বৃটেন আড়ি পেতেছে ট্রাম্পের ফোনে? নতুন বিতর্ক...

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৭ মার্চ ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৫০
সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিরুদ্ধে ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ এনেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে খোদ তার দলের অধীনস্থ সিনেট কমিটি যখন ঘোষণা করলো এমন কোন প্রমাণ তারা পায়নি, তখন অভিযোগের তীরটা যুক্তরাজ্যের দিকে তাক করেছে ট্রাম্প শিবির। আর জবাবে কড়া বিবৃতি দিয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেছে বৃটেনের যোগাযোগ গোয়েন্দা সংস্থা জিসিএইচকিউ। এ খবর দিয়েছে বিবিসি। খবরে বলা হয়, জিসিএইচকিউ’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট প্রচারাভিযান চলার সময় ট্রাম্পের ফোনে আড়ি পাতার যে অভিযোগ আনা হয়েছে সংস্থার বিরুদ্ধে, তা মিথ্যা। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার ফক্স নিউজ চ্যানেলে কোন এক ব্যাক্তির করা দাবির উদ্ধৃতি দিয়ে বৃটেনের দিকে ইঙ্গিত করেন। এরপরই বিবৃতি দেয় জিসিএইচকিউ। বিবিসির খবরে বলা হয়, সংস্থাটি সাধারণত বিবৃতি দেয় না। কড়া ভাষায় দেওয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়, এই অভিযোগ দায়িত্বজ্ঞানহীন, একেবারে হাস্যকর। এসব অগ্রাহ্য করা উচিৎ।
ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় তার ট্রাম্প টাওয়ারে আড়ি পাতা হয়েছিল। তবে জিসিএইচকিউ’র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠিয়েছিলেন সাবেক এক বিচারক। অ্যান্ড্রু নাপোলিতানো নামে ওই বিচারককে উদ্ধৃত করে শন স্পাইসার বলেন, ‘তিনটি গোয়েন্দা সূত্র ফক্স নিউজকে জানিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ওবামা চেইন অব কমান্ডের বাইরে গিয়েছিলেন। তিনি সিআইএ বা এনএসএ ব্যবহার করেননি। তিনি এফবিআই, আইন মন্ত্রণালয়কেও ব্যবহার করেননি। তিনি ব্যবহার করেছিলেন জিসিএইচকিউ।’
এই দাবির প্রেক্ষিতে জিসিএইচকিউ’র মুখপাত্র বলেন, ‘গণমাধ্যম পর্যবেক্ষক বিচারক অ্যান্ড্রু নাপোলিতানো সম্প্রতি জিসিএইচকিউ’র বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন যে জিসিএইচকিউকে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট-ইলেক্টের ওপর নজরদারি করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল তা একেবারে অর্থহীন প্রলাপ। এগুলো একেবারে হাস্যকর।’
বিবিসির বিশ্লেষক গর্ডন কোরেরা বলেন, জিসিএইচকিউ তাদের গোয়েন্দা কর্মের ওপর সংবাদ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করে না। তাই এই বিবৃতিকে অস্বাভাবিকই বলা যায়। সাধারণত, তারা কোন কর্মকান্ডই নিশ্চিত করে না, অস্বীকারও করে না। কিন্তু এই অভিযোগগুলো এতই স্পর্শকাতর যে সংস্থাটি মনে করেছে, এসব চ্যালেঞ্জ না করা উচিৎ হবে না। ডনাল্ড ট্রাম্প ওবামা প্রশাসনের বিরুদ্ধে আড়ি পাতার যে অভিযোগ এনেছেন, তাতে গণমাধ্যমের ব্যাপক মনোযোগ পেয়েছে ঠিকই। কিন্তু প্রেসিডেন্ট এ ব্যাপারে তেমন প্রমাণই হাজির করতে পারেননি।
সিনেটের একটি কমিটি সম্প্রতি উপসংহারে এসেছে যে, নির্বাচনের আগে বা পরে ট্রাম্প টাওয়ার মার্কিন সরকারের নজরদারিতে ছিল এমন কোন ইঙ্গিতও পাওয়া যায়নি। সিনেট ইন্টিলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান রিচার্ড বারের বিবৃতিতে ট্রাম্পের দাবিকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া হয়। শন স্পাইসার বলেছেন, এরপরও ট্রাম্প তার দাবিতে অটল রয়েছেন। 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০১৭-০৩-১৭ ০০:৩৫:০১

Trump and his team turn mad to blame game instead of thinking about progress and prosperity of country.

আপনার মতামত দিন