বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৮ শতাংশ- বিশ্বব্যাংক

প্রথম পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১২ জানুয়ারি ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:১২
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পেতে পারে বলে মনে করছে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক। গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের ‘ঘর’ অতিক্রম করে। প্রায় একদশক ৬ শতাংশের বৃত্তে আটকে থাকে প্রবৃদ্ধির হার। এরপর গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চূড়ান্ত হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয় ৭.১১ শতাংশ। বিশ্ব অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা এ সংস্থার অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’-এ তুলে ধরা হয়েছে এই পূর্বাভাস। প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলছে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ ও বাহ্যিক চাহিদায় মন্থরগতির কারণে এ বছর প্রবৃদ্ধি কমে যাবে।
এছাড়া বাংলাদেশের মুদ্রার প্রবাহে শ্লথগতির কারণে ব্যক্তিখাতে ভোগ ব্যয় ও বিনিয়োগ উভয় খাতেই মন্দা যাচ্ছে।
রেমিটেন্স প্রবাহ কমতে থাকায় এবং রপ্তানি খাতের দুর্বলতায় ২০১৭-১৮ সালের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ৬.৫ শতাংশে নামতে পারে বলে মনে করছে বিশ্ব ব্যাংক।
উল্লেখ্য, সরকার এবারের বাজেটে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৭.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঠিক করেছে। আর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বিশ্বাস, আগামী দিনগুলোতে প্রবৃদ্ধি আর ৭ শতাংশের নিচে নামবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজস্ব খাতে ভারসাম্য আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া না হলে এবং আর্থিক ও করপোরেট খাতে স্থিতিশীলতার অবনমন ঘটলে বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি আরও শ্লথ হয়ে যেতে পারে। 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

চট্টগ্রাম ও সিলেটে বাম ছাত্রজোটের কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলা

‘ছাত্রলীগের কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা’

সেনাপ্রধানের বাবার মৃত্যু

‘সমস্যার সমাধান করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের’

ঢাবি’র ভিসি কার্যালয় ছাত্রলীগের ঘেরাও, ধর্মঘট ডেকেছে শিক্ষার্থীরা

লিবিয়ায় গাড়িবোমা হামলায় নিহত ৩৩

ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন মুয়েলার

আদালতে খালেদা জিয়া

পাথরঘাটায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

‘বাধ্য হয়ে অনেকে একই ধরনের চরিত্রে বারবার কাজ করছেন’

ছাত্রলীগে উদ্ধার ভিসি, শিক্ষার্থীদের ফের পিটুনি

ঘুষ নেয়ার সময় ধরা পড়ে নাসির বেরিয়ে আসছে আরো নাম

আদালতে খালেদার আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা

বিএসএফ জওয়ান গ্রেপ্তার

শিক্ষামন্ত্রীর কর্মকাণ্ডে মন্ত্রিসভার সদস্যরাও নাখোশ

পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হামিদ না অন্য কেউ