ইন্সপায়ার প্রকল্পের রিপোর্ট প্রকাশ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১২ জানুয়ারি ২০১৭, বৃহস্পতিবার
 ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপস ইন রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (ইন্সপায়ার)’ শীর্ষক প্রকল্পের রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে বৃটিশ কাউন্সিল ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাংলাদেশ। বৃটিশ কাউন্সিল কার্যালয়ে একটি উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে উক্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের গঠনমূলক সম্পর্ককে আরো জোরদার করার লক্ষ্যে ইন্সপায়ার প্রকল্পটি গত ২০০৯ সালে হাতে নেয় বৃটিশ কাউন্সিল। বাংলাদেশসহ আরো নির্ধারিত কয়েকটি দেশ এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউজিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। অন্যদের মধ্যে ছিলেন বৃটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর বারবারা উইকহ্যাম, ইন্সপায়ার প্রকল্পের প্রধান, এক্সটার্নাল কনসালট্যান্টস এবং বৃটিশ কাউন্সিলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।   
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটি টেকসই অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে এ প্রকল্পটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। প্রকল্পটির মাত্রা সুবিশাল আর যদি সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায় তবে বলতে হয় টেকসই সামাজিক উন্নয়নে এর প্রভাব ইতিবাচক।
বৃটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর বারবারা উইকহ্যাম বলেন, ব্যক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উচ্চশিক্ষা ও সমাজের উপর ইন্সপায়ারের ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে আমরা পুরোপুরি আবিষ্ট।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে ৯টি প্রকল্পের সমন্বয়ে ইন্সপায়ার প্রকল্প শুরু করে বৃটিশ কাউন্সিল। জৈবপ্রযুক্তি ও জিনতত্ত্ব প্রকৌশলী, শিক্ষাদানের পদ্ধতি সংবলিত ইংরেজি ভাষা, নবায়নযোগ্য ও বিকল্প শক্তি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, থিয়েটার ও ফ্যাশন এবং চারুকলা বিষয়গুলো নিয়ে উক্ত প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়। বাংলাদেশের ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যের ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সব মিলিয়ে ২৩টি প্রকল্প সম্পাদনে সহযোগিতা প্রদান করেছে ইন্সপায়ার। ইন্সপায়ারের সর্বশেষ প্রকল্প শেষ হবে আগামী ২০১৮ সালে।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন