জনপ্রিয় হচ্ছে ইংরেজিতে দক্ষতা প্রমাণের পরীক্ষা পিটিই

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার | ৪ ডিসেম্বর ২০১৬, রবিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:১০
উন্নত দেশগুলো ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমাণে আইইএলটিএস ও টোফেল পাশাপাশি গ্রহণ করছে পিয়ারসন টেস্ট অব ইংলিশ বা পিটিই একাডেমিক। যারা একাধিকবার আইইএলটিস বা টোফেলে অংশ নিয়ে কাঙ্ক্ষিত স্কোর পাচ্ছেন না তারা সহজেই এ পদ্ধতিতে সফল হতে পারেন। বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ অথবা মাইগ্রেশন ভিসার ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোতে বতর্মানে পিটিই স্কোর গ্রহণ করা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যেসহ ইউরোপের বহু বিশ্ববিদ্যালয় পিটিই-কে স্বীকৃতি দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বর্ডার অব ইমিগ্রেশন সকল প্রকার ভিসার জন্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে পিটিই স্কোর গ্রহণ করছে। পিটিই-তে একজন শিক্ষার্থীকে স্পিকিং অ্যান্ড রাইটিং, লিসেনিং ও রিডিং এই তিনটি মডিউলে অংশ নিতে হয়।
আইইএলটিস-এ স্পিকিং ও রাইটিং আলাদাভাবে অংশ নিতে হয়। মোট ৯০ নম্বরের পিটিই তিন ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে আইইএলটিস দুদিনে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে পিটিই প্রস্তুতির জন্য সহায়তা দেয় শুক্রাবাদে অবস্থিত নেইমান পিটিই স্টাডি সেন্টার। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেইনার মো. সিরাজুম্মুনীর জানান, আইইএলটিস-এ একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর পক্ষে ৭ স্কোর পাওয়া অনেক কঠিন। পিটিই-তে সমপরিমাণ স্কোর পেতে একজন শিক্ষার্থীর মাত্র একমাসের প্রস্তুতিই যথেষ্ট। পিটিই-র পুরো পরীক্ষা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে এবং এখানে মূল্যায়ন করা হয় কম্পিউটারেই। সুতরাং নম্বর পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ত্রুটির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তিনি আরো জানান, পিটিই-র ফল শিক্ষার্থীরা মাত্র ৫ কার্যদিবসের মধ্যে পেয়ে যান। যেখানে আইইএলটিএস-র ফল পেতে লাগে ১৪ দিন। পরীক্ষার ৪৮ ঘণ্টা আগে পিটিই রেজিস্ট্রেশন করা যায়। রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ১৪ হাজার ৫০০ টাকা। বতর্মানে বাংলাদেশেই টেস্ট সেন্টারের মাধ্যমে পিটিই একাডেমিকে অংশগ্রহণের সুযোগ আছে। পিটিই সম্পর্কে জানতে ও যেকোনো পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন: ০১৭১২১৬৪১৬৪, ওয়েব:www.pteinstitute.com.

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন