চট্টগ্রামে ১৯,৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে

অনলাইন ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ১:২৪ | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৫৭

বাংলাদেশে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার পর পাঁচ দেশ থেকে ১৯,৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অপেক্ষায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দেশের ভোগ্যপণ্যের বড় বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের অন্তত ২৫ ব্যবসায়ী পেঁয়াজ আমদানির জন্য আবেদন করেছেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে খোলা হয়েছে ঋণপত্রও (এলসি)। বুধবার সকালে এমন তথ্য দিয়েছেন উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বুলবুল। তিনি বলেন, খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্তত ২৫ ব্যবসায়ী পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খুলেছেন।  মঙ্গলবার একদিনেই ১০ হাজার ৭৪২ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্রের (আইপি) জন্য আবেদন করেছেন ব্যবসায়ীরা। এ মাসের মধ্যে ৫৪টি আইপির বিপরীতে ১৯ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির এলসি খোলা হয়েছে।
 তিনি বলেন, ভারতের বিকল্প হিসেবে পাকিস্তান, চীন, মিয়ানমার, তুরস্ক ও মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে চাইছেন ব্যবসায়ীরা। ৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫৪টি অনুমতিপত্র বা আইপির মাধ্যমে ১৯ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নেয়া হয়েছে।
সমূদ্রপথে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এসব পেঁয়াজ দেশে এসে পৌছাবে। এরমধ্যে পাকিস্তান থেকে খাতুনগঞ্জের আবুল বাশার অ্যান্ড সন্স ৫০০ মেট্রিক টন, এস ইসলাম ট্রেডিং ৪০০ মেট্রিক টন, মিশর থেকে রেড লিংক ১ হাজার মেট্রিক টন, এএস করপোরেশন ৫০১ মেট্রিক টন, এসএন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ৫০০ মেট্রিক টন, মিয়ানমার থেকে খাতুনগঞ্জ ট্রেডিং মিয়ানমার থেকে ৫০০ মেট্রিক টন, এএইচ এন্টারপ্রাইজ চীন থেকে ৫০০ মেট্রিক টন, মিয়ানমার থেকে ৫০০ মেট্রিক টন, এ মোক্তার ট্রেডিং চীন থেকে ৫০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির আনুমতি পেয়েছে।   এভাবে খানতুনগঞ্জের অন্তত ২৫ জন ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির আবেদন করেছেন। এর সঙ্গে আবেদন আরও যোগ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বুলবুল।  

উল্লেখ্য, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভারতের পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ঘোষণার পর থেকে দেশের বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রয় হয় ৬০ টাকায়। আর খুচরা বাজারে ৫৮-৬০ টাকা বেড়ে বিক্রয় হয় ১০০ টাকা কেজি দরে।   এ নিয়ে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে ক্রেতা সাধারণের মাঝে। অসন্তোষ দেখা দিয়েছে প্রশাসনের মাঝেও। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন মো. ইলিয়াছ হোসেন রাতারাতি পেঁয়াজের মূল্য দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেড়ে যাওয়ার পেছনে ব্যবাসয়ীদের কারসাজি বলে উল্লেখ্য করেন। পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে তিনি অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের পরিচালনা করবেন বলে জানান।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

বেসরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সনদ

৩২ যাত্রীকে রেখে গেলে সৌদি এয়ারলাইন্স

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

নীলা হত্যা

৭ দিনের রিমান্ডে প্রধান আসামী মিজান

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

মানবজমিনকে ড. কামাল

কাউন্সিল করার তারা কে?

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত