মার্কেল-ট্রাম্পের হাইপ্রোফাইল বৈঠক আজ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৭ মার্চ ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৩৯
জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল আজ শুক্রবার ওয়াশিংটনে সাক্ষাৎ করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে। আন্তঃআটলান্টিক বাণিজ্য ও ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক  এ দু’টি বিষয় থাকবে বৈঠকের এজেন্ডার শীর্ষে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি। খবরে বলা হয়, জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ট্যারিফ আরোপের হুমকি দিয়ে জার্মানিতে অস্বস্তি তৈরি করেছেন ট্রাম্প। তিনি বার্লিনকে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোরও আহ্বান জানান।
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে মার্কেলের সঙ্গে থাকবেন জার্মানির শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি সিমেন্স, শেফার ও গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিএমডব্লিউ’র শীর্ষ নির্বাহীরা। মঙ্গলবার এ বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, তুষারঝড়ের কারণে পিছিয়েছে। আজকে অনুষ্ঠেয় এ বৈঠকের পূর্বে, জার্মান এক পত্রিকাকে মার্কেল বলেছেন, ‘একজন আরেকজনের ব্যাপারে কথা বলার চেয়ে পর¯পরের সঙ্গে কথা বলা ভালো।’ প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় ট্রাম্প জার্মানির মতো দেশগুলোর ওপর উচ্চহারে করারোপের হুমকি দিয়েছেন। কারণ, জার্মানিতে আমেরিকা যত রপ্তানি করে, তার চেয়ে জার্মানি বেশি করে। কিন্তু মার্কেলের যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রে জার্মানির সরাসরি বিনিয়োগ রয়েছে প্রচুর। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বিএমডব্লিউ’র যে কারখানা রয়েছে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দুই নিজস্ব গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জিএম ও ফোর্ডের সম্মিলিত রপ্তানির চেয়েও বেশি গাড়ি রপ্তানি করেছে। মার্কেল বলেছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য তিনি স্পষ্ট করবেন।
এছাড়াও জানুয়ারিতে ট্রাম্প বলেছিলেন, শ’ শ’ শরণার্থী ও অভিবাসীকে জার্মানিতে প্রবেশ করতে দিয়ে মার্কেল ‘বিপর্যয়মূলক ভুল’ করেছেন। মার্কেল জবাবে বলেন, নিজেদের দায়িত্ব ইইউকে নিজেদেরই নিতে হবে। তার ভাষায়, ‘আমরা ইউরোপীয়রা নিজ ভাগ্যকে নিজের হাতেই রেখেছি।’ পাশাপাশি, তিনি ছয় মুসলিম দেশকে টার্গেট করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জারি করা বিতর্কিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞারও সমালোচনা করেন। জানুয়ারিতে মার্কেল ট্রাম্পের সঙ্গে এক ফোনালাপে ব্যাখ্যা করে বলেন, মানবিক কারণে যুদ্ধাক্রান্ত শরণার্থীদের গ্রহণে যুক্তরাষ্ট্র সহ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
শুক্রবার দুই নেতা দুই ঘন্টাব্যাপী বৈঠকে অংশ নেবেন। এরপর থাকছে মধ্যাহ্নভোজ। দু’ নেতার আলোচনায় রাশিয়া, সিরিয়া, ইরান, উত্তর কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়াও থাকতে পারে।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন