নীরবতায় ঢাকা সূচির ‘গণতন্ত্র’

প্রবাসীদের কথা

রায়হান আহমেদ তপাদার | ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, শুক্রবার
সূচি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। দেশটির প্রায় নব্বই শতাংশ মানুষ এই ধর্মের অনুসারী। তার দায় নিজের ধর্মগোষ্ঠীর লোকদের প্রতি। এটা আসলে দায় না রাজনৈতিক সুবিধাবাদী, সেটাও পরিষ্কার নয়। তবে এই অঞ্চলের রাজনীতির যে ধারা তাতে দেখা যায় মুখে সবাই মানবতাবাদী, তলে তলে নিজেদের সম্প্রদায় বা ধর্মগোষ্ঠীই তাদের কাছে প্রধান। এটি এ কারণে নয় যে, তারা নিজেদের ধর্মের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ ও প্রতিশ্রুতিশীল।
বরং এ জন্য যে, নিজেদের এই জনগোষ্ঠীর সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িক চিন্তাকে তারা নিজেদের ক্ষমতার উৎস মনে করে। সেজন্য সব লাজলজ্জা ত্যাগ করে চাষ করে সাম্প্রদায়িকতার। রোহিঙ্গা প্রশ্নে বরাবরই সূচির অস্পষ্ট ধোঁয়াশাচ্ছন্ন অবস্থান বিশ্ববাসীকে হতাশ করেছে। তবে ক্রমেই এই অবস্থান আরো স্পষ্ট হচ্ছে যে, তিনিও সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িকতার মধ্যে আটকা পড়ে আছেন। সম্ভবত শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার না পেলে তিনি নিজে সরাসরি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নির্মূল অভিযান উস্কে দিতেন। কারণ মানুষকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে, গুলি করে হত্যা কিংবা জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারাকে তিনি দেখছেন রোহিঙ্গা হত্যা হিসেবে। এটাকে দেখতে পারছেন না মানুষ হত্যা হিসেবে। আর চুপ করে থেকে চাইছেন সেটা এড়িয়ে যেতে। সূচির দাবি অনুযায়ী, আরাকানে মুসলমানদের ওপর কোনো ধরনের গণহত্যা না হলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ওই রাজ্যে পরিদর্শনের অনুমতি দিতে অসুবিধা কোথায়? বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন হলে যেকোনো বিদেশি রাষ্ট্রদূতের সেখানে পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত বিশেষত হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের প্রত্যেকটি ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে থাকেন। আরো এগিয়ে গিয়ে, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে এর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিতে তাগিদও দেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বার্থ নিয়ে কাজ করার জোরদার সংগঠনও রয়েছে বাংলাদেশে।
শান্তিবাদী কর্মীরা অনেক কথা বলেও রোহিঙ্গাদের নির্যাতন ও নির্মূলের বিরুদ্ধে তাকে কোনো কথা বলাতে ব্যর্থ হন। এর পরে তাদের অনেকে সূচির সমালোচনায় নামেন। কারণ বিশ্ববাসী তাকে এতটা সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছেন, খুব কম মানুষ এতটা পেয়েছেন। নোবেল শান্তি পুরস্কারের বাইরে তাকে শান্তি ও গণতন্ত্রের জন্য শাখারভ পুরস্কার, জওয়াহের লাল নেহরু অ্যাওয়ার্ড, অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া, ইউএস কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল, প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম, রেফটফ প্রাইজসহ বিশ্ববাসী অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার দিয়ে তাকে সম্মানিত করেছে। আর তিনি রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করেছেন ভিন্ন কর্মী বা ‘মুসলিম’ হিসেবে; মানুষ হিসেবে নয়। হয়তো এ কারণে তাদের হত্যা করে নির্মূল করে দেয়া তার কাছে বড় অপরাধ বলে বিবেচিত হচ্ছে না। বিশ্বব্যাপী শান্তিকর্মীরা তাই গণতন্ত্রের এই কথিত কর্ণধারকে দেয়া নোবেল ও অন্যান্য পুরস্কার ফেরত নেয়ার দাবি উঠিয়েছেন। এতে করে সূচির কোনো ধরনের চেতনার উদয় হয়েছে বলে দেখা যায়নি। বরং বিবিসি টুডেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারের পর তিনি এমন মন্তব্য করেছেন, যাতে তার মনোভাব প্রকাশ হয়ে পড়ে। ২০১৩ সালে নেয়া হয় ওই সাক্ষাৎকারটি। এর পরপরই সেই সাম্প্রদায়িক মন্তব্যটি তিনি করেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন মিশাল হোসেন। সূচি বলেন, ‘কেউ আমাকে বলেনি যে, একজন মুসলিম আমার সাক্ষাৎকার নিচ্ছে।সূচির সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণ চিন্তার পুরোটাই এতে প্রকাশ হয়ে পড়ে।এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠতে পারে, আসলে বিজ্ঞ নোবেল কমিটি শান্তির জন্য কাদের মনোনীত করছেন? অন্তত তাদের এই মনোনয়নটি যে ভুল ছিল তা এখন বিশ্ববাসী মনে করতে শুরু করেছেন। সূচি এখন পর্যন্ত নির্মূল হতে যাওয়া রোহিঙ্গার পক্ষে যাওয়া তো বহু দূরের কথা, তিনি কার্যত তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। একজন মুসলিম হওয়ার মধ্যে দোষের বিষয়টি কী? গণতন্ত্র ও মানবাধিকার কি আমাদের বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী ও বিশ্বাসের প্রতি সম্মান করতে শেখায় না?
জাপান সফরে সূচি মন্তব্য করেছেন, কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া রোহিঙ্গা নির্যাতনের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ কারো বিরুদ্ধে করবেন না। অথচ আরাকানে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। মানবাধিকার কর্মীদের প্রবেশও নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তারা নিজেরাই তথ্যপ্রমাণের সব দুয়ার বন্ধ করে দিয়েছেন। অথচ নিজেরাই বলছেন, তাদের কাছে তথ্যপ্রমাণ নেই। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সংগৃহীত চিত্র থেকে রোহিঙ্গা গণহত্যা ও জাতিগত নির্মূল অভিযানের চিত্র স্পষ্ট। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। উদ্বাস্তুদের স্রোত সীমান্তের দিকে ছুটেছে। মিলিটারিদের বর্বরতার পাশাপাশি চলছে কট্টর বৌদ্ধদের নির্যাতন। যে যেভাবে পারছে তাদের সম্পদ কেড়ে নিচ্ছে। সব হাতিয়ে নিয়ে কাউকে কাউকে পুড়িয়ে মারছে। আর কেউ পালিয়ে উদ্বাস্তুদের মিছিলে হাজির হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস এক সম্পাদকীয় নিবন্ধে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার যুদ্ধ করছে বলে মন্তব্য করেছে। অর্থাৎ একটি দুর্বল নিরস্ত্র সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে স্বয়ং একটি রাষ্ট্র সশস্ত্র যুদ্ধ পরিচালনা করছে। সেখানে হেলিকপ্টার গানশিপ থেকে গুলি করা হচ্ছে। বিস্ফোরক ও দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে একের পর এক জনপদ পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের হিসেবে, সেখানে এক লাখ ৬২ হাজার মানুষ খাদ্য সংকটের শিকার। এর মধ্যে ৭৮ হাজার মানুষকে জরুরিভিত্তিতে খাদ্য সরবরাহ করার প্রয়োজন রয়েছে। গত তিন বছরে এক লাখ চল্লিশ হাজার রোহিঙ্গাকে উদ্বাস্তু শিবিরে বসবাস করতে বাধ্য করা হয়েছে। এদের সেখানে অনেকটাই বন্দি করে রাখা হয়েছে। তারা যেমন বাইরে যেতে পারে না, তেমনি বাইরের কেউ সেখানে তাদের খোঁজখবর নিতে পারে না। তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও বাসস্থান নেই। শিশুদের জন্য নেই পড়াশোনার ব্যবস্থা।
এই উদ্বাস্তুদের শেষ ঠিকানা কোথায়, কেউ জানে না। ঠিক এই সময় রোহিঙ্গাদের ওপর চলছে নতুন করে ভয়াবহ নির্মূল অভিযান। প্রথম রোহিঙ্গা বিতাড়নে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। সেই সময় থেকে রোহিঙ্গাদের একটা বিরাট অংশ আশ্রয় নেয় পাকিস্তানে ও সৌদি আরবে। এদিকে মালয়েশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। এ অবস্থায় সূচি কিভাবে বলতে পারেন, তিনি তথ্যপ্রমাণ ছাড়া রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিরুদ্ধে নিন্দা জানাতে পারবেন না? তিনি কি বিতাড়িত এই লাখ লাখ অঙ্কের ফিগারটি দেখতে পাচ্ছেন না। না কি তিনি এ বিষয়ে অন্ধ থাকতে ভালোবাসেন? ইয়ারথুর এই বক্তব্যের পর রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচারের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। মিয়ানমারবিষয়ক রাজনৈতিক বিশ্লেষক নিকোলাস ফারেলি বলছেন, সামনের নির্বাচনে রোহিঙ্গা ইস্যুকে টিকিয়ে রাখতে চান না সূচি। আর তাই নতুন রাজনৈতিক অঙ্কে রোহিঙ্গা শব্দটি নিয়ে যেমন সূচির আপত্তি, তেমনি তিনি তার আন্তর্জাতিক মিত্রদের এটা বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে, রোহিঙ্গারা ভোটের রাজনীতিতে কোনো ভূমিকা পালন করতে পারবে না। আর বর্তমান গণতান্ত্রিক পন্থায় যাদের ভোটাধিকার নেই, তাদের নাগরিক কেন মানুষ হিসেবেও গণ্য করা হয় খুব কম। ছাত্রসমাজ ও বৌদ্ধভিক্ষুদের কত সংগ্রাম, কত রক্ত, কত আত্মদান। ১৯৮৯ থেকে ২০১০ পর্যন্ত ২১ বছরের মধ্যে ১৫ বছর সূচি ছিলেন নিঃসঙ্গ গৃহবন্দি। মাঝেমধ্যে ছেড়ে অনেক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রেখেও জান্তা আবার ধরে গৃহবন্দি করতো। আন্দোলনের কারণে নির্বাচন দিতে বাধ্য হলেও জান্তা ক্ষমতা ছাড়েনি। ১৯৯০ সালের নির্বাচনে সূচির দল পার্লামেন্টের ৮১ শতাংশ আসন পেয়েও ক্ষমতা পায়নি। ২০১০-এর নির্বাচনে সূচিকে লড়তে দেয়া হয়নি এবং এনএলডি বর্জন করে। কিন্তু ২০১২ সালে ৪৫টি আসনের উপনির্বাচনে ৪৩টিই এই দল পায় এবং সূচি নিজে পার্লামেন্ট সদস্য হন।

প্রবল আন্তর্জাতিক চাপে ও পরিবর্তনের বাস্তবতায় মিয়ানমার ২০১০ থেকেই ধীরে ধীরে বিশ্ববাজারে নিজেকে উন্মুক্ত করতে থাকে, অর্থাৎ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য দরজা খুলতে থাকে। ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে বার্মার গভীর ঐতিহাসিক নৈকট্য। সমকালীন ইতিহাসে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী, পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টো, বাংলাদেশের শেখ হাসিনা ও মিয়ানমারের অং সান সূচি প্রমুখ নারী নেতা আমাদের গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। তারা একাধারে দুঃখিনী রাজকন্যা ও সম্রাজ্ঞী। জনগণবন্দিতা। দুজন আততায়ীর হাতে নিহত, দুজনের পিতা ও একজনের স্বামী নিহত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল, সামরিক শাসনের পতন হলে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলে হয়তো রোহিঙ্গাদের সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটে ঠিক তার উল্টো। শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সূচি রোহিঙ্গাদের পক্ষে দাঁড়ানোর বদলে রোহিঙ্গা শব্দটিই ব্যবহারে আপত্তি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ বরাবর। সূচির সেই উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে কফি আনান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কাজ শুরু হয়। গত অক্টোবর মাসে কফি আনান এক বিবৃতিতে অবিলম্বে সূচি সরকারকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নিতে বলেছিলেন। কিন্তু মজার বিষয় হলো, কফি আনানের সেই উদ্যোগ পুরোপুরি ভেস্তে যায়। এখন পর্যন্ত কফি আনান কমিশন কোনো রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। কিন্তু আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কফি আনানের রিপোর্ট রোহিঙ্গাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে না। মিয়ানমারকে যদি যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মডেলে সজ্জিত করা যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এশিয়ার ক্ষমতাধর দেশ চীন ও ভারতকে বাগে আনা কিছুটা সহজ হবে। আর এজন্যই অবরোধ তোলার কিছুদিনের মধ্যেই মিয়ানমারের সঙ্গে সামরিক মহড়ার আয়োজন করা হয়।

আরো আশ্চর্যজনক হলো, যৌথ মহড়া চলার সময়েও রোহিঙ্গা গ্রামে হামলা চালানো হয়েছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। রাখাইন রাজ্যের এই সংঘাতের পেছনে জড়িত আছে দেশটির আল্ট্রা ন্যাশনালিস্টরা। আর এই ন্যাশনালিস্টদের শক্তিশালী ঘাঁটি হলো রাখাইন রাজ্যের সবচেয়ে পুরনো বৌদ্ধ মন্দির মারাউক-উ। এই মন্দিরের সন্ন্যাসী আশিন ইয়ারথু হলেন একজন প্রভাবশালী ন্যাশনালিস্ট নেতা। যার সঙ্গে কয়েকবারই অং সান সুচিকে দেখা গেছে। এই সন্ন্যাসীই প্রথম বলেছিলেন যে, “মুসলিমরা খরগোশের বাচ্চার মতো জন্মায়। তারা আমাদের তলোয়ার দিয়ে হত্যা করতে আসে। আমাদের নিজেদের রক্ষা এবং ধর্মকে বাঁচাতেই তাদের প্রতিহত করতে হবে।

কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বিদেশি হস্তক্ষেপ রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে না : বেইজিং

ছাত্রলীগ নেতাসহ তিনজন চারদিনের রিমান্ডে

সোনাজয়ী শুটার হায়দার আলী আর নেই

মালয়েশিয়ায় ভূমি ধসে তিন বাংলাদেশি নিহত

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মুক্তামনি

খাল থেকে উদ্ধার হলো হৃদয়ের লাশ

রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানকে কঠিন পর্যায়ে নিয়ে গেছে সরকার: খসরু

সঙ্কট সমাধানে প্রয়োজন পরিবর্তন: দুদু

চোখের চিকিৎসা করাতে লন্ডনে গেলেন প্রেসিডেন্ট

সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না

বৌদ্ধ ভিক্ষু সেজে কয়েক শত কিশোরীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক

৫০ বছরের মধ্যে জাপানে কানাডার প্রথম সাবমেরিন

ছিচকে চোর থেকে মাদক সম্রাট!

বোতলে ভরা চিঠি সমুদ্র ফিরিয়ে দিল ২৯ বছর পর!

কার সমালোচনা করলেন বুশ, ওবামা!

জুমের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেনা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা