সেনাবাহিনীকে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করতে হবে

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৪০
 ‘জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে দেশ ও সাধারণ জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। আমি আশা করি, সশস্ত্রবাহিনী অতীতের মতো সুদূর ভবিষ্যতেও দেশ ও জাতি গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।’ গতকাল দুপুরে রাজশাহী ক্যান্টনমেন্টে বাংলাদেশ ইনফেন্টি রেজিমেন্টাল সেন্টারের ১২তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন এবং দ্বিতীয় বীর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, বিশ্বপরিমণ্ডলেও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তাই মনে রাখতে হবে- একজন  সৈনিক আমৃত্যু সৈনিক। সৈনিক জীবনে শৃঙ্খলাবোধ আর আনুগত্যের বিকল্প নেই।’
তিনি আরো বলেন, ‘আধুনিক, যুগোপযোগী ও শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠন বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকার বিষয়। বর্তমান সরকারের ‘রুপকল্প-২০২১ এর আলোকে বাংলাদেশ  সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রস্তুত করা হয়েছে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্যারেডে আসেন। সেখানে উপস্থিত থেকে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ করেন। এরপর দুপুরে তিনি সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, নিরাপত্তা উপদেষ্টা, নৌ-বাহিনী প্রধান, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন