‘ফের বড় অঙ্কের ভ্যাট ফাঁকি চার মোবাইল কোম্পানির!

অন্য গণমাধ্যমের খবর

অনলাইন ডেস্ক | ২৩ এপ্রিল ২০১৭, রবিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৭
‘ফের বড় অঙ্কের ভ্যাট ফাঁকি চার মোবাইল কোম্পানির!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে দৈনিক ইত্তেফাক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানি ফের বড় অঙ্কের মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ফাঁকি দিয়েছে বলে মনে করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বিষয়টি তদন্তে নেমেছে এনবিআর। ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে মোবাইল ফোনের সিম পরিবর্তনের নামে নতুন সিম বিক্রির মাধ্যমে এই ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কী পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া হয়েছে-তা তদন্তে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সমপ্রতি বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ-ভ্যাট) অতিরিক্ত কমিশনারকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এলটিইউ-ভ্যাট ধারণা করছে, এ অর্থের পরিমাণ প্রায় এক হাজার দুইশ’ কোটি টাকা হতে পারে। কোম্পানি চারটি হলো গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, এয়ারটেল ও রবি (বর্তমানে রবি ও এয়ারটেল একীভূত হয়ে রবি নামে চালু আছে)।

রাজধানী এবং এর আশপাশে কিশোর-তরুণদের ১২টি গ্রুপ মেয়েদের উত্ত্যক্তকরণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক সেবন, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ করছে। দৈনিক প্রথম আলো’তে প্রকাশিত ‘অপরাধে সক্রিয় ১২ কিশোর গ্রুপ’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়,  বিভিন্ন নামে গড়ে ওঠা এলাকাভিত্তিক এসব গ্রুপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয়। এসব গ্রুপে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অছাত্ররাও রয়েছে। ঢাকা ও আশপাশের আটটি এলাকা ঘুরে এমন ১২টি গ্রুপের খোঁজ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আটটিতে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বা তার সহযোগী সংগঠনের আশ্রয়-প্রশ্রয় রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার করা এক গোপনীয় প্রতিবেদনেও এসব গ্রুপ এবং তাদের অপরাধের কথা উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে এই ১২টিসহ সারা দেশে কিশোর অপরাধীদের মোট ৩৫টি গ্রুপের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা ও আশপাশের ১৫টি গ্রুপ রয়েছে।

‘আওয়ামী লীগের হেফাজত কানেকশন: ক্ষমতায় যাওয়ার আপসকামিতা’ শীর্ষক মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর। প্রতিবেদনে বলা হয়, হেফাজতের সঙ্গে ঘটা করে আওয়ামী লীগের সখ্যের বিষয়টি এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। এর অন্তর্নিহিত রহস্য উদঘাটনে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার শেষ নেই। সবার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষক মহলও বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। তারাও বুঝতে চান, জানতে চান কেন এই সখ্য? কেননা কোনোভাবেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে হেফাজতের এমন গাঁটছড়া বাঁধার বিষয়টি মানা যায় না। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শুধু আগামী নির্বাচনের বৈতরণী পার হতেই অবিশ্বাস্য এই আঁতাতের পর্দা উন্মোচিত হয়েছে। এছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার সমীকরণে উপমহাদেশে ধর্মভিত্তিক ও সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে আপসের যে রাজনীতি শুরু হয়েছে, তার হাওয়া এখানেও লেগেছে। এটিও একটি বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। আর সবকিছু ছাপিয়ে যে বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তা হল- আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য খুব সহজ পরীক্ষা হবে না। বেশ কিছুদিন থেকে জনমনে একটা পারসেপশন তৈরি হয়েছিল যে, বিএনপির ভোট যতই বেশি থাকুক না কেন, আগামী নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় আসবে আওয়ামী লীগ। কিন্তু হেফাজতের সঙ্গে সরকারি দলের এমন সখ্যের বিষয়টি সামনে চলে আশায় সে বিশ্বাসে এখন অনেকটা চিড় ধরেছে।

অবৈধ ওষুধের ব্যবসা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছে বাংলাদেশ প্রতিদিন। ‘দেশে লক্ষাধিক অবৈধ ওষুধের দোকান’ শিরোনামের প্রতিবেদনে বলা হয়, সারা দেশে এক লাখেরও বেশি লাইসেন্সবিহীন ওষুধের দোকান চলছে। এসব দোকানের মালিকদের বেশিরভাগই ওষুধ কিংবা চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত কোনো জ্ঞান-প্রশিক্ষণ নেই। এ পরিস্থিতিতে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে সাধারণ মানুষ। বাংলাদেশ কেমিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতি বিষয়টির প্রতিকারে ব্যবস্থা নিতে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর এবং বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতিকে একাধিকবার চিঠি দিয়েছে। তবুও কোনো ফলোদয় হয়নি।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন