আল আমিনের ঘূর্ণিতে বিধ্বস্ত মোহামেডান

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ২২ এপ্রিল ২০১৭, শনিবার
আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি হাঁকান আল আমিন। এবার বল হাতে পাঁচ উইকেট নিলেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের এ অলরাউন্ডার। ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের তৃতীয় রাউন্ডে মলিন হার দেখলো শিরোপাপ্রত্যাশী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তিন ম্যাচে তাদের এটি দ্বিতীয় হার। অন্যদিকে টানা তিন জয়ের কৃতিত্বটা প্রতিপক্ষ দল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের। গতকাল মোডামেডানের বিপক্ষে ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৭ উইকেটে জয় কুড়ায় প্রাইম ব্যাংক।
ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী মাঠে আগে ব্যাটিংয়ে মোহামেডান ইনিংসের ১৯ ওভার শেষে বৃষ্টিতে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। পরে ম্যাচের পরিসর নেমে আসে ৪১ ওভারে। আর  ৩৬.১ ওভারে মাত্র ১৪২ রানে গুঁড়িয়ে যায় মোহামেডানের ইনিংস। অধিনায়ক তামিম ইকবাল করেন সর্বোচ্চ ৪৬ রান। বৃষ্টি আইনে প্রাইম ব্যাংকের টার্গেট দাঁড়ায় ১৪৯ রানের। সাব্বির  রহমানের অপরাজিত ৭৮ রানে ভর করে  ২৭.৪তম ওভারে টার্গেট পার করে প্রাইম ব্যাংক। ফতুল্লায় টস জিতে মোহামেডানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক মেহেদী মারুফ। মোহামেডানের শুরুটা খারাপ ছিল না। ১৩.৩ ওভারে বিনা উইকেটে মোহামেডানের সংগ্রহ পৌঁছে ৪৩ রানে। কিন্তু পরে অল্প ব্যবধানে দুই উইকেট হারায় সাদাকালো জার্সিধারীরা। দলীয় ৪৩ রানে ওপেনার শামসুর রহমান ও ৬৪ রানে উইকেট দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ওয়ানডাউন ব্যাটসম্যান রনি তালুকদার। পরে খেই হারান আগের ম্যাচে রেকর্ড ১৫৭ রানের ইনিংস হাঁকানো ওপেনার তামিম ইকবালও। ২২.২তম ওভারে দলীয় ৮৭ রানে উইকেট খোয়ান তামিম। আর পরবর্তী ৫৫ রানে অবশিষ্ট সাত উইকেট খোয়ায় তামিম বাহিনী। মোহামেডানের  আফগান ব্যাটসম্যান রহমত শাহ করেন  দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান।  শেষ পাঁচ ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, কামরুল ইসরাম রাব্বি, এনামুল হক জুনিয়র শুভাশিষ রায় করেন যথাক্রমে ১, ৭, ২, ৩, ৩ রান। প্রাইম ব্যাংকের বল হাতে দুই াার আমিন ভাগাভাগি করেন ৭ উইকেট।  ৬ ওভারের স্পেলে ২৫ রানে পাঁচ উইকেট নেন অফস্পিনার আল আমিন। এতে ছিল তামিমের উইকেটটিও। আর ৭.১ ওভারের স্পেলে ২৬ রানে দুই উইকেট নেন পেসার আর আমিন হোসেন। লিস্ট-এ ক্রিকেটে ২৩ বছর বয়সী আল আমিনের এটি দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। এদিন পেসার রুবেল হোসেন দেখান আগুনঝরা বোলিং। ৯ ওভারের স্পেলে মাত্র ১৫ রানে এক উইকেট নেন রুবেল। মামুলি টার্গেটের পেছনে শুরুটা ভালো ছিল না প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের। ১ বলের ব্যবধানে দলীয় ১০ রানে দুই ওপেনারের উইকেট খোয়ায় প্রাইম ব্যাংক। অধিনায়ক মেহেদী মারুফ করেন ১৩ বলে ৭ রান। আর সৌম্য সরকার সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত ২ রানে। এতে ৪.২ ওভার শেষে প্রাইম ব্যাংকের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০/২-এ। তবে ম্যাচে পরের গল্পটা সাব্বির রহমানের। ৭৫ বলের ম্যাচজয়ী ৭৮ রানের হার না মানা ইনিংসে সাব্বির হাঁকান ৪টি বাউন্ডারি ও পাঁচটি ছক্কা। চতুর্থ উইকেটে সাব্বির ও তাইবুর রহমান গড়েন অবিচ্ছিন্ন ৯৭ রানের জুটি। ৫০ বলে ৪২ রানের ইনিংসে তাইবুর হাঁকান চারটি বাউন্ডারি। প্রাইম ব্যাংকের ভারতীয় ব্যাটসম্যান উন্মুক্ত চাঁদ করেন ১৪ রান।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন