জুমার নামাজ, আসিফ নজরুলের অনুরোধ

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুক ডায়েরি ২০ মার্চ ২০২০, শুক্রবার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপত ড. আসিফ নজরুল ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আমি একজন নামাজী মানুষ। পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার চেষ্টা করি। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, বয়স্ক বা অসুস্থ হলে, বা কারো জ্বর বা সামান্য হাচি-কাশি থাকলেও জুমার নামাজে যাবেন না।
আরিফ আজাদের লেখায় পড়েছি তুমুল বৃষ্টিপাতের দিন আমাদের মহানবী (সা.) মসজিদে আসতে নিষেধ করে বাসায় নামাজ পড়তে বলেছেন। আমি বিশ্বাস করি অন্যকে বিপদে ফেলার ঝুঁকি নিয়ে আপনি জামায়াতে নামাজে আসুন এটা ইসলাম ধর্ম চাইতে পারেনা। যারা নামাজে যাবেন অকারণ কাশি আর হাচি দিবেন না। বাসায় এসে ভালো করে হাত ধোবেন। আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন আমাদের এ বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য।
আমিও তাই করবো।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Jakir

২০২০-০৩-২০ ১০:২৯:৩৬

AMEEN

রিপন

২০২০-০৩-২০ ১৮:১৫:০০

মসজিদে এদের যাবার কী দরকার? ইমাম সালাম ফেরানোমাত্রই যেভাবে সবগুলো একযোগে হুড়মুড় করে বেরিয়ে যায় মসজিদ থেকে দস্তুরমতো প্রতিযোগিতা করে, কাকে ফেলে কে আগে বেরুতে পারে, - তাতে আমার ধন্দ লাগে মসজিদ তো না, যেন হাবিয়া দোজখ থেকে জান নিয়ে ভাগতে শুরু করেছে সবাই। কাকে এরা বেশি ভয় করে? ওদের আল্লাহকে, না হাবিয়া দোজখকে, অথবা করোনাকে? পাশেই বসে বয়স্ক লোকটি জুমার নামাজ পড়ছিল আর থেকে থেকেই খক খক করে কাশছিলো। চললো মিনিট দশেক। ইচ্ছে হচ্ছিলো টুঁটি টিপে ধরে জোর ঝাঁকুনি দিয়ে শুধাই, ওই মিয়া শরীর খারাপ তো বাড়িতে বসে জোহর আদায় না করে মসজিদে তোমার খক খক কাউয়ালি শুনাতে এলে কেন? পারি নি। বিবেক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিবেকের ভ্রূকুটিকে উপেক্ষা করতে পারি নি। বড় দুর্বল আমি, আসলে। অনেক কিছুই করতে ইচ্ছে করে, করতে পারি না। পারি শুধু নীরবে মার হজম করে, মরে যেতে, টুঁ শব্দটিও না করে। এই দেখুন না, সেই দুপুর থেকে এই সাঁঝ অবদি ওই খক খক কাওয়ালের প্রভাবে কিনা জানি না, এখন অবদি আমি খক খক কাশছি। অথচ মসজিদে যাবার আগ পর্যন্ত কাশি নি। গলার রগ ফুলিয়ে চেঁচিয়ে বলতে ইচ্ছে করে, ওহে ধার্মিকেরা, তোমাদের ধম্মোকম্মোর চাইতে আমার জীবন বড়। ধর্ম, মানুষেরই জন্যে, মানুষ ধর্মের বলির পাঁঠা নয়। অতই যদি ধম্মোকম্মো করতে ইচ্ছে করে, তবে, সুদপ্র্রথা বাতিল করে জাকাত প্রথা চালু করো না কেন? সেটিই যে সবচে' বড় ধম্মোকম্মো হবে তোমাদের!

Yamin (USA)

২০২০-০৩-২০ ০৩:৪৬:২৬

অন্তত ২ সাপ্তাহ এর জন্য মসজিদে ১০ জনের অধীক একতে্ নামাজ বন্দ করা জরুরী

Md. Harun Al-Rashid

২০২০-০৩-২০ ১৬:২১:০০

দেশের সকল মসজিদ ও উপসনালয় গুলিতে জরুরী ভিত্তিতে স্হানীয় ভাবে হাত ধোয়ার সাবান ও জীবাণু মুক্ত করা সেনিটাইজার ব্যবস্হা করা যেতে পারে। মসজিদ কমিটিগুলো এ ব্যপারে সক্রিয় ভূমিকা নিলে ভাল হয়।

আপনার মতামত দিন



ফেসবুক ডায়েরি অন্যান্য খবর

ভয় পাচ্ছি

১৮ মার্চ ২০২০



ফেসবুক ডায়েরি সর্বাধিক পঠিত