কুয়েট ছাত্রসহ নিখোঁজ ২

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ১১ জানুয়ারি ২০১৭, বুধবার
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তামিম আহম্মদ ফারাজী ও তেরখাদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চুর ব্যক্তিগত দেহরক্ষী মোল্যা এমদাদুল হক নিখোঁজ হয়েছে। এ পৃথক দুটি ঘটনায় খানজাহান আলী থানা ও তেরখাদা থানায় জিডি করা হয়েছে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) টেক্রটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তামিম আহম্মদ ফারাজী গত ২২শে ডিসেম্বর থেকে ক্লাসে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের নির্দেশক্রমে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. সাদেক হোসেন প্রামাণিক খানজাহান আলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যার নং ২৭৯ তাং ০৯/০১/২০১৭। ডায়েরিতে তিনি  উল্লেখ করেন, কুয়েট দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তামিম আহম্মেদ দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিং জেলার ফুলবাড়ী, হসপিটাল রোডে তাদের গ্রামের বাড়ি কুয়েট কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে তারা নিশ্চিত করেন যে শিক্ষার্থী তামিম আহম্মেদ ফারাজী নিখোঁজ আছেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই।
এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানার ওসি মো. আশরাফুল আলম বলেন, ছাত্র তামিম নিখোঁজের ঘটনায় কুয়েট কর্তৃপক্ষ একটি জিডি করেছেন।
অপরদিকে তেরখাদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চুর ব্যক্তিগত দেহরক্ষী মোল্যা এমদাদুল হক গত ৮ই জানুয়ারি বিকাল ৫টার দিকে নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি ওই তারিখে তেরখাদা ব্যাংক থেকে অন্য নামের পে-অর্ডার ভাঙিয়ে চেয়ারম্যানের বাসায় যান এবং কেয়ারটেকার মিজানের কাছে থেকে ৪টি কম্বল নিয়ে এমদাদ এবং তার ভাই ছানাউল্লাহকে নিয়ে কাটেঙ্গা বাজারে আসেন। কম্বল ৪টি তার ভাইয়ের কাছে দিয়ে তিনি বিকেলের দিকে খুলনার উদ্দেশে রওনা হন। রূপসার শ্রীফলতলা এলাকা থেকে এমদাদের মোবাইল ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। সেই থেকে তার সঙ্গে সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
একটি সূত্র জানায়, এমদাদ সন্ধ্যায় সেনেরবাজার মসজিদে নামাজ পড়তে যান।  পরে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি।
এমদাদের পারিবারিক সূত্র জানায়, মোল্যা এমদাদুল হক চেয়ারম্যানের বাসাসহ তাদের কোনো আত্মীয়স্বজনের বাসায় যায়নি। এ ব্যাপারে এমদাদের স্ত্রী মোসা. সাবিনা ইয়াসমিন গত ৯ই জানুয়ারি তেরখাদা থানায় জিডি করেছেন। জিডি নং-৩৭৯। এমদাদুল হক কাটেঙ্গা গ্রামের মৃত. মাওলানা সাইফুল্লাহ মোল্যার জ্যেষ্ঠ পুত্র।
এদিকে এমদাদকে সুস্থভাবে ফিরে পাওয়ার জন্য পুলিশ, র‌্যাব এবং ডিবি পুলিশ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। উপজেলা পরিষদের সকল সদস্য এমদাদকে উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় থানায় জি ডি এন্ট্রি করা হয়েছে। তদন্তে মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন