বোমারু বিমান উচ্চ সতর্কাবস্থায় রেখেছে চীন

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ২২ এপ্রিল ২০১৭, শনিবার
চীনের বিমান বাহিনীর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম বোমারু বিমানকে বুধবার ‘উচ্চ সতর্কাবস্থায়’ রাখা হয়েছে। আমেরিকার কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, উত্তর কোরিয়ায় সম্ভাব্য কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সেখানে হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে চীনা সামরিক বাহিনী। এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাতে এ খবর দিয়েছে সিএনএন। ওই কর্মকর্তা বলেন, বিপুলসংখ্যক চীনা সামরিক বিমান সম্পূর্ণ প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। চীনের এই সাম্প্রতিক তৎপরতাকে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে উত্তর কোরিয়ায় কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যথাসম্ভব দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানোর প্রচেষ্টা হিসেবে। উত্তর কোরিয়ার একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে কোরিয়ান উপদ্বীপে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ঝুঁকি রয়েছে সেখানে সশস্ত্র সংঘাত সৃষ্টি হওয়ার। যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি বাগাড়ম্বর তুঙ্গে তুলেছে। পিয়ংইয়ং-এর রাষ্ট্রীয় মিডিয়ায় এমন সতর্কতাও ব্যক্ত করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ায় হামলা চালিয়ে মুহূর্তেই ধ্বংস করে দেয়া হবে। উত্তর কোরিয়ার একমাত্র মিত্র বেইজিং অনেক দিন ধরেই এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন যে, সেখানে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর পতন হলে দেশটিতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে। চীনের আশঙ্কা, এর ফলে প্রচুর শরণার্থী ঢুকবে চীনে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের অধীনে সম্ভাব্য পুনরায় একত্রীকরণও হতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতিও চীনের পছন্দ নয়। সম্প্রতি দুই দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চমাত্রার থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন। উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক সংযোগ রয়েছে। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা মনে করেন, উত্তর কোরিয়া সংকট সমাধানে বেইজিং-এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পূর্বে সমালোচনা করলেও, পিয়ংইয়ং-এর তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় সম্প্রতি সফররত চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ট্রোম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা বলেছেন, উত্তর কোরিয়া সংক্রান্ত কৌশল ঠিক করতে চীনকেই গুরুত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এক কর্মকর্তা বলেন, ‘কেউ ভাবছে না যে, চীন উত্তর কোরিয়াকে সামরিক চাপ দেবে বা শাসকগোষ্ঠীকে শায়েস্তা করবে। কিন্তু আমাদের কৌশলে রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে চীনকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’ দৃশ্যত, চীনও সাড়া দিচ্ছে। সম্প্রতি, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কাং বলেছেন, বেইজিং উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র তৎপরতা নিয়ে সাংঘাতিক উদ্বিগ্ন। তিনি এ ইস্যুতে ওয়াশিংটনের ভূমিকারও প্রশংসা করেন।
 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

তিন দিন ধীরগতি থাকবে ইন্টারনেটে

সন্তানকে ফিরে পেতে বাবা-মায়ের আকুতি

‘সুষমা স্বরাজের ঢাকা সফরে রোহিঙ্গা, তিস্তা ইস্যু থাকবে’

কে এই কিংবদন্তী নর্তকি ও গুপ্তচর মাতা হারি?

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে স্থায়ী ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহবান স্পিকারের

রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার সংগ্রহে ডোনার কনফারেন্স করবেন জাতিসংঘের কর্মকর্তারা

ইউপি চেয়ারম্যান ও আ’লীগের নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

‘ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে সিদ্ধান্তের অধিকার সবারই আছে’

ঢাকায় আসছেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনো

আবারো মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অস্ত্র-ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আহ্বান

কুয়েতে এসি বিস্ফোরণে মৌলভীবাজারের একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু

৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে নানা প্রশ্ন

যুদ্ধ নয় আলোচনায় সমাধান

সিইসি’র বক্তব্য কৌশল হতে পারে

আড়াই ঘণ্টা আলোচনার পর হঠাৎ সংলাপ বয়কট

বর্মী সেনা কর্মকর্তাদের ওপর ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা