দোহারে ডিশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

অনলাইন

দোহার ( ঢাকা ) প্রতিনিধি | ১২ জানুয়ারি ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ৭:৩০ | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৩০
ঢাকার  দোহারে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সাইমন ইসলাম রুবেল (৩৪) নামে এক ডিশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা। বুধবার রাতে নিহত রুবেলের নিজ বাড়ীর সামনে এ ঘটনা ঘটে। রুবেল উপজেলার পশ্চিম সুতারপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।  
রুবেলের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকায় ডিশ ব্যবসার সাথে জরিত ছিল। একপর্যায়ে রুবেলের কাছ থেকে সুতারপাড়ার গ্রামের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে ডিশ লাইন সরবরাহের একটি চুক্তি হয় একই এলাকার বাদল চোকদারের। যার বিনিময়ে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা লাইন ভাড়া বাবদ রুবেলকে দেওয়ার কথা ছিল বাদল চোকদারের। কিন্তু গত বেশ কয়েক মাস ধরে বাদল চোকদার সেই লাইন ভাড়ার টাকা রুবেলকে দিতে গড়িমসি করে। এর ফলেই তাদের মধ্যে শত্রুতার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জের ধরেই গত বুধবার রাত আনুমানিক দশটার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রুবেলের বাড়ির পাশে বাদল চোকদার তার দুই সহযোগী আওলাদ হোসেন ও সেলিমকে নিয়ে ওতপেতে থাকে। একসময় রুবেল কাজ শেষে বাড়িতে ফেরার পথে তার ওপর চাইনিজ কুরাল ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারিভাবে তার মাথায় ও পায়ে গুরুতর আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে রুবেলকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।
দোহার থানার ওসি ( তদন্ত ) মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, এঘটনায় দোহার থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভবিষ্যৎ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আস্থা নেই বিএনপির

রুবির বক্তব্য আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ

মিয়ানমারকেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে হবে

সর্বশেষ আসা রোহিঙ্গাদের মুখে নির্যাতনের বর্ণনা

হঠাৎই সব এলোমেলো

হারানো দুর্গ পুনরুদ্ধার করতে চায় বিএনপি

পাহাড়ে দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা

একই চিত্র জাকিরুলের বাড়িতে

মা এখনো জানেন না

ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে বিমান বাহিনী

ফের কমলো স্বর্ণের দাম

লিবিয়ার আইএস ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান হামলা, নিহত ১৭

উল্টো পথে আবার ধরা সচিবের গাড়ি

ফের কমলো স্বর্ণের দাম

ছাত্রের হাতে শিক্ষক জখম

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ৮০ ভাগ নারী ও শিশু: কেয়ার