সিলেটবাসীর পাওয়া না পাওয়া

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

নিউ ইয়র্ক থেকে খলকু কামাল | ১০ মার্চ ২০১৬, বৃহস্পতিবার
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগার থেকে লন্ডন হিথ্রো এয়ারপোর্টে যাত্রা বিরতিকালে প্রবাসী সিলেটবাসী তাকে ফুলেল উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়ে তাঁর কাছে একটি দাবি তুলে ধরেছিল- সিলেট এয়ারপোর্টকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তর করা।
সেদিন বঙ্গবন্ধু আশা দিয়ে বলেছিলেন যে, প্রবাসী সিলেটবাসী যুদ্ধের সময় অস্ত্র ও অর্থ দয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের যে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন, জাতি তা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। ১৯৭২ সালে ক্ষমতায় বসে বঙ্গবন্ধু জেনারেল ওসমানীকে বিমান চলাচল মন্ত্রী করে সিলেট এয়ারপোর্টের উন্নয়নে ৯ কোটি টাকা মঞ্জুর করে বলেন, এ টাকা দিয়ে এয়ারপোর্টের রানওয়ে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে আরো বরাদ্দ করা হবে। তখন জরিপ কাজসহ নানা জটিলতা ও বঙ্গবন্ধুর সাথে রাজনৈতিক কারণে বণিবনা না হওয়াতে ওসমানী পদত্যাগ করার মাধ্যমে কাজটি বন্ধ হয়ে পড়ে। এর পরের ঘটনা সবার জানা। ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হবার পর এ প্রকল্পটি আলোর মুখ দেখেনি।
এর পরের ঘটনা ৭৯ সালে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রী সাইফুর রহমানের মাধ্যমে অনেক দেন-দরবারের পর প্রথম ধাপে ২৯ কোটি, দ্বিতীয় ধাপে ১৪ কোটি টাকা দিয়ে বিমানবন্দরে নতুন একটি টার্মিনাল নির্মাণ এবং রানওয়েকে সাড়ে ৫ হাজার ফুট থেকে সম্প্রসারণ করে ৬ হাজারে উন্নিতের কাজ শুরু হয়। ’ ৮১ সালে সিলেট এয়ারপোর্ট পরিদর্শন করতে এসে জিয়াউর রহমান বললেন যে, প্রয়োজনে সিলেট এয়ারপোর্টের আশেপাশের বড় বড় পাহাড় কেটে এয়ারপোর্টের রানওয়েকে আরো সম্প্রসারণ করে একটি মানসম্মত এয়ারপোর্ট করা হবে। সেদিন আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম, যা আজও আমার স্মৃতির পাতায় নাড়া দেয়।
এর কয়েক মাস পর জিয়াউর রহমান নিহত হলেন। ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করলেন আব্দুস সাত্তার। কিছু দিন পর তাকে সরিয়ে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করলেন। ৮৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে এরশাদ এক জনসভায় বলেন, আমাকে ভোট দিলে সিলেট এয়ারপোর্টকে অচিরেই আন্তর্জাতিক করা হবে। সেবছর লন্ডন সফরকালে প্রবাসী সিলেটবাসীর সামনে একই কায়দায় প্রতিশ্রুতি দেন। এভাবে হচ্ছে হচ্ছে করে চলে গেলো ৯১ পর্যন্ত। কোন রাষ্ট্রপ্রধানের কথা আর কাজের মধ্যে সিলেটবাসী মিল পায়নি।
৯১ সালে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর  প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের কাছে আবারও প্রবাসী সিলেটবাসী প্রাণের দাবিটি তুলে ধরেন, যাতে জরুরি ভিত্তিতে রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ আরো দ্রুতগতিতে শুরু হয়। এরপর অর্থমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত চেষ্টা ও তদবিরে রানওয়ের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এটাকে বাড়িয়ে ৯ হাজার ফুট পর্যন্ত করা যাতে এয়ারবাস উঠানামা করতে পারে। একই সাথে শুরু হয় টার্মিনাল নির্মাণের কাজ।
 
শ্রদ্ধেয় পাঠক, আপনাদের অবগতির জন্য, ৯০ সালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজবাংলাদেশ সরকারকে দাবি জানায় যে, তাদের অর্থে সিলেট এয়ারপোর্টকে আন্তর্জাতিক মানের করবে। বিনিময়ে তাদের ফ্লাইট সিলেট-লন্ডন সরাসরি চালু করবে। এরপর সরকার কিছু দিন দাবিটি ঝুলিয়ে রাখার পর নাকচ করে দেয়। সবচেয়ে মজার কথা হলো, জাতীয় নির্বাচন আসলেই নেতানেত্রী, মন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি সিলেটের ২টি মাজার জিয়ারত করতে এসে সিলেট এয়ারপোর্টসহ বড় বড় প্রজেক্ট করবেন বলে নানা ওয়াদা দেন আর ঢাকায় গিয়ে তারা বেমালুম ভুলে যান।

