বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জঙ্গীবাদ সমাচার বনাম বাস্তবতা

মত-মতান্তর

আরমান সাইফুল | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬, শনিবার
বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানের চারণভূমি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গীবাদ ইস্যু যুক্ত হয়ে উচ্চশিক্ষার এই আঙ্গিনাগুলো ইমেইজ সংকটে ভুগছে। কেউ কেউ এই ইস্যুকে হটকেকের মতো চালিয়ে নিজেদের মিডিয়ার প্রচারণার কাজে লাগাচ্ছেন। জঙ্গীবাদ জাতীয় সমস্যা। এটার দায়ভার শুধু বিশ্ববিদ্যালয় অথোরিটির উপর চাপালেই অনেকেই দ্বায়িত্বমুক্ত মনে করেন নিজেকে।  সামগ্রিকভাবে সবার সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে আমাদের যুব ও ছাত্রসমাজ এই বিপথগামীতা থেকে মুক্তি পেতে পারে।
সবাই সমস্যার কথা বলে। কিন্তু সমাধানের পথ নিজেদের বাতলে নিতে হয়। বেসরকারীবিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জঙ্গীবাদ রুখতে সামাজিক সচেতনতার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানকে কিছু অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব নিতে হবে। উল্লেখ্যযোগ্য হল, সব ছাত্রদের মাঝে ইসলামের সঠিক বার্তা পোঁছে দেয়ার জন্য নিয়মিত একাডেমিক কোর্সের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার অধীনে কিছু অতিরিক্ত কোর্স (বেসিক কনসেপ্ট অফ ইসলাম/ কুরআনিক ল্যাঙ্গুয়েজ/ লাইফ অফ প্রফেট মুহাম্মাদ সাঃ ইত্যাদি)পড়ানো যেতে পারে। সেই কোর্সগুলো হতে পারে নন ক্রেডিট কিন্তু বাধ্যতামূলক।  আশার দিক হল, সরকার নির্ধারিত কর্মসূচীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও জঙ্গীবাদ ইস্যুকে প্রায়োরিটি দিয়ে বার্ষিক কর্মসূচী হাতে নিচ্ছে। এই সচেতনতা সর্ব মহলে অব্যাহত থাকুক। শান্তিতে লেখাপড়ার সুযোগ পাক এদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ বঞ্চিত মেধাবীরা।
লেখক: বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

বেলায়েত হোসেন

২০১৭-০১-০১ ০৫:৪৯:০১

ইসলামী নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে প্রাইমারী থেকে তাতে করো সেই নিজেকে জানতে পারবে বুঝতে শিকবে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষা ব্যাবস্তা এতোটা ভালো না যা দিয়ে নিজেকে চিন্তে বা বুজতে পারবে ,,

আপনার মতামত দিন