মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের সীমা কমলো

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১২ জানুয়ারি ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৫
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন সীমা কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে তা পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল ফাইন্যান্সসিয়াল সেবাদানকারী (এমএফএস) কোনো প্রতিষ্ঠানে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকার ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধের কথাও বলা হয়েছে এই সার্কুলারে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, কোনো গ্রাহক তার অ্যাকাউন্টে দিনে দুই বারে ১৫ হাজার টাকার বেশি ক্যাশ ইন বা জমা করতে পারবেন না। মাসে ২০ বারে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা ক্যাশ ইন করা যাবে। আরো বলা হয়, দিনে দুই বারে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা তোলা বা ক্যাশ আউট করা যাবে। মাসে ১০ বারে ৫০ হাজার টাকার বেশি উত্তোলন  করা যাবে না। একটি মোবাইল হিসাবে ক্যাশ-ইন হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকার বেশি ক্যাশ-আউট করা যাবে না।
এর আগে একজন গ্রাহক দিনে ৫ বার এবং মাসে ২০ বার নগদ অর্থ জমা করতে পারতেন। আর দৈনিক ৩ বার ও মাসে ১০ বার টাকা উত্তোলন করতে পারতেন। প্রতিবারে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা জমা ও উত্তোলনের সীমা নির্ধারিত ছিল এতোদিন। মাসে জমা ও উত্তোলনের সর্বোচ্চ সীমা ছিল এক লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে টাকা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আগের মতোই প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা এবং মাসে ২৫ হাজার টাকা লেনদেন করা যাবে।
সার্কুলারে বলা হয়, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস একটি দ্রুত বিকাশমান সেবা; যা অতি অল্প সময়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশেষত: নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু কতিপয় অসাধু ব্যক্তি এ সেবাটির অপব্যবহার করছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে যা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। মোবাইল ফিনান্সিয়াল সেবার অপব্যবহার রোধ করে শৃঙ্খলা আনতে এর আগে ২০১৩ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ও ২০১৪ সালের ২৭শে নভেম্বর দু’টি সার্কুলার জারি করেছিল কেন্দ্রীয় ব?্যাংক। সেগুলো সংশোধন করেই নতুন এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সার্কুলারে ২০১৪ সালের নির্দেশনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তি কোনো এমএফএস প্রোভাইডারের সঙ্গে একাধিক মোবাইল হিসাব চালাতে পারবেন না।
একই জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড বা অন্য কোনো পরিচয়পত্রের বিপরীতে কোনো গ্রাহকের এক এমএফএসে একাধিক হিসাব থাকলে আলোচনার মাধ্যমে তিনি ঠিক করবেন- কোন হিসাবটি তিনি চালু রাখবেন। তার অন্য হিসাবগুলো বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব?্যাংক। কোনো ক্ষেত্রে গ্রাহকের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্তে আসা কঠিন হয়ে গেলে যে হিসাবে সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে তা চালু রেখে অন্য হিসাবগুলো বন্ধ করতে হবে। কোনো হিসাব বন্ধ করার সময় ওই গ্রাহকের জমা থাকা সব টাকা পরিশোধ বা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বাংলামোটরে বাস চাপায় রিকশা চালক নিহত, গাড়িতে আগুন

চীন, ভারত ও রাশিয়ার সঙ্গে ব্যাপকভিত্তিক আলোচনায় ঢাকা

গলায় ছুরি বসানোর পর যেভাবে বেঁচে আসেন রোহিঙ্গা যুবক

স্মার্টকার্ড প্রকল্পে তালগোল সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দিতে চায় ইসি

রিজলভের জরিপ কী বার্তা দিচ্ছে

রোহিঙ্গাদের বাঙালি বানানোর কুপরিকল্পিত বর্মী কৌশল

এবার ধরা খেলেন সচিব ও পুলিশ কর্মকর্তা

কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

সংখ্যালঘুরা সরকার গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে

গলা টিপে ধরতেই আফসানার দেহ নিথর হয়ে পড়ে

আওয়ামী লীগে স্নায়ুযুদ্ধ বিএনপি’র শেখ সুজাত

রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক কাল

ভুটানে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি নিয়ে নতুন জটিলতা

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চট্টগ্রামে ১০ শিক্ষকের জামিন

সীমান্তে স্থল মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত

সাংবাদিক শিমুল হত্যা: পলাতক ৯ আসামীর আত্মসমর্পণ