নবীগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার নিষ্পত্তি

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ থেকে | ২০ মার্চ ২০১৭, সোমবার
নবীগঞ্জে গত ২৭শে ফেব্রুয়ারি প্রেস ক্লাব নিয়ে বিরোধ ও সংবাদ প্রকাশের জের হিসেবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী ও স্থানীয় দৈনিক সময় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মুরাদ আহমদের বিরোধ সালিশে নিষ্পত্তি হয়েছে। গতকাল দুপুরে শহরের জেকে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চার ঘণ্টাব্যাপী আয়োজিত ঐতিহাসিক সালিশ বৈঠকে বিদ্যমান বিরোধের নিষ্পত্তি হয়। সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আওয়ামী লীগ সম্পাদক সাইফুলের নির্দেশে হামলাকারী ৫ জন মুরাদের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা এবং দুই নেতার মধ্যে কুশলাদির মাধ্যমে ঘটনার নিষ্পত্তি হয়েছে। এছাড়াও প্রেস ক্লাব নিয়ে বিভক্ত তিন গ্রুপের সমন্বয়ে আগামী জুলাই মাসের মধ্যে ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও কাউন্সিলের জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। কমিশনার মনোনীত হয়েছেন, হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, সদস্যরা হলেন, সংসদ সদস্য এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজিনা সারোয়ার এবং হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিয়াদ। আয়োজিত সালিশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু এমপি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরীর সঞ্চালনায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাব সভাপতি ও স্থানীয় দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তাফা রফিক, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিয়াদ, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য এডভোকেট সুলতান মাহমুদ, মো. আবদুল মালিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গজনাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুল, দৈনিক মানবজমিন স্টাফ রিপোর্টার এমএ বাছিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাউশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সিদ্দিক, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ও যুবলীগের আহ্বায়ক আলহাজ ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, বালাগঞ্জ উপজেলার পৈলনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খালেদ আহমদ, মতিউর রহমান পিয়ারা মিয়া, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রউপ, উপজেলা জাপার আহ্বায়ক শাহ আবুল খায়ের, আউশকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. দিলাওর হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. আশিকুর রহমান, মো. হারুন মিয়া, দেবপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাছুম আহমদ জাবেদ আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আ.ক.ম ফখরুল ইসলাম কালাম, কুর্শি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমদ মুসা, ইউপি চেয়ারম্যান জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজু, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মুজাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নির্মূলেন্দু দাশ রানা, নবীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল গফুর, সাবেক সভাপতি সুখেন্দু রায় বাবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ মিলু, বিশিষ্ট সমাজসেবক শামছুল ইসলাম কনা মাস্টার, অ্যাডভোকেট ফারুক আহমদ, রিজভী আহমদ খালেদ, পৌর কাউন্সিলর মো. আলা উদ্দিন, এটিএম সালাম,জাকির হোসেন, জাপা নেতা ইলিয়াছ মিয়া, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাব্বি আহমদ চৌধুরী মাক্কু, লোকমান আহমদ খান, সাবেক ছাত্রদল নেতা তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক লোকজন সালিশ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত উভয়পক্ষ মেনে নেয়ায় প্রায় এক মাসের বিদ্যমান উত্তেজনার অবসান ঘটে। সভাপতির দেয়া বক্তব্যে মুনিম চৌধুরী বাবু এমপি সিদ্ধান্ত ঘোষণা ছাড়াও ভবিষ্যতে একই অপরাধ সংঘটিত হলে লিখিত মুচলেখায় সালিশের হুঁশিয়ারি দেন।

 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন