ইসরাইলের হুঙ্কার: সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেবো

অনলাইন

মানবজমিন ডেস্ক | ২০ মার্চ ২০১৭, সোমবার, ৪:১৭ | সর্বশেষ আপডেট: ৪:১৭
সিরিয়াকে সতর্ক করেছে ইসরাইল। বলেছে, আর একবার ইসরাইলের যুদ্ধবিমান টার্গেট করা হলে সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়া হবে। গত সপ্তাহে ইসরাইলের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমানে কমপক্ষে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর জবাবে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগডর লিবারম্যান ওই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ইসরাইলের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা গত সপ্তাহে সিরিয়া থেকে তাদের যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্য করে ছোড়া বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান বিরোধী রকেট গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে শত্রু ভাবাপন্ন এ দুটি দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসরাইলের বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা বলেছে, গত সপ্তাহে ইসরান সমর্থিত লেবাননের যোদ্ধা গোষ্ঠী হিজবুল্লার কাছে পাঠানো অস্ত্রের একটি চালান ধ্বংস করে দিতে ইসরাইলের চারটি যুদ্ধবিমান অভিযানে নামে। কিন্তু তাদের সেই মিশনে হামলা চালায় সিরিয়ার ভূমি থেকে আকাশে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র। এর একটি ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘অ্যারো’ ভূপাতিত করে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লিবারম্যান বলেছেন, যদি এর পরে সিরিয়া আমাদের বিমানের দিকে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে তাহলে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই আমরা তাদেরকে ধ্বংস করে দেবো। তবে কি ধরনের হামলা চালাবে ইসরাইল সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করে নি ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনী। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়, গত সপ্তাহে ইসরাইলের একটি যুদ্ধবিমানকে ভূপাতিত করার দাবি করেছে সিরিয়া। একই সঙ্গে তারা আরেকটি বিমানে আঘাত করার কথা বলেছে। তবে ইসরাইল সে দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে, তাদের কোনো বিমান আঘাতপ্রাপ্ত হয় নি। ওদিকে সিরিয়া সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, সিরিয়ার পালমিরার কাছে ইসরাইল হামলা চালিয়েছে। এর মাধ্যমে তারা আইসিস সন্ত্রাসী চক্রকে সহায়তা করছে। এর মধ্য দিয়ে তারা তাদের নৈতিক আদর্শের অধঃপতন ঘটাচ্ছে। সিরিয়ান আরব আর্মি সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সামনে যে বিজয় অর্জন করছে তা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে তারা। ইন্ডিপেন্ডেন্ট লিখেছে, সিরিয়া ভূখন্ডে গত কয়েক বছরে ইসরাইল যেসব বিমান হামলা চালিয়েছে তার বেশির ভাগই অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থায়। দাবি করা হয়, ওইসব অস্্রত পাচার করে হিজবুল্লাহ’র কাছে পাঠানো হচ্ছিল। অভিযোগ আছে, সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে এই হিজবুল্লাহ।

 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন