প্রবাসীদের কল্যাণে বোর্ড হচ্ছে

এক্সক্লুসিভ

বিশেষ প্রতিনিধি | ২১ মার্চ ২০১৭, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৪০
প্রবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের কল্যাণের জন্য বোর্ড গঠন করবে সরকার। এ জন্য ‘প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০১৭’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অধিকার সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতের জন্য ১৯৯০ সালের জাতিসংঘের একটি কনভেনশন আছে। আমরা এটার স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে এ কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা রেখে আমাদের একটি আইন করার বাধ্যবাধকতা ছিল। সেজন্য এ নতুন আইনটি প্রস্তাব করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা এতদিন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বিধিমালা, ২০০২ দিয়ে কাজটি করে আসছি। সেটাকে একটু গুছিয়ে আইন আকারে নিয়ে আসা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড নামে একটি বোর্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। বোর্ডের অনেকগুলো কাজ রয়েছে। খসড়া আইনে বোর্ডের ২১টি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, বিদেশগামী কর্মীদের জন্য প্রাক-বহির্গমন ব্রিফিং সেন্টার স্থাপন, পরিচালনা ও ব্রিফিং প্রদান। বিদেশগামী কর্মীদের সহায়তা দেয়া, তাদের নির্ভরশীলদের কল্যাণার্থে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ ও প্রবাসীদের কল্যাণের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা। প্রবাসীদের কেউ মারা গেলে মৃতদেহ আনা বা ক্ষেত্র অনুযায়ী সৎকারের ব্যবস্থা করা। এজন্য আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেয়া হবে বোর্ডের কাজ। অসুস্থ, আহত বা শারীরিকভাবে অক্ষম প্রবাসীদের দেশে আনা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করাও বোর্ডের কাজ। প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডে ১৬ সদস্যের একটি পরিচালনা পরিষদ থাকবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব চেয়ারম্যান ও প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কল্যাণ বোর্ডের প্রধান হবেন মহাপরিচালক। তিনি বলেন, নারী অভিবাসী কর্মীদের কল্যাণে বোর্ডকে বিশেষ দায়িত্ব দেয়া আছে। বিদেশে কর্মরত কোনো নারী অভিবাসী বিপদগ্রস্ত হলে উদ্ধার, আইনগত সহায়তা দেয়া ও ক্ষতিপূরণ আদায়ে বোর্ড পদক্ষেপ নেবে। এদিকে দেশে যে কোনো ধরনের বস্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠায় নিবন্ধনের বিধান রেখে ‘বস্ত্র আইন, ২০১৭’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বস্ত্র শিল্পগুলোকে ভালোমতো দেখভালের জন্য এই আইনটি হচ্ছে। বস্ত্র শিল্পগুলোকে এই আইনের অধীন বিধির আলোকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধন নিতে হবে। যেসব বস্ত্রশিল্প চলছে সেগুলোকে নতুন করে নিবন্ধন নিতে হবে না। তিনি বলেন, সরকারের বিরাষ্ট্রীয়করণ ও বিরাষ্ট্রীকরণ নীতির আওতায় হস্তান্তরিত বা বিক্রীত বস্ত্রমিল সম্পাদিত চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করলে সরকার ওগুলো আবার নিয়ে যেতে পারবে। খসড়া আইন অনুযায়ী রঙ, রাসায়নিকসহ আমদানিকৃত বস্ত্র উপকরণ বাজারজাত করার সময় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমদানিকারকের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে মান যাচাই করতে পারবে। শফিউল আলম বলেন, নতুন এই আইনের মাধ্যমে বস্ত্রশিল্পের সুপারভাইজারি ও মনিটরিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হবে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

লিভারপুলকে সেভিয়ার চমক

ক্যাচ মিসের খেসারত দিলো ঢাকা

মুগাবের পদত্যাগ, জিম্বাবুয়েজুড়ে উল্লাস

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের প্রস্তাব, যা বললেন মুখপাত্র...

তিন বাহিনীকে আধুনিক করতে সবই করবে সরকার

নিজেদের কার্যালয়ে এজাহার দায়েরের ক্ষমতা চায় দুদক

জাতিসংঘের সম্পৃক্ততায় আপত্তি মিয়ানমারের

চলতি সপ্তাহেই সমঝোতার আশা সুচির

বিচারক রেফারি মাত্র

বাংলাদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গা নেতা নিখোঁজ

অভিশংসনের মুখে মুগাবে

মাঠ গোছাতে ব্যস্ত প্রার্থীরা

নিজাম হাজারীর লোকজন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করে

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নামে লুটপাট চলছে

দুদকের মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন মেয়র সাক্কু

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন টিটু রায়