বৃটেনে অভিবাসীদের ইংরেজি শিক্ষা কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ১১ জানুয়ারি ২০১৭, বুধবার
বৃটেনে অভিবাসীদের বাধ্যতামূলক ইংরেজি শিক্ষায় সরকারি কার্যক্রম বিশৃঙ্খল অবস্থায় পড়েছে। বৃটিশ পার্লামেন্ট বলেছে, বৃটেনে নতুন কোনো অভিবাসী পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে তাকে ইংরেজি ভাষা শিখতে হবে। এজন্য সরকারি তহবিলে ইংরেজি শিক্ষার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে দেখা দিয়েছে নানা জটিলতা। এ শিক্ষা নিতে বৃটেনের কোনো কোনো অংশে অভিবাসীরা অপেক্ষায় আছেন তিন বছর পর্যন্ত। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মহল থেকে এ বিষয়ে সদুত্তর মিলছে না।
অনেকে বলছেন, সরকার এ খাত থেকে খরচ কর্তন করেছে। এ জন্য এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়, সামাজিক সম্মিলন বিষয়ক বৃটেনের অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ (এপিপিজি) একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে অভিবাসীদের ইংল্যান্ডে পৌঁছামাত্র ‘ইংলিশ স্পিকার্স অব আদার ল্যাঙ্গুয়েজেস’ (ইসোল) শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে। কিন্তু যেসব এলাকায় অভিবাসীর সংখ্যা অধিক সেখানকার কর্মকর্তারা বলছেন, ইংরেজি শিখার ক্লাসে যোগ দিতে অভিবাসীরা দুই থেকে তিন বছর অপেক্ষায় আছেন। একত্রীকরণ বা সম্মিলন বিষয়ক পার্লামেন্টারি রিপোর্টে বলা হয়েছে, বৃটিশ সমাজ ও অর্থনীতিতে পূর্ণাঙ্গ অংশগ্রহণের জন্য ইংরেজিতে কথা বলা হলো মূল ইস্যু। এর মাধ্যমেই বেশির ভাগ বৃটিশ নাগরিকের সঙ্গে অর্থপূর্ণ যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব। এপিপিজি সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে ইসোল তহবিল উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে। তবে এ বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। দেখা গেছে ইসোলনের অধীনে প্রতিটি কোর্সে খরচ ৭০০ পাউন্ড। রিফিউজি একশনের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৮ সালে ইসোল তহবিল ছিল ২১ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড। কিন্তু সরকারের স্কিলস ফান্ডিং এজেন্সি তা কমিয়ে ২০১৫ সালে করেছে ৯ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড। অর্থাৎ এক্ষেত্রে অর্থায়ন কমানো হয়েছে অর্ধেকেরও বেশি। এ বিষয়ে দক্ষিণ লন্ডনের দুটি ভিন্ন কলেজের দু’সদস্য কথা বলেছেন। তারা বলেছেন, ইংরেজি শিক্ষা নিতে আগ্রহী অভিবাসীরা দু’ থেকে তিন বছর অপেক্ষায় আছেন। পূর্ব লন্ডনের আরেকটি কলেজ থেকে বলা হয়েছে, এমন তালিকায় অন্তর্ভুক্তরা এক বছর ধরে অপেক্ষায় আছে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন