চট্টগ্রামে শুধরানোর নির্দেশ

প্রতিদিন ঘুষ নেয়ার অভিযোগ জমা পড়ছে দুদকে

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩২
নানা খাতে শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হয় এমন পাহাড়সম অভিযোগ দুদক অফিসে জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের বদলি, অর্জিত ছুটি, পেনশনের কাগজপত্র প্রস্তুত, নারী শিক্ষকদের মাতৃত্বকালীনসহ নানা খাতে শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ না দিলে কাজ হয় না; এমন অনেক অভিযোগ আমার অফিসে ইতিমধ্যে জমা পড়েছে। এরসঙ্গে কারা কারা জড়িত তার তথ্যও আমরা সংগ্রহ করছি।
এসময় ঘুষ বাণিজ্যে লিপ্ত থাকাদের আগামী তিন মাসের মধ্যে নিজেদের শুধরে নিতে বলেন দুদক চেয়ারম্যান। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর প্রাইমারি টিচার ইনস্টিটিউট (পিটিআই) অডিটোরিয়ামে প্রাথমিক শিক্ষায় সুশাসন নিশ্চিতকরণে চট্টগ্রাম বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সভার আয়োজন করে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ উজ জামান, জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান বিল্লাহ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, শিক্ষকরা সবাই সৎ ও নিষ্ঠাবান। প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার মূলভিত্তি। এ ভিত্তি মজবুত না হওয়ার পেছনে ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষাদানে শিক্ষকদের উদাসীনতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষাকে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নিয়ে যেতে না পারলে দেশের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাবে। নানাখাতে যেসব অভিযোগ আমি পেয়েছি তার জন্য আমি আগামী তিন মাস অপেক্ষা করবো। এ সময় কেবল যারা অনৈতিক কাজে জড়িত আছেন তাদের শুধরে নেয়ার জন্য দিচ্ছি। পরে আমরা আমাদের পদক্ষেপ নেব। আমি চাই প্রাথমিক শিক্ষকদের মাধ্যমে একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে উঠুক; স্ব-শিক্ষায় শিক্ষিত হোক।
শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা, প্রকৃত ফলাফল পরিবর্তন করা, ফলাফল কারচুপি করার মতো ভয়ানক অভিযোগ পেয়েছি। তাছাড়া, অনেক শিক্ষক নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান না করে বাড়তি আর্থিক সুবিধার উদ্দেশ্যে বাইরে পড়ানোর মতোও অভিযোগ পাচ্ছি। এসব অভিযোগ সত্য না হলে তা কিভাবে দুদক অফিসে আসলো? আমি জানি এর উত্তর আপনারা কেউ দিতে পারবেন না। নানা সংকট ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সবাইকে শিক্ষার মিশন নিয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে। কোনোভাবে অনৈতিক কাজ করা যাবে না। যদি কেউ করে থাকেন তবে নিজেদের শুধরান; নইলে সামনে বিপদ আছে।

 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সাংবাদিক শিমুল হত্যা: পলাতক ৯ আসামীর আত্মসমর্পণ

এমপি এনামুল হকের বিরুদ্ধে জেএমবিকে মদতসহ বিস্তর অভিযোগ

নিহত জঙ্গি আব্দুল্লাহ’র স্ত্রী গ্রেপ্তার

​৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

নিহত কিশোরের লাশ উদ্ধার

জেএমবির তিন সদস্যের ১৪ বছর কারাদণ্ড

শচীন যা পরেননি পৃথ্বি তা-ই পারলেন

টেকনাফে ৫ কোটি ৭০লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার

‘নিজ অবস্থান থেকে আইন মানলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে’

চাল আমদানি করছেন না ব্যবসায়ীরা

তারেকের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিবেদন ৩১শে ডিসেম্বর

প্লেবয় মডেল হারতে’র ‘মজা’

ইরাকে আগ্রাসনের হুমকি এরদোগানের

এতিম রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হচ্ছে

মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণের আশঙ্কা

বিস্ময়কর উত্থান ঘটলেও জার্মানিতে এএফডি’র নেতা কে!