ইংরেজি বালাইনাশক আইন এবার বাংলায়

দেশ বিদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি | ২০ মার্চ ২০১৭, সোমবার
আর্থিক জরিমানা ও কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন শাস্তির বিধান রেখে দীর্ঘদিনের ইংরেজিতে তৈরি বালাইনাশক অধ্যাদেশ ও আইন এবার বাংলায় রূপান্তর করা হচ্ছে। বালাইনাশক আইন ২০১৭ খসড়া আইনটি নীতিগত অনুমোদনের জন্য আজ মন্ত্রিসভা বৈঠকে উঠছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইনটিতে নতুন কিছু বিষয় সংযোজনের পাশাপাশি বাংলা ভাষায় হওয়ায় কৃষক পর্যায় থেকে শুরু করে সবাই এর সুফল ভোগ করতে পারবেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান আমলে অধ্যাদেশের মাধ্যমে এতোদিন বালাইনাশকের আইনটি চলে এসেছে। ভাষাও ছিল ইংরেজি। এবার তা সম্পূর্ণ বাংলায় তৈরি করা হয়েছে। বাংলায় হওয়ার কারণে সবাই আইন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। কেননা যারা (কৃষক পর্যায়ে) অধিক বালাইনাশক ব্যবহার করেন তারা কিন্তু ইংরেজিতে দক্ষ কম। ফলে বিভিন্ন তথ্য তাদের অজানা থাকে। আইনটিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধের বিষয়ে বলা হয়েছে, অন্য কেউ রেজিস্ট্রার্ড ব্র্যান্ডের কোনো বালাইনাশক বিক্রি, বিক্রির জন্য উন্মুক্ত, মজুত বা বিজ্ঞাপন দিলে উপাদানগুলো গুণাগুণযুক্ত নয় অথচ বিক্রি করলে, বিজ্ঞাপনে মিথ্যাভাবে উপস্থাপন বা এই আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অপরাধটি শাস্তিযোগ্য হবে। প্রথমবার অপরাধের জন্য কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। পরবর্তীতে প্রতিবার অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন ৭৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। ডিলার বা ক্রেতাকে যদি বালাইনাশকের ব্যাপারে মিথ্যা নিশ্চয়তা দেয়া হয় তাহলে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। যদি কেউ নিবন্ধন নম্বর অননুমোদিত ব্যবহার করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোনো বস্তু মিশিয়ে বালাইনাশকের উপাদান পরিবর্তন করে উৎপাদনকারী, আমদানিকারক বা বিক্রেতার মাধ্যমে বাজারে আনা হয় বা আইনের অধীনে যদি কোনো পরিদর্শককে তার কাজে অসহযোগিতা ও ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেয়া, প্রতিরোধ বা অন্য যেকোনোভাবে বিরোধিতা করলে শাস্তি হিসেবে সর্বনিম্ন ৭৫ হাজার টাকা, সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। নিবন্ধনের সময় মিথ্যা তথ্য দিলে (পূর্বে বা পরে) পুনরায় নিবন্ধনের কোনো সুযোগ পাবে না। পরিদর্শকরা অসঙ্গতি দেখলে যেকোনো বস্তু জব্দ করতে পারবেন। কোনো দ্রব্যাদি জব্দ করা হলে এ বিষয়ে আইন বা বিধিমালার লঙ্ঘনকারী অভিযুক্তের ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। বালাইনাশকের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত আইনের অধীনে কোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার কারণে দণ্ডিত হন তাহলে আদালত বালাইনাশক, দ্রব্যাদি সরকারের অধীনে ন্যস্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন। নির্দিষ্ট ফি দিয়ে গ্রাহকরাও এনালিস্টের কাছে পরীক্ষা- নিরীক্ষা করতে পারবেন। বালাইনাশকের লেবেলে বিষ এবং ওই বিষের প্রতিষেধকের উল্লেখ, বালাইনাশকের নিরাপদ গুদামজাত করার প্রয়োজনীয় দিকসমূহ, কোনো ব্যক্তি কোন সময় কোন জায়গায় কী অবস্থায় কী পরিমাণ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বালাইনাশক গুদামজাত করতে পারবে, বালাইনাশক নিয়ে কর্মরত শ্রমিকদের বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থেকে নিরাপত্তায় আগাম সতর্কীকরণসহ নানা বিষয়ে তথ্য থাকতে হবে। এছাড়া, মন্ত্রিসভা বৈঠকে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা আইন-২০১৭ এবং প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড আইন-২০১৭ আলোচনা ও সিদ্ধান্তের জন্য উঠবে।  

 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

তারেকের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিবেদন ৩১শে ডিসেম্বর

প্লেবয় মডেল হারতে’র ‘মজা’

আদালতে হাজিরা দিলেন নওয়াজ শরীফ

ইরাকে আগ্রাসনের হুমকি এরদোগানের

এতিম রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হচ্ছে

মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণের আশঙ্কা

মিয়ানমার ইস্যুতে বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক

বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যক্রম নিয়ে রুল, সভায় বাধা নেই

মারকেলের নতুন মিশনের কাজ শুরু

বিস্ময়কর উত্থান ঘটলেও জার্মানিতে এএফডি’র নেতা কে!

‘এখন শুধুমাত্র ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছি’

মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার হুমকি উ.কোরিয়ার

হিলারির পথে হাঁটছেন ট্রাম্পকন্যা ইভাঙ্কা?

বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী হত্যার তদন্ত দাবি নিরাপত্তা পরিষদের

জাতি নিধনের অভিযোগ অস্বীকার, জাতিসংঘকে মিয়ানমারের উপহাস

ডিপজলের হার্টে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন