ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন সাঈদ খোকন

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ মার্চ ২০১৭, সোমবার
ঐতিহ্যবাহী হলেও ঝুঁকিপূর্ণ এমন কিছু ভবন জননিরাপত্তার স্বার্থে ভাঙা জরুরি বলে মনে করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। আর এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙতে সরকারি বিধি নিষেধ থাকার কারণে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন তিনি। গতকাল ধলপুর ক্লিনার কলোনীতে মেয়র নিজেই হাতুড়ী দিয়ে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহ ভেঙে ফেলার কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি এই সহযোগিতা চান। রাজধানীর শাখারী বাজার, তাঁতীবাজার, দয়াগঞ্জ শ্যামবাজার, লালকুঠিসহ বিভিন্ন এলাকার জরাজীর্ণ ভবন রয়েছে। সামান্য কারণে বা ভূমিকম্পে এসব ভবন ভেঙে ব্যাপক প্রাণহানী ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু সরকারি বিধি-নিষেধের কারণে এসব ভবন ভাঙা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার কাছে ঐতিহ্যও জরুরি হলেও জননিরাপত্তা আরো বেশি জরুরি। ইউরোপের মতো দেশে ঐতিহ্যবাহী কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহের সম্মুখ অংশ সংরক্ষণ করে পেছনের অংশ সংস্কার করা হয়ে থাকে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র সাঈদ খোকন ঢাকা নিউমার্কেট, বনলতা মার্কেট অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ইতিপূর্বে মার্কেট কমিটি নিজেরাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছিল। তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নিলে ডিএসসিসি শিগগিই এ মার্কেট দুটির ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার সময় করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জে. শেখ সালাউদ্দিন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, রাজউক এবং ডিএসসিসির হিসাব মতে, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০৯টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে। এরমধ্যে ডিএসসিসির ১৯টি ভবনের মধ্যে ইতিমধ্যে ধলপুরে ৩টি, দয়াগঞ্জে ২টি ও সূত্রাপুরে ২টি ভবনসহ মোট ৭টি ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে। গতকাল ধলপুরে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের মধ্যে সর্বশেষ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হলো। ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনসমূহ নিজ উদ্যোগে স্বল্পতম সময়ে ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দেয়া হবে অন্যথায় ডিএসসিসির পক্ষ থেকে এ বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান মেয়র সাঈদ খোকন।

 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন