সীমান্তে হত্যা বন্ধে বিএসএফ বিশেষ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৯ নভেম্বর ২০১৬, শনিবার
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা কমিয়ে আনতে বিএসএফ তাদের জওয়ানদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়ার কর্মসুচি হাতে নিয়েছে। বিএসএফের দক্ষিণ ফ্রন্টিয়ারের আইজি পিএসআর আনজানেইয়েলু এই খবর জানিয়ে বলেছেন, সীমান্তে যাতে গুলি চালনার মতো কোনও ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমরা আমাদের জওয়ানদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। সীমান্তে হত্যার ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ সবসময় সরব হয়েছে। গত চার বছরে বাংলাদেশ সীমান্তে ১৪৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।  বিএসএফ ও বিজিবির বিভিন্ন বৈঠকে সীমান্ত হত্যা জিরো পর্যায়ে নিয়ে আসার কথা বলা হলেও তা এখনও পর্যন্ত সম্ভব হয় নি। তবে বিএসএফ যে বিষয়টি নিয়ে ভাবছে সেকথা জানিয়েছেন বিএসএফের আইজি। সম্প্রতি ভারত সফররত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে আইজি বলেছেন, সীমান্তে বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে অপরাধীদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে হয়।
অনেক সময় দুষ্কৃতিরা এত কাছে থেকে অক্রমণ চালায় যে তখন আত্মরক্ষার্থে গুলি না চালিয়ে উপায় থাকে না। বিএসএফ আইজি দাবি করেছেন, গুলি চালনার ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে বিএসএফ লক্ষ্য রাখছে। তাঁর বিশ্বাস সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা সম্ভব হবে। বিএসআইজি জানিয়েছেন, পাক সীমান্তে আমাদের যেভাবে কাজ করতে হয় বাংলাদেশ সীমান্তে তা সম্পূর্ণ অন্যভাবে করতে হয়। পাকিস্তানকে শত্রু ভেবেই চলা হয়। আর তাই বাংলাদেশ সীমান্তে কর্মরত বিএসএফ জওয়ানদের বলা হচ্ছে যে, পাক সীমান্তের কৌশল বাংলাদেশ সীমান্তে ব্যবহার করা যাবে না। কেননা, বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু দেশ। আইজি আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে মৃত্যু যাতে না হয় তেমন বুলেট ব্যবহার করা হচ্ছে। গত এক বছরে বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ ২২৪ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া প্রায় ২৩০০ রাবার বুলেট ব্যবহার করা হয়েছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০১৬-১১-১৯ ০৪:১৯:৪৪

Not a single Bangladeshi attack yet on BSF. But BSF is shooting unprovoked person who may try to meat relatives on the other side of borders with visa. Or illiterate people want to avoid hassle and fees. The statements is not true. It doesn't need training to NOT to shoot. It needs training to shoot. The training is giving for shooting.

Ruhul Amin Jakkar

২০১৬-১১-১৯ ০৩:৫৫:৩০

ভূতের মুখে রাম নাম শুনিলাম বাহে! যাহারা পাখির মত গুলি করিয়া বাংলাদেশীদের হত্যা করে তাহারা নাকি গুলি বন্ধ করিতে ওদের সন্ত্রাসী বাহিনীকে প্রশিক্ষন দিবে। বলি, গুলি বন্ধ করিতে প্রশিক্ষনের প্রয়োজন নাকি গুলি চালাইতে প্রশিক্ষনের প্রয়োজন? ওহ আচ্ছা! রেন্ডিয়ায়তো আমাগো প্রভূদের বছবাছ, এইছব বাত তাহারা ছুনিলে তাহারা নারাজ হুনেকা ছম্ভাবনা হায়ঁ.

আপনার মতামত দিন