ওবামার বিদায়ী ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ ১০ পয়েন্ট

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১১ জানুয়ারি ২০১৭, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:০৯
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিলেন। এতে তিনি মার্কিনিদের সাহস যুগিয়েছেন। সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলিমদের প্রতি বৈষম্য প্রত্যাখ্যান করেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডনাল্ড ট্রাম্পকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য সমর্থন দিতে অনুরোধ করলেন ফেলো ডেমোক্রেটদের। এখানে তার বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি পয়েন্ট তুলে ধরা হলো:
১.    আমার জীবনের বাকি দিনগুলোতে একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদের পাশে থাকবো।
২.    গণতন্ত্রের জন্য কাজ করা সব সময়ই কঠিন, বিতর্কিত। কখনো কখনো তা রক্তপাতের হয়। আমরা যখন আতঙ্কের মধ্যে ডুবে যাই তখন জাগরিত করে গণতন্ত্র।
৩.     জলবায়ুর পরিবর্তনকে প্রত্যাখ্যান করলে তা হবে ভবিষ্যত প্রজন্মের সঙ্গে প্রতারণা।
৪.    আমাদের অর্জন যদি কখনো আমরা ত্যাগ না করি তাহলে বিশ্বে আমাদের যে প্রভাব তার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারবে না রাশিয়া ও চীন।
৫.    মুসলিম আমেরিকানদের বিরুদ্ধে বৈষম্যকে আমি প্রত্যাখ্যান করি।
৬.    গত আট বছরে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে কোনো বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন হামলা চালাতে সক্ষম হয় নি।
৭.    আমি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে সরে যাবো। কিন্তু এখনও বর্ণবাদ বিভক্তি সৃষ্টিকারী শক্তি হিসেবে রয়ে গেছে।
৮.    প্রেসিডেন্ট পদে উত্তরসূরির কাছে মসৃণ পন্থায় ক্ষমতা হস্তান্তর করবো।
৯.    জনতার ভিড় থেকে এক সময় ‘আপনাকে আরও চার বছর ক্ষমতায় চাই’ চিৎকার উঠতে থাকে। এ সময় ওবামা বলেন, আমি তো আর ক্ষমতায় থাকতে পারি না।
১০.    যখন সাধারণ মানুষ যুক্ত হয়ে একত্রিত হয় পরিবর্তন হয় তখনই।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রোহিঙ্গা নবজাতকের নাম ‘শেখ হাসিনা’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্য হয়ে গেছে : নাসিম

রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ পাঠালো সৌদি আরব

ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে আটক ৫

‘সরকার পচা চাল আমদানি করছে’

‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিএনপি লিপ সার্ভিস দিচ্ছে’

অর্থ আত্মসাত মামলায় সাবেক কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

‘সুন্দরী মেয়েদের ধর্ষণ করে সেনারা হাত-পা, বুক কেটে ফেলে দেয়’

রোহিঙ্গাদের নির্যাতন বন্ধ করার উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে জাতিসংঘকে ম্যাক্রনের আহ্বান

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব