করোনায় আরো ৩৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৬৬

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন ১৪ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ৩:২৫

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৭৬৬জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ৫৯১ জনে। মোট শনাক্ত দুই লাখ ৭১ হাজার ৮৮১ জনে দাঁড়িয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৭৫২ জন এবং এখন পর্যন্ত এক লাখ ৫৬ হাজার ৬২৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানানো হয়েছে। এতে আরো জানানো হয়, ৮৭টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৭৫৭ টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১২ হাজার ৮৫৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ ২৮ হাজার ৭৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৭ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩২ শতাংশ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আবুল কাসেম

২০২০-০৮-১৪ ০৪:৪৫:৪৬

গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করেছেন ৩৪ জন। আর শনাক্ত হয়েছেন ২৭৬৬ জন। তার আগের ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বরন করেছিলেন ৪৪ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিলো ২৬১৭ জন। এই দুই দিনের তুলনায় দেখা যায়, মৃত্যু কমলেও সনাক্ত বেড়েছে। এই আতংকের মধ্যে 'অভিভাবক ঐক্য ফোরাম' পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট। মহামারী কবলিত দেশে দাবিটা একান্তই যৌক্তিক এবং মানবিকও বটে। এমনিতেই বাচ্চাদের জীবন নিয়ে মা-বাবা যেমন শংকিত বাচ্চারাও আতংকিত। তাই যৌক্তিক কারণেই এই মুহূর্তে এই দুইটা পরীক্ষা বাতিল করে উপরের শ্রেণিতে তাদের প্রমোশন দেয়া যায়। কিন্তু, এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের কারনে পরীক্ষার্থীরা হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে। কারন, এরা উচ্চ শিক্ষার স্বপ্নচারী। কিন্তু কোনো পরীক্ষার্থী ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে চাইবেন বলে মনে হয়না এবং অভিভাবকগণও সন্তানদের মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিতে চাইবেননা। তাছাড়া কোনো পরীক্ষার্থী ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত কিনা তাও আমাদের অজানা এবং পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষার্থীরা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায়না। এর মাঝে অনেক শহরের পরীক্ষার্থীরা গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন এবং অভিভাবকগণও আয় রোজগার হারিয়ে ফেলেছেন। কঠিন এই বাস্তবতার নিরিখে এইচএসসি পরীক্ষা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের মতো বিষয় সংখ্যা কমিয়ে সিলেবাস শর্ট করে শুধু মাত্র এমসিকিউ পদ্ধতিতে অল্প সময়ের মধ্যে অনলাইনে সমাপ্ত করা যায়। অনলাইনের বাইরে স্ব শরীরে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়া-আসা পরীক্ষার্থী অভিভাবক সকলের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই অনলাইনে পরীক্ষা নেয়াটাই করোনা কালিন সময়ের একমাত্র বিকল্প উপায়। বিষয় সংখ্যা কমাতে হবে এবং সিলেবাস শর্ট করতে হবে। কারন, ঘরবন্দী পরীক্ষার্থীরা অনিবার্য কারনেই পড়াশোনার মনোযোগ হারিয়ে ফেলেছে। যদিও তাদের সিলেবাস পুরোটা পড়ানো হয়েছিলো। কিন্তু, বর্তমান অবস্থার কারনে তাদের পড়াশোনার সেই গতি থমকে গেছে এবং অনেক কিছুই ভুলে গেছে। তাই পরীক্ষা নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। এমতাবস্থায় তাদের ভবিষ্যত জীবনের কথা ভেবে পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা কমিয়ে সিলেবাস শর্ট করে অল্প সময়ের মধ্যে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করা হলো।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ

বিক্ষোভে উত্তাল সিলেটের এমসি কলেজ (ভিডিও)

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

সোনার পদক পেল ইঁদুর! (ভিডিও)

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

সিলেট এমসি কলেজে তরুণীকে গণধর্ষণ

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন পুলিশ কমিশনার

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

ডয়চে ভেলের সাক্ষাৎকারে নুর

মৌলিক দাবির ভিত্তিতেই সরকার পতনের আন্দোলন করবো

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

পাবনা-৪ আসন উপ-নির্বাচন

ভোট গ্রহন চলছে, উপস্থিতি কম

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, অস্ত্র উদ্ধার

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



৬ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

মামুনকে অব্যাহতি, তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি