কোভিড-১৯: বাংলাদেশে দ্রুত খারাপ হচ্ছে পরিস্থিতি

মানবজমিন ডেস্ক

অনলাইন ২৩ মে ২০২০, শনিবার, ১২:২৬ | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০৬

দেশে দ্রুত খারাপ হচ্ছে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি। সংক্রমণের ১১ সপ্তাহ পড়ে এসে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন মহামারি এই ভাইরাসে। বাড়ছে দৈনিক মৃতের সংখ্যাও। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এরপর প্রতি সপ্তাহেই পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় খারাপ হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন ১ হাজার ৮৭৩ জনকে করোনা শনাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ২০ জন। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ছারালো ৩২ হাজার জনে।
মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৫২ জনের।
শুরু থেকেই বিশেষজ্ঞরা সাবধান করে আসছিলেন যে, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ঘনবসতির কারণে দ্রুতই পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করবে। এখন তাই দেখা যাচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।  এর আগে ৮ বিশেষজ্ঞ নিয়ে গঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শক দল জানিয়েছিলো, ১৬ থেকে ১৮ মের মধ্যে পিকশুরু হবে। চলবে ঈদ পর্যন্ত। ঈদের পর সংক্রমণ কোনো দিন বাড়বে আবার কোনো দিন কমবে। তবে প্রবণতা থাকবে কমার দিকে। ইতিমধ্যে  তার সঙ্গে মিল পাওয়া যাচ্ছে। দ্রুত বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এটি পিক কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা এখনো প্রবল।
বাংলাদেশে গত ১২ মে ১৬ হাজার ছাড়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংখ্যা দ্বিগুন হতে সময় লেগেছে মাত্র ১১ দিন। অর্থাৎ করোনা আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কবে নাগাদ এ হার কমতে শুরু করবে তা কেউ স্পষ্ট করে বলতে পারছে না। তবে এখনো অনেক বিশেষজ্ঞই আস্থা রাখছেন লকডাউনের ওপরই। ইউজিসি অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ এ নিয়ে জানিয়েছেন, মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার মূল অস্ত্র সচেতনতা। মানুষকে সচেতন হতে হবে। মানুষ বিধিনিষেধ না মানলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর হতে হবে। প্রয়োজনে কারফিউ জারি করতে হবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

apu

২০২০-০৫-২৪ ০০:৩২:৪২

We are hopeless. We do not know how we can survive. Government decisions are self-contradictory.

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা-

প্রধানমন্ত্রীকে ৫ সংগঠনের খোলা চিঠি

৪ জুন ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



৩৩৪ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি-

পুরো দেশ পূর্ণাঙ্গ লকডাউনের দাবি