নতুন উদ্যমে মৌসুমী

বিনোদন

কামরুজ্জামান মিলু | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, শনিবার
বছর শুরুতেই দুটি ছবির কাজ শুরু করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ও নির্মাতা মৌসুমী। দুটি ছবির গল্পই দুই ধরনের। আগে থেকেই গল্পের বিষয়ে খুবই সচেতন তিনি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার এফিডিসিতে ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ ছবির মহরতে আসেন এই তারকা অভিনেত্রী। মহরত শেষে ছবিসহ চলচ্চিত্রের নানা বিষয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। শুরুতেই ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ ছবিটি নিয়ে মৌসুমী বলেন, মনতাজুর রহমান আকবর ভাই একজন গুণী পরিচালক।
তার ‘বাঘিনী কন্যা’ ছবিতে আমি কাজ করেছিলাম। এরপর আরো বেশকিছু ছবিতে কাজ করা হয়েছে। তবে অনেক দিন পর তার পরিচালনায় আবারো ফিরছি। এ ছবিতে আমার চরিত্রের নাম থাকছে জোসনা। গ্রামের একটি মেয়ে। এলাকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করার জন্য আমি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি। এমনই একটি চরিত্র। যারা সংসারে বাবা-মা নেই। এক ভাই, সেও একটা সময় প্রতিবন্ধী হয়ে যায়। দারুণ একটি গল্প। আশা করছি, এ ছবিটি দর্শক পছন্দ করবেন। নতুন বছরে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছেন মৌসুমী। এ বছর আরো একটি ছবি দর্শকদের উপহার দিতে যাচ্ছেন। নাম ‘পবিত্র ভালোবাসা’। পরিচালনা করছেন এ কে সোহেল। এর আগে এই পরিচালক মৌসুমীকে নিয়ে ‘খায়রুন সুন্দরী’র মতো ব্যবসাসফল ছবি তৈরি করেছেন। নতুন ছবিটির কাজ চলছে উত্তরায়। মৌসুমী বলেন, চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে টানা দশ দিন এ ছবির কাজ হয়েছে। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে এর কাজ চলছে। ছবিতে আমার চরিত্রের নাম থাকছে মায়া বেদী। হিন্দু সমাজের পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে আমাকে দেখতে পাবেন দর্শক। এখানে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে প্রেম, বিরহ, সংকট, সংসারসহ নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। আশা করছি, গ্রামবাংলার প্রেক্ষাপটে করা এ ছবিটি দর্শক পছন্দ করবেন। এই সময়ের ছবি সম্পর্কে মৌসুমী বলেন, এখন ব্যবসাসফল ছবি দরকার। আগে তো ভারতের দর্শক ঘরে বসে আমাদের দেশের ছবি দেখতেন। স্টার জলসার ছবিগুলোর মধ্যে খেয়াল করলে দেখা যাবে, ফ্যামিলি ড্রামা থাকে বেশি। এসবই দর্শক মন দিয়ে দেখছেন। ধুম-ধাড়াক্কা গানের ছবি দর্শক তেমন মনেও রাখে না। দর্শকের মন অনেক ভাগ হয়ে গেছে। কেউ ‘দাবাং’, কেউ আবার ‘শিকারি’ আবার কেউবা ‘আয়নাবাজি’ ধরনের ছবি দেখতে পছন্দ করে। বাঙালি দর্শক এখন অনেক সচেতন। তবে ভালো গল্পের ছবির দর্শক এখনো আছে। তাই বিভিন্ন স্বাদের ছবি তৈরি করতে হবে। যৌথ প্রযোজনার ছবি প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, যৌথ প্রযোজনা করলে সঠিকভাবে করতে হবে। বিশেষ করে এখানকার এবং ওপারের দর্শকের পছন্দের কথা মাথায় রাখতে হবে। তাহলে সফলতা আসবে। আর সঠিকভাবে কলাকুশলী নিতে হবে। কলকাতার আর্টিস্টদের নাটক, গান, সিনেমা সবই আমরা দেখছি। তাদের দর্শক এক নামে চিনছে। কিন্তু আমাদের দেশের অনেক শিল্পী থাকা সত্ত্বেও তারা তেমনভাবে চিনছে না।  যেমন শাকিব খান ভালো ছবি করেছেন বলেই আরও কিছু ভালো ছবিতে কাজ করছেন। সঠিক আদান-প্রদানের অপশনটা সেজন্যই রাখা। আমাদের এখানে অনেক প্রতিভাবান পরিচালক বা শিল্পী রয়েছেন। কাজ করেই প্রমাণ করতে হবে আমাদের। তাহলেই সার্থকতা আসবে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

যেভাবে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হন আকায়েদ উল্লাহ

ঝন্টুর পেশা রাজনীতি

রিয়াল মাদ্রিদই চ্যাম্পিয়ন

উড়ে গেল টটেনহ্যমও

ছায়েদুল হকের জানাজা সম্পন্ন

ভারতে 'ছয় মাসের মধ্যে' ধর্ষকদের ফাঁসির দাবি করলেন নারী অধিকারকর্মী

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমিক পাচার চক্র, কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে ৬০০ কর্মকর্তা বদলি

জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে নোটিশ জারিতে ইন্টারপোলের অস্বীকৃতি

‘বিয়ে তো ধুমধাম করে সবাইকে জানিয়েই করব’

রাজনীতিতে নামতে চান ছহুল হোসাইন

বিজয় দিবসে দেশ গড়ার দৃপ্ত শপথ

বঙ্গবন্ধুর গৃহবন্দি পরিবারকে যেভাবে উদ্ধার করেছিলেন কর্নেল তারা

থ্যাংক ইউ জেনারেল, উই আর অলরেডি বার্নিং, ডোন্ট অফার আস ফায়ার

চাল-পিয়াজের দামে অসহায় ক্রেতারা

ব্রাজিল ফুটবলের প্রধান ৯০ দিন নিষিদ্ধ

ঝিকরগাছায় ছাত্রলীগ কর্মী খুন, সড়ক অবরোধ