কান খোলা রাখবেন। কর্মসূচি আসবে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি রাস্তা অবরোধ করা হবে। বাধা দিতে আসুক কে বাধা দেবে।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সাম্প্রতিক সমঝোতা উদ্যোগের দৃশ্যপটের সঙ্গে এ ধরনের বক্তব্য একেবারে অবিশ্বাস্য। কিন্তু এটিই বাস্তব। যুগান্তরের অনুসন্ধানে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। আর হেফাজত নেতাদের এমন সব মন্তব্য আরও একবার প্রমাণ করল তারা বর্তমানে প্রকাশ্যে সরকারের সঙ্গে এক ধরনের আপস করলেও পর্দার আড়ালে আগের অবস্থানে অনড়।

বিআরটিসি’র দুরাবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক সমকাল। ‘বিআরটিসির খবর কী’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ধুঁকছে রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থা 'বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন' (বিআরটিসি)। প্রতিষ্ঠানটির আয়ের মূল উৎস বাস থেকে প্রাপ্ত ভাড়া। বিআরটিসির তথ্যানুযায়ী, সংস্থার বহরে থাকা এক হাজার ৫৩৮টি বাসের ৫৪৫টিই বিকল। তবে বাস্তব অবস্থা আরও খারাপ। নতুন কেনা বাসেরও ৩০ ভাগ বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। অর্ধেকের বেশি পদ শূন্য। যে জনবল আছে, তাদেরও নিয়মিত বেতন হচ্ছে না। বিকল বাস মেরামতের টাকা কোথায়?

‘তৃণমূলে উঠান বৈঠকে নামছে বিএনপি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে দৈনিক ইত্তেফাক। প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকা-ে প্রতিকূলতার আবর্তে থাকা বিএনপি আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নানামুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে । যদিও দলের নেতারা বলছেন, নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবেন না। কোন কোন নেতা বলছেন, পরবর্তী নির্বাচন না-ও হতে পারে। এমন বক্তব্য-বিবৃতির মধ্যেও দল গোছানো, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করে অগ্রসর হচ্ছেন তারা। দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন তৃণমূলে উঠান বৈঠক আয়োজন, ভোট কেন্দ্র রক্ষার প্রশিক্ষণসহ ১৩ দফা নিদের্শনা দলের কেন্দ্র থেকে পাঠানো হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে।

‘বাংলাদেশের গ্যাস খাতে চীনের কর্তৃত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে বণিক বার্তা। সংবাদে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তেল-গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান শেভরনের বাংলাদেশের ব্যবসা বিক্রির বিষয়ে আলোচনা চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই। বহুজাতিক এ প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ ব্যাপারে তোড়জোড় শুরু করে পেট্রোবাংলাও। এর মধ্যেই গত ফেব্রুয়ারিতে চীনের হিমালয় এনার্জির সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি করে শেভরন। গতকাল তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গ্যাস খাতে চীনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কারণ দেশে সরবরাহকৃত গ্যাসের ৫০ শতাংশের বেশি উত্তোলন করছে শেভরন।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোহাম্মদ ছাদ

২০১৭-০৪-২৫ ০৪:২৭:২১

বি এন পি উঠান বৈঠক ভাল লাগল

আপনার মতামত দিন