নাসিরনগর হামলা

২ আওয়ামী লীগ নেতা রিমান্ডে

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে | ১১ জানুয়ারি ২০১৭, বুধবার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুল আহাদ ও চাতলপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরুজ আলীর ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম এর আদালত আওয়ামী লীগ নেতা মো. সুরুজ আলীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আর বিকালে একই আদালত শেখ আবদুল আহাদের ২ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ দুজনেরই ৭ দিন করে রিমান্ড চেয়েছিল  পুলিশ। আহাদকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে নেয়া হলো। নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা গ্রাম থেকে সুরুজ আলীকে রোববার সন্ধ্যা রাতে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
সুরুজ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরদিন সোমবার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে আদালতে তোলা হয়। তবে প্রয়োজনীয় নথিপত্র আদালতে না এসে পৌঁছায় এদিন তার রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি বলে জানান কোর্ট ইন্সপেক্টর মাহবুবুর রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শফিকুল ইসলাম সুরুজ আলীর দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ৩০শে  অক্টোবর নাসিরনগরে হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা সুরুজ আলীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা থাকার অভিযোগ রয়েছে। ওইদিন নাসিরনগরে হওয়া একটি সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন সুরুজ আলী। এরপরই হামলা ভাঙচুর শুরু হয়। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনার ৩ দিন পর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে সুরুজ আলীকে সাময়িক বহিষ্কার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ। ওদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ  সম্পাদক শেখ আবদুল আহাদকে গত ২৭শে ডিসেম্বর উপজেলা সদরের ঘুষপাড়ার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২৮শে ডিসেম্বর তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করে পুলিশ। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা বেগমের আদালত শুনানি শেষে তার রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে ৪ দিন জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। পরে তাকে আবার ১ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। গতকাল দ্বিতীয় দফা তার ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত তার দু-দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিকে শেখ আবদুল আহাদ নিরপরাধ বলে তার মুক্তি চেয়ে জেলার পুলিশ সুপারের কাছে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন একটি আবেদন করেছেন। এতে তারা বলেন- নাসিরনগরের হামলার ঘটনার সময় সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল আহাদসহ আরো কয়েকজন তাদের ঘর-বাড়ি ও মন্দির রক্ষা করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেন এবং আক্রমণকারীদের হাতে তারা নিজেরাও আহত হন। সোমবার বিকেলে পুলিশ সুপারের কাছে ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুসম্প্রদায়ের ২০ জনের স্বাক্ষর সংবলিত ওই লিখিত আবেদনটি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, শেখ আবদুল আহাদের প্রচেষ্টায় ক্ষতিগ্রস্তরা বড় ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়েছেন। সে সৎ ও নিষ্ঠাবান একজন মানুষ। ক্ষতিগ্রস্তদের আবেদনের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, পুলিশের তদন্তে আবদুল আহাদ নির্দোষ প্রমাণিত হলে তিনি অবশ্যই মুক্তি পাবেন। আর তদন্তে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিললে তাকে অবশ্যই আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

হঠাৎ অপু বিশ্বাস এর ডুব

বাংলাদেশ চীন-পাকিস্তানের চেয়ে বড় হুমকি

নাগরিক সমাবেশে বিপুল জনসমাগমের প্রস্তুতি

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

রাবিতে হলের সামনে থেকে ছাত্রী অপহৃত

সীমানা বিন্যাস আইন নিয়ে বিপাকে ইসি

মিথ্যা দিয়ে শুরু... মিথ্যা দিয়ে শেষ

আবাসন খাতে স্থবিরতা

সেনা অভ্যুত্থানের পর প্রথম জনসমক্ষে মুগাবে

শাহজালালে ভারতীয় বিমানের চাকায় ত্রুটি

মিয়ানমারে সামরিক অভিযান বন্ধের প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

ঘরের শত্রু বিভীষণ

ইরাক ও ইসরায়েল সুন্দরী একসঙ্গে সেলফি তুলে বিপাকে

‘বিএনপিকে দূরে রেখে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে’

‘আপনারা এটাকে পাল্টাপাল্টি ভাববেন কেন?’

রাবি ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নেয়ার অভিযোগ