‘হেফাজত-বিএনপি গোপন যোগাযোগ বহাল’

অন্য গণমাধ্যমের খবর

অনলাইন ডেস্ক | ২৪ এপ্রিল ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৮
‘হেফাজত-বিএনপি গোপন যোগাযোগ বহাল’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর। প্রতিবেদনে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামকে হাতছাড়া করতে চায় না বিএনপিও। দলটির নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, এ সংগঠনের অনুসারীরা তাদের সঙ্গে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তবে আগামী নির্বাচন সামনে রেখে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে ঘটা করে আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক সখ্যের বিষয়টিকেও তারা খাটো করে দেখছেন না। গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। কিন্তু এ নিয়ে বিএনপি মোটেই উদ্বিগ্ন নয়। বরং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতের নেতাকর্মীদের ওপর গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে যে তা-বলীলা চালানো হয়েছিল, তা কোনোদিন তারা ভুলে যাবেন না। হয়তো কৌশলগত কারণে সাময়িকভাবে এখন মনে হতে পারে, হেফাজত আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিশে গেছে। বিএনপির নীতিনির্ধারকদের কয়েকজন যুগান্তরকে আরও জানান, শেষ পর্যন্ত বড়জোর এতটুকু হতে পারে- ব্যক্তিস্বার্থের জন্য হেফাজতের কতিপয় নেতা নীতি-আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপস করতে পারেন। কিন্তু বড় অংশ ২০ দলীয় জোটের সঙ্গে থাকবেই এবং আগামী নির্বাচনে তারা ব্যালটের মাধ্যমে শাপলা চত্বরের জবাব দেবেন।

নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন খালেদা। বাংলাদেশ প্রতিদিনে ‘সহায়ক সরকারের প্রস্তাব দেবেন খালেদা’ শীর্ষক শিরোনামের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দলের আগামী ১৪ বছরের দলীয় উন্নয়ন কর্মকা-েরর পরিকল্পনা নিয়ে আসছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আগামী মাসের প্রথম দিকেই আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা প্রকাশ করবেন তিনি। দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণ আর বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীদের দৃষ্টি আকর্ষণই হচ্ছে এর মূল লক্ষ্য। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে এ পরিকল্পনা বা ভিশনকে। এর মধ্যে থাকবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সরকার কী ধরনের হবে তার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা।
কালের কণ্ঠে ‘সংস্কারের চাপ সইতে পারেনি ১৫০০ গার্মেন্ট’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদে বলা হয়, সাভারে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর গত চার বছরে রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও আশপাশের এলাকায় প্রায় দেড় হাজার তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধের এই মিছিলে দিন দিন যোগ হচ্ছে নতুন নতুন কারখানা। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের পক্ষে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের অব্যাহত নজরদারিতে বড় বড় কারখানাগুলো তাদের ভবন-কাঠামো ও কর্মপরিবেশ উন্নত করতে বাধ্য হয়েছে। তবে ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের কারখানাগুলোর পক্ষে বিদেশি ক্রেতাদের সব শর্ত ও সংস্কারের চাপ সামলে ব্যবসায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। সারা বিশ্বে নতুন নতুন প্রতিযোগীর আবির্ভাব, বিশ্ববাজারে দরপতন, রপ্তানি আদেশ কমে যাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়েও ব্যবসা গোটাতে হয়েছে অনেককে। তৈরি পোশাক খাতের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন