মুখোমুখি ট্রাম্প-কিম

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৭ এপ্রিল ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৩০
মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। দু’জনেই যুদ্ধংদেহী। যুদ্ধের দামামা বাজছে কয়েকদিন ধরেই। চীন সতর্ক করেছে উভয় পক্ষকে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে যেকোনো সময়। তাই তিনি উভয় পক্ষকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। কিন্তু বাকযুদ্ধ চলতেই থাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হলে, উস্কানি দেয়া হলে চীনকে তারা পাশে পাক বা না পাক নিজেরাই একতরফাভাবে হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়ায়। উত্তরে সমান জোরে হাঁক ছেড়েছে উত্তর কোরিয়া। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে পারমাণবিক হামলা করা হলে তারা পারমাণবিক অস্ত্রের মাধ্যমে জবাব দেবে। যদি পারমাণবিক শক্তিধর এ দুটি দেশের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্রের যুদ্ধ শুরু হয় তাতে শুধু তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও এর প্রভাব পড়বে। তেজষ্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। অর্থনীতিতে এর বিরাট প্রভাব পড়বে। বিশ্লেষকরা সাবধান করে দিয়েছেন আগেই। তারা বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার হাতে এমন পারমাণবিক অস্ত্র আছে যা যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে ঘটনা কোনদিকে মোড় নেয় তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। তবে উত্তর কোরিয়ার সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ব্যর্থ হওয়াতে হয়তো যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা নীরবতা অবলম্বন করছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল এইচ আর ম্যাকমাস্টার বলেছেন, আমাদের সামনে সব পথ খোলা আছে। তিনি উত্তর কোরিয়াকে এ সময় সাবধানও করে দিয়েছেন। ওদিকে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, রোববার উত্তর কোরিয়া যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে সেটা একটা প্ররোচণা। উল্লেখ্য, ১০ দিনের জন্য এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো সফরে এসেছেন মাইক পেন্স। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালে ধরে নেয়া হবে সেটা প্ররোচণা এবং এমন ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র তার জবাব দেবে। ওদিকে কোরিয়া উপদ্বীপ অঞ্চলে অব্যাহতভাবে মহড়া দিয়ে বেড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী। যেহেতু রোববারের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সফল হয় নি সে জন্যই হয়তো এর কোনো সামরিক জবাব দেয় নি যুক্তরাষ্ট্র। তার অর্থ এই নয় যে, যুক্তরাষ্ট্র চুপ করে আছে। নিরাপত্তা উপদেষ্টার কথায়ই এর প্রতিধ্বনি শোনা যায়Ñ আমাদের সামনে সব পথ খোলা আছে।
 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Z Monsur

২০১৭-০৪-১৭ ০১:৪৩:২৬

If U.S has build nuclear bombs and missiles then why other countries has no right to build nuclear bombs and missiles. I am strongly demanding all the countries in the world to build nuclear bombs and long range missiles.

Mahmud

২০১৭-০৪-১৬ ২৩:৪৬:৪০

US will not attack N.Korea. Because N.Korea is not a Muslim Country.

আপনার মতামত দিন

সন্ত্রাসী হামলার জন্য বৃটিশ পররাষ্ট্র নীতি দায়ী: লেবার নেতা করবিন

সামনের কাতারে যেতে মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রীকে ধাক্কা ট্রাম্পের

সাভারে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

এবার ট্রাম্পের জামাতার দিকে নজর এফবিআই’র

অভিযান থেকে ফেরার পথে নিজ বন্দুকের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত

খুলনায় দুর্বত্তদের গুলিতে দেহরক্ষীসহ বিএনপি নেতা নিহত

মধ্যরাতে সরানো হলো সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের ভাস্কর্য

‘শুধু অভিনেতা না মানুষ হিসেবেও প্রসেনজিত দাদা দারুণ’

পদত্যাগ করলেন ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র দুই পরিচালক

নাঈমের জবানিতে রেইনট্রি ধর্ষণকাণ্ড

আরেকটি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল সালমান আবেদির ভাই হাশেম