১৯৯৬ সালে আবার ক্ষমতার রদবদল হয়ে আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনায় দায়িত্ব পায়। তাদের ৫ বছরের আমলে রানওয়ে সম্প্রসারণ নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ২০০১ সালে আবার ঘুরে ফিরে ক্ষমতায় এসে বিএনপি ১০ হাজার ফুট রানওয়ে নির্মাণ করে এয়ারবাস অবতরণের উপযোগী করে। যা নাকি বিশ্বের সকল ধরনের বিমান উঠানামা অনায়াসে করতে পারবে। রানওয়ে ও টার্মিনাল নির্মাণ শেষে বড় সমস্যা ধরা পড়ে। আর তা হলো, যে কোন বিমান উঠানামা করতে হলে রিফুয়েলিং স্টেশন থাকা দরকার। তাই ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় এসে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত একান্ত চেষ্টা ও তদবিরের কারণে ৬৫ কোটি টাকা খরচ করে রিফুয়েলিং স্টেশন চালু হয়। বর্তমানে লন্ডন, দুবাই, কাতার, কুয়েত ও জেদ্দা থেকে নিয়মিত বাংলাদেশ বিমান সিলেটে অবতরণ করে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, সিলেট থেকে ঐ সমস্ত রুটে সরাসরি অপারেট করে না। এখনও ঢাকা ভায়া চলাচল করে।
২০১৫ সালের ১ এপ্রিল ফ্লাই-দুবাই নামে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই থেকে একটি ফ্লাইট একদিনের জন্য সিলেট অবতরণের পর বাংলাদেশ বিমান গ্রাউন্ড সার্ভিস না দেওয়ার কারণে ৩ এপ্রিল থেকে তাদের বাকি ফ্লাইটগুলো বাতিল করে প্রবাসী সিলেটবাসীর কলিজায় মারাত্মকভাবে আঘাত হানে। এটি পুনঃ চালুর ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী বিমানের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিনের কাছে ডি.ও লেটার দেওয়ার পর আজ পর্যন্ত ফ্লাই দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের কোন এয়ারকে চলাচলের পারমিশন দেয়া হয়নি।
আমাদের প্রশ্ন, আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট শুধুমাত্র বিমান উঠানামার জন্য? চট্টগ্রাম এয়ারপোর্টে বিদেশী বিমান উঠানামা করলে, সিলেটে ওই সমস্ত দেশের এয়ারক্রাফট অবতরণ করতে অসুবিধা কোথায়?
সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ভোগতে হচ্ছে আমেরিকা ও কানাডায় বসবাসকারী প্রবাসী সিলেটবাসীকে। তারা মধ্যপ্রাচ্যের যে কোন এয়ারলাইনে ঢাকা নেমে বিকল্প পথে ভাড়া করা টেক্সি অথবা ট্রেনে আবার কেউ কেউ বাসে করে সিলেটে যাতায়াত করেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে ২৫/২৬ ঘণ্টা জার্নি করে সিলেটে গিয়ে পৌঁছা কত যে কষ্ট ও সীমাহীন দুর্ভোগ এবং যন্ত্রণা, তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানেন। প্রধানমন্ত্রী অনেক বার নিউ ইয়র্ক এসে ঘোষণা দিলেন যে, ঢাকা-নিউইয়র্ক অচিরেই বিমান চালু হবে। কিন্তু তা আজও হয়নি।
বর্তমানে সিলেট এয়ারপোর্টে যে কোন দেশের বড় সাইজের বিমান উঠানামার জন্য যা যা দরকার তার সবই রয়েছে। এরপরও বিমানের এক শ্রেণীর হিংসুক অফিসারদের কারণে উঠানামার পারমিশন দেয়া হচ্ছে না। তাদের কথা হলো, অন্য দেশের এয়ার অবতরণ করলে বিমানের নাকি ব্যবসার বারোটা বেজে যাবে। বর্তমানে প্রবাসী সিলেটবাসী মহা-মসিবতে আছে। এখন আমরা সিলেটিরা কোথায় যাবো। কেউই আমাদের দুঃখের এ কাহিনী শুনতে রাজি নয়। চট্টগ্রামে এয়ার এরাবিয়ান, ফ্লাই দুবাই, ওমান এয়ার উঠানামা করে। এতে তাদের জেলার প্রবাসীরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অতি সহজে যাতায়াত করতে পারছেন। আর সিলেট এয়ারপোর্টে যাতে বিদেশী বিমান উঠানামা না করতে পারে, তার জন্য জারি হয়েছে অঘোষিত ১৪৪ ধারা।

