মনকে বশ করবেন কীভাবে?

রকমারি

| ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০৬
কোনও কাজ করার সময় সবসময় অন্যমনস্ক? এক জায়গায় মন দিয়ে কাজ করতেই পারছেন না? সমস্যা কিন্ত্ত মোটেই ছোট নয়৷ তাই এড়িয়ে গিয়ে লাভ নেই৷ বরং সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা করুন৷ কীভাবে কাজে মনোযোগ আনবেন বাতলে দিচ্ছে ‘অন্য সময়’৷ ফোন সাইলেন্ট রাখুন কোনও কাজ করতে বসলেন কিন্ত্ত তার মাঝে বার বার ফোন ভাইব্রেট হওয়া মানে বার বার কনসেনট্রেশন ব্রেক৷ চেস্টা করুন ফোন সাইলেন্ট মোডে রাখতে৷ তবে জরুরি ফোনের জন্য অ্যালারট মোড অন করে রাখুন৷ কাজের ফোনও আসতে পারে৷ নো কানেকটিভিটি ফোন বন্ধ করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়৷ অন্তত নিজের ফোনের ইন্টারনেট অ্যাকসেস বন্ধ রাখুন৷ সারাদিন ওয়াটস অ্যাপের চিটচ্যাট কিংবা ফেসবুকের পপ আপের খোঁচায় দুর্বাসা মুনিরও হয়ত ধ্যান ভঙ্গ হয়ে যেত৷ আপনি তো নিমিত্ত মাত্র৷ কাজ জমাবেন না কাজ না জমিয়ে সবসময় আগে থেকে করে রাখার চেষ্টা করুন৷ আপনার ডেডলাইনের একঘণ্টা আগে কাজ করতে বসলে মনোযোগ আসা তো দূরের কথা, এতটাই তাড়াহুড়ো হবে যে ছড়িয়ে ফেলবেন সবটা৷ তাই আগে থেকে কাজ করে রাখার চেষ্টা করুন৷ জায়গা নির্দিষ্ট করুন কাজ করার জন্য সবসময় উপযুক্ত পরিবেশ দরকার৷ তাই কোথায় কাজ করবেন সেটা আগে নির্দিষ্ট করুন৷ রোজ রোজ নিজের অবস্থান বদলালে কনসেনট্রেশনে অসুবিধা হয়৷ যেখানে বসে কাজ করতে ভালো লাগবে সেখানেই রোজ বসুন৷ এতে কাজে উদ্যম আসবে৷ শান্ত বাতাবরণ জরুরি খুব আওয়াজে তো কনসেনট্রেশন আসতে পারে না৷ ফলে কাজ করার জন্য শান্ত কোনও জায়গা বাছুন৷ সবচেয়ে ভালো হয় নিজের জন্য প্রাইভেট কেবিন থাকলে৷ কিন্ত্ত বেশিরভাগ অফিসেই এখন কিউবিকল সিস্টেম৷ সেক্ষেত্রে আপনার কোনও সমস্যা হলে বসকে জানান৷ যদি কিউবিকল শেয়ারও করতে হয় তাহলে যার কম্পিউটর ওয়ার্ক বেশি তাকে যেন আপনার পার্টনার করা হয় সে বিষয়ে আর্জি জানান৷ সবচেয়ে ভালো হয় কম কথা বলা কোনও পার্টনার পেলে৷ লক্ষ্য স্থির করুন নিজের মধ্যে ডিটারমিনেশন আনা খুব জরুরি৷ তাই আগে লক্ষ্য স্থির করুন৷ নির্দিষ্ট সময়ে কাজটা শেষ করতে হবে এই বিষয়ে নিজের মধ্যে জেদ না আনলে চলবে না৷ সুতরাং আগে একটা টাইম সেট করে নিন৷ কাজের জায়গা পরিস্কার রাখুন অ-পরিস্কার জায়গায় আর যাই হোক মনোযোগ আসতে পারে না৷ নিজের কাজের জায়গা যতটা সম্ভব পরিস্কার রাখার চেষ্টা করুন৷ নিট অ্যান্ড ক্লিন জায়গায় তরতরিয়ে কাজ এগোবে৷ মাঝে মাঝে ব্রেক নিন পর পর কাজ করে গেলে ব্যাপারটা একঘেয়ে হয়ে যাবে৷ তাই ছোট ছোট ব্রেক নিন৷ ধরুন একটা কাজ করে একটু কফি খেয়ে এলেন৷ কিংবা অফিসটা একপাক ঘুরে এলেন৷ অথবা নিজের হেডফোন বের করে একটু গান শুনে নিলেন৷ এতে একঘেয়েমি কাটবে এবং মনোযোগ বাড়বে৷ রুটিন বানান রুটিন মাফিক কাজ করলে একটা অভ্যাস তৈরি হবে ফলে মানসিক স্থিতি আসবে৷ এক্ষেত্রে মনোযোগ বাড়বে৷ যোগব্যায়াম কনসেনট্রেশন ফেরানোর জন্য কোনও যোগা ক্লাসে জয়েন করুন৷ বাড়িতে মেডিটেশনও করতে পারেন৷

সুত্রঃ এই সময়

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

দু’বছরের মধ্যে জেরুজালেমে দূতাবাস খুলবে যুক্তরাষ্ট্র

শিক্ষামন্ত্রণালয়ের দুই কর্মচারী ও লেকহেড স্কুলের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন ১৯শে ফেব্রুয়ারি

ফেরত পাঠালে রোহিঙ্গারা ঝুঁকিতে পড়বে

একই রাতে মা ও ছেলের মৃত্যু

ধনী ১ শতাংশ মানুষের হাতে বিশ্বের ৮২ শতাংশ সম্পদ

‘ছবিটিতে অন্যতম আকর্ষণীয় চরিত্রের নাম বন্দনা’

শিক্ষার ঘুষের হাটের কারবারি

অভিযোগের পাহাড়, অসহায় ইউজিসি

প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে না আজ

মৈত্রী এক্সপ্রেসে শ্লীলতাহানির শিকার বাংলাদেশি নারী

‘২০৬ নম্বর কক্ষে আছি, আমরা আত্মহত্যা করছি’

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা হারালেন ঢাবি ছাত্র

পুলে যাচ্ছে সেই সব বিলাসবহুল গাড়ি

নীলক্ষেত মোড়ে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, এমপির আশ্বাসে স্থগিত

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফর সফল করতে নির্দেশনা