রায়পুরায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ২ মামলা

বাংলারজমিন

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি | ২২ এপ্রিল ২০১৭, শনিবার
 অবশেষে মৃত্যুর ৪৮ ঘণ্টা পর নিহত মাসুদের লাশ তার গ্রামের বাড়িতে পুলিশ পাহরায় নিয়ে গতকাল শুক্রবার বাঁশগাড়ী নতুনবাজার মাঠে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেছে। বতর্মান চেয়ারম্যান সিরাজুল হক সমর্থিত নিহত মাসুদের লাশ দাফনের জন্য প্রতিপক্ষের ভয়ে বাড়ি নিয়ে যেতে সাহস না পাওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়পুরা থানায় লাশ নিয়ে স্বজনরা অপেক্ষা করেন। পরবর্তীতে রায়পুরা থানার ওসি আজাহারুল ইসলাম সরকারের নেতৃত্বে গতকাল শুক্রবার বিকাল ৫টায় নিহতের লাশ বাঁশগাড়ীতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একটি হত্যাসহ লুটপাট অগ্নিসংযোগ ঘটনায় ২টি মামলা হয়েছে। নিহত মাসুদের স্ত্রী বাদী হয়ে ৩০ জনকে আসামি করে এ হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা যায়।
জানা যায়, রায়পুরার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ৫ গ্রামে গত বুধবার সকাল থেকে আওয়ামী লীগের দুই লাঠিয়াল বাহিনীর মধ্যে বন্দুক ও টেঁটাযুদ্ধকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে ২ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন নিলক্ষা হরিপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের পুত্র শাহেদ গ্রুপের ভাড়াটিয়া টেঁটাবাজ মো. শারফিন (২২) গুলিবিদ্ধ হয়ে এবং সিরাজুল হক চেয়ারম্যান সমর্থক বাঁশগাড়ী গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া (২৯) মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।
গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার ২ দিনে প্রায় ২ শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ হয়েছে। এ সময় অর্ধশত লোক আহত হয়েছে। গত বুধবার রাতে মাসুদ মিয়া ঢামেক হাসপাতালে মারা যায়।
এ ঘটনায় গতকাল বুধবার থেকে নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র সাহার নির্দেশে রায়পুরা উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে একটি মোবাইল কোর্ট ঘটনাস্থলে গিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছেন।



 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন