মেয়র সাক্কুর পরোয়ানা কুমিল্লায়

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে | ২১ এপ্রিল ২০১৭, শুক্রবার
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সদ্য নির্বাচিত মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এখন কুমিল্লায়। তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ-গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সাক্কুর অবস্থানের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি বলে জানা গেছে। সাক্কু কুমিল্লায় নেই এমন তথ্যের বিষয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা নিশ্চিত হলেও নিয়ম রক্ষার জন্য কুমিল্লা নগরীর নানুয়াদীঘিরপাড়স্থ তাঁর বাসভবনসহ সম্ভাব্য স্থানে নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে। এদিকে সাক্কুর ঘনিষ্ঠজনেরা জানিয়েছেন, আদালতের মাধ্যমে তাঁর জামিন আবেদনের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আগে বুধবার বিকালে ঢাকা থেকে ডাকযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়েরকৃত মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় পৌঁছে। জানা যায়, জ্ঞাতআয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৭ জানুয়ারি ঢাকার রমনা থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক শাহিন আরা মমতাজ বাদী হয়ে কুমিল্লা পৌরসভার তৎকালীন মেয়র মনিরুল হক সাক্কু ও তার স্ত্রী আফরোজা জেসমিন টিকলীর বিরুদ্ধে ঢাকার রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ৮ বছর তদন্ত শেষে গত বছরের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক নুরুল হুদা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে এ মামলার অভিযোগের দায় থেকে সাক্কুর স্ত্রীকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা। গত মঙ্গলবার এ মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র বিশেষ জজ কামরুল হোসেন মোল্লা মামলার চার্জশিট আমলে নিয়ে সাক্কুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এছাড়াও আদালত সাক্কুর সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দেন এবং একই সঙ্গে তাঁর গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য আদালত আগামী ৯ই মে দিন ধার্য করে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ৪ কোটি ৫৭ লাখ ৭১ হাজার ৯৩৩ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভুত অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার ১২০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাক্কু দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছিলেন। সূত্র জানায়, সাক্কুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর পর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন কুমিল্লা ও ঢাকার গুলশান এলাকায় বেশ তৎপর হয়ে উঠে। এছাড়া তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য আদালত থেকে জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা গত বুধবার বিকালে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় পৌঁছে। এদিকে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাক্কুর ব্যক্তিগত দুটি সেল ফোন নম্বরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ঢাকায় অবস্থানরত সাক্কুর একাধিক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি জানান, আদালতের বিধি মেনে তিনি শিগগিরই জামিনের জন্য আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু সালাম মিয়া জানান, মনিরুল হক সাক্কুর বিরুদ্ধে দুদকের মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কাগজ ডাক মাধ্যমে বুধবার হাতে পেয়েছি। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

যুদ্ধ নয় আলোচনায় সমাধান

সিইসি’র বক্তব্য কৌশল হতে পারে

আড়াই ঘণ্টা আলোচনার পর হঠাৎ সংলাপ বয়কট

বর্মী সেনা কর্মকর্তাদের ওপর ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে দিল্লি

কাল ফিরছেন খালেদা ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি

সিলেটে সেক্রেটারি গ্রুপের হাতে ছাত্রলীগ কর্মী নিহত

চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের দুই শিক্ষার্থী ফাঁদে

‘আসিয়ানে চাপ বাড়ালেই রোহিঙ্গাদের ফেরানো সম্ভব’

এক দিনেই ঢুকলো ২০ হাজার রোহিঙ্গা

ডাকসু’র খোঁজ নিলেন প্রেসিডেন্ট

হেয়ার রোডে ১২ দিন

রাশিয়ায় আইপিইউ সম্মেলনে এমার্জেন্সি আইটেম রোহিঙ্গা ইস্যু

রাধিকাপুর চেকপোস্ট সাময়িক বন্ধ

হাত কেটে তিমি আঁকার 'ভিডিও উদ্ধার'

ঢাকনাযুক্ত যানে রাতের বেলায় বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