সত্যি কথা বলতে গেলে প্রবাসী সিলেটবাসীর সাথে এক ধরনের প্রতারণা ও জুলুম করা হচ্ছে। এর পিছনে জড়িত রয়েছে এক শ্রেণীর ব্যক্তির সিলেট বিদ্বেষী মনোভাব।  
প্রায় ৪ বছর পর দেশের ১৬ কোট জনগনের প্রধানমন্ত্রী গত ২১ জানুয়ারি সিলেটে আসলেন। অনেক আশা-ভরসা নিয়ে ওই দিনের জনসভায় দল বেধে হাজার হাজার নারী-পুরুষ গিয়ে হাজির হন আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে। কিন্তু তাদের অনেক আশাই পূরণ হয়নি।
সরকার প্রতি বছর সিলেটে থেকে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকেন। কিন্তু এর বিনিময়ে আমরা সিলেটবাসী কী পেলাম? দেশের যত উন্নয়ন হচ্ছে তার শীর্ষে রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম। ঢাকা টু চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার লেনে উন্নিত করণ, ঢাকা টু চট্টগ্রাম ডাবল রেললাইন নির্মাণ, চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর মধ্যে একটি আধুনিক টানেল নির্মাণ। পাশাপাশি ঢাকায় অনেক ফ্লাইওভার নির্মাণসহ ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল পর্যন্ত বর্তমান সড়ককে চার লেন করা হচ্ছে। আর দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, যার খরচ শুরু হয় ১০ হাজার কোটি থেকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি পর্যন্ত। সে তুলনায় সিলেট যে কাজ হয়েছে তা একেবারে নগণ্য। বড় জোড় কয়েক শত কোটি টাকার প্রকল্প। প্রবাসী অঞ্চল সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্যকে গতিশীল করতে হলে দেশ ও জাতীয় স্বার্থে সবার আগে সড়ক, রেল ও বিমান পথের বাধা দূর করতে হবে। ২২/২৩ লাখ প্রবাসী সিলেটবাসীর প্রাণের দাবি চলতি মাসেই যেন ওসমানী বিমানবন্দরে সকল বিদেশী বিমান উঠানামার পারমিশন দেয়া হোক। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সিলেটের ৯০ লাখ মানুষের স্বার্থে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ককে চারলেনের বাজেট একনেকের বৈঠকে পাশ করিয়ে রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করা হোক। বিশ্বের অন্যতম আরামদায়ক ট্রেন জার্নিকে আরো গতিশীল করার স্বার্থে সিলেট-আখাউড়া ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হোক। বর্তমানে আখাউড়া থেকে ঢাকা পর্যন্ত ডাবল রেললাইন রয়েছে। যাতে আমরা সিলেটবাসী অতি দ্রুতগতিতে মহাসড়কের যানজটবিহীন রেলপথে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারি।
দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে সিলেট বিভাগ রয়েছে শীর্ষে। অথচ গত ৪০ বছরে কত সরকারের পালাবদল হয়েছে কিন্তু আজ পর্যন্ত ওসমানী বিমানবন্দর নামে আন্তর্জাতিক হলেও বাস্তবে এখনো পূর্ণাঙ্গতা লাভ করেনি। সত্যি কথা বলতে, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ইচ্ছায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ৩৮১৬ কোটি টাকা খরচ করে চারলেন করা হচ্ছে। ৬ হাজার ৫ শত কোটি খরচ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল রেললাইন নির্মিত হচ্ছে। শুধু কি তাই, চট্টগ্রামে গত ৭ বছরে মোট ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তারই পাশাপাশি গত ৭ বছরে সিলেটে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ বাজেটের যে দু'টি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে তাহলো, সিলেট শহরতলী বাদাঘাটে নতুন জেলা কারাগার নির্মাণ, যার ব্যয় ১৯৭ কোটি টাকা এবং শহরের পশ্চিম কাজির বাজারে সুরমা নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ, ব্যয় ১৮৭ কোটি। এখন আমার প্রশ্ন, ২০০৮ সালে আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি সিলেট-ঢাকা মহাসড়ককে চারলেনে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আর দেরি না করে এখনই ঢাকার বড় বড় প্রকল্পের প্রতি যেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন, ঠিক ওইভাবে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের প্রধান ৫টি দাবির প্রতি আপনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে চলতি মাসেই একনেকের বৈঠকে বাজেট পাশ করে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু করে তা আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচনের পূর্বে বাস্তবায়ন করুন। এতে সিলেটবাসী আজীবন আপনাকে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবে।

পরিচিতি : লেখক, গবেষক ও সমাজসেবক
৬ মার্চ ২০১৬, নিউ ইয়র্ক

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এমপি গোলাম মোস্তফা আহমেদ

বিশ্ব সুন্দরীর মুকুট মানসী চিল্লার-এর

তবুও কুমিল্লার কাছে হারলো রংপুর

খেলার মাঠে দেয়াল ধসে দর্শক যুবকের মৃত্যু

‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতার মৃত্যু ঘটেছে’

কুমারিত্বের দাম ৩ মিলিয়ন ডলার!

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আকরাম ৮ দিনের রিমান্ডে

১৫৪ টার্গেট গেইল-ম্যাককালামের

বাড়ি ফিরেছেন নিখোঁজ ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ রায়

শিক্ষার্থীদের মাথা ন্যাড়ার শর্তে এসএসসি’র ফরম পূরণ!

ইতিহাস বিকৃতিকারীদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে জাগ্রত হতে হবে

একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ

‘সমাবেশে জোর করে লোক আনা হয়েছে’

সিরিয়া ইস্যুতে আবারো রাশিয়ার ভেটো

ইরাক ও ইসরায়েল সুন্দরী একসঙ্গে সেলফি তুলে বিপাকে

‘বিএনপিকে দূরে রেখে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে’