‘অচিরেই লিটনের খুনিদের আইনের আওতায় আনা হবে’

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর থেকে | ১১ জানুয়ারি ২০১৭, বুধবার
আইজিপি একেএম শহীদুল হক বলেছেন, গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে যারা হত্যা করেছে তার সব বিষয় চিহ্নিত করে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে পেশাদারিত্ব মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। অচিরেই খুনিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। গতকাল রংপুরে মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এমপি লিটন হত্যাকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতের চেয়ে বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। আর এজন্য দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে। তিনি বলেন, এমপি লিটন হত্যার ঘটনা যেটি ঘটেছে তা জঙ্গি বা সন্ত্রাসীরা যারাই ঘটাক না কেন পুলিশ তাদের খুঁজে বের করবেই। তারা নথ বেলের বিভিন্ন জেলায় ও ঢাকার আশপাশে যেসব ঘটনা ইতিপূর্বে ঘটিয়েছে তা আমরা চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনেছি। আসামি গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। কাজেই অতীতের যে সাফল্য রয়েছে আমরা আশাবাদী সময় নিলেও খুনিদের শনাক্ত করতে পারবো। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, নিহত এমপি লিটনের শরীর থেকে বের করা বুলেট পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়াও যে আলামত পাওয়া গেছে সেটাও ডিএনএ টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, কিলারদের ফেলে যাওয়া ক্যাপটি নিয়ে কাজ চলছে। ক্যাপটি যে খুনি ব্যবহার করেছিল তার মাথার ঘাম ও চুল বা অন্য কিছু থাকলে এ ব্যাপারে ডিএনএ টেস্ট করে তা সংরক্ষণ করা হবে। পরে  সন্দেহভাজন খুনিদের গ্রেপ্তার করার পর ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তা মিলিয়ে দেখা হবে। সবশেষে ডিআইজি বলেন, গণমাধ্যমে এসেছে খুনিরা যে গুলি ব্যবহার করেছে তা ঢাকায় গ্রেপ্তার হওয়া জঙ্গিরা এবং জঙ্গিদের আস্তানায় পাওয়া গুলির সঙ্গে মিল আছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তবে যে অস্ত্রের গুলি পাওয়া গেছে ওই অস্ত্র আগে চেক প্রজাতন্ত্র তৈরি করতো এখন ওই অস্ত্র পাকিস্তানেও তৈরি হয়, ফলে কোথাকার অস্ত্র তা আপাতত বলা সম্ভব নয়।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন