ঐক্য পরিষদের ব্যাখ্যা এবং প্রতিবেদকের বক্তব্য

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

| ১ মার্চ ২০১৬, মঙ্গলবার
২৬শে ফেব্রুয়ারি নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত সাংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত বক্তব্যের একটি ব্যাখ্যা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। এতে বলা হয়েছে, ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অব্যাহত নির্যাতন ও সন্ত্রাস, তাদের নিরাপত্তা বিধানে সরকারের ব্যর্থতা বা অনীহা আর এই বাস্তবতায় দেশের সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের প্রগতিশীল মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে। ভারতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন এবং কোন কোন স্টেটে গো-হত্যা বন্ধের চেষ্টা হচ্ছে উল্লেখ করে সে বিষয়ে আমাদের অবস্থান প্রশ্নে জবাব দাতা বলেন, আমরা নীতিগতভাবে বিশ্বের যে কোন জায়গায় সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার লঙ্ঘন বিরোধী তবে ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদ করার দায়িত্ব ভারতের সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের, আমাদের কর্মকান্ড বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তখন ¯্রােতাদের সারি থেকে ওঠে এসে এক ব্যক্তি বাংলাদেশে গো-হত্যা বন্ধ করা উচিত বলে যে বক্তব্য রাখেন, সেটা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এই বক্তব্য আমাদের নয়। প্রকাশিত সংবাদে ওই লোককে ঐক্য পরিষদের ডিরেক্টর এবং আমেরিকান হিন্দু ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট বলে দাবি করা হয়েছে, কিন্ত তিনি ঐক্য পরিষদের ডিরেক্টর তো ননই, আর হিন্দু কাউন্সিল অফ নর্থ আমেরিকার কোন কমিটি এখনো গঠিতই হয়নি। সংখ্যলঘুদের সম্পত্তি দখলের ব্যাপারে বক্তব্য ছিল, যখনই যে সরকার ক্ষমতায় ছিল তখন সেই দলের লোকেরা সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে।
প্রতিবেদকের বক্তব্য: গরু জবাই বন্ধের দাবি জানানো শ্যামল চক্রবর্তী  সেদিনের সংবাদ সম্মেলনে সংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য ঐক্য পরিষদের নির্ধারিত নেতাদের মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন। যা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাস প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেই উল্লেখ আছে। তাদের ব্যাখ্যায় এক ব্যক্তি দর্শক সারি থেকে ওঠে এসে জবাব দিয়েছেন বিষয়টি আসলে তা নয়। প্রদীপ দাস প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি পরষ্পরবিরোধী। এছাড়া গরু জবাই বন্ধের দাবি জানানো শ্যামল চক্রবর্তী নিউ ইয়র্কের অন্যতম বৃহৎ মন্দির জ্যামাইকা মহামায়া মন্দিরের সভাপতি এবং ঐক্য পরিষদের নির্বাহী কমিটির অত্যন্ত প্রভাবশালী সদস্য। আর তাদের বিজ্ঞপ্তিতেই উল্লেখ আছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বেদখল হওয়া হিন্দু সম্পত্তির তিন চতুর্থাংশই আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের দখলে রয়েছে।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Shajid

২০১৬-০৩-০২ ০২:২০:১৮

সরকার ও হিন্দু পরিবেষ্টিত প্রশাসনের (হিন্দু) প্রত্যেক্য সহযোগিতায় হিন্দুরা লাগামহীন কথা বলতেছে।

আপনার মতামত দিন