‘ইসির অভ্যন্তরেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই’

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রোববার, ১:০২ | সর্বশেষ আপডেট: ১:০৮

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরেই কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। তিনি বলেছেন, আমার ধারণা কমিশন সভায় আমার বক্তব্য প্রদানের স্থান সংকুচিত হয়ে পড়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষা করতে চাই। আমাদের কর্মকাণ্ডে তা দৃশ্যমান হওয়া বাঞ্ছনীয়। আজ লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুব তালুকদার বলেন, নির্বাচন কমিশন সভায় আমার প্রস্তাব বা সুপারিশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে অগৃহীত হয়। আমাকে সংখ্যালঘিষ্ঠ হিসেবে না দেখে আমার বক্তব্যের বিষয়বস্তুর মেরিটকে বিবেচনায় নেয়া সমীচীন বলে মনে করি। তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্পর্কে আমার কিছু বক্তব্য রয়েছে।
এই নির্বাচন সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের যেভাবে দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন, তা হচ্ছে না। উক্ত নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পর থেকে আজ পর্যন্ত যে ৩টি কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়, তার কোনটিতে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধি, অনিয়ম বা প্রার্থীদের অভিযোগ সম্পর্কে কোনো আলোচনা হয়নি। এছাড়া কোনো কমিশন সভায় এসব বিষয় এজেন্ডাভুক্ত হয়নি। আগামী ২৮শে জানুয়ারি তারিখে যে নির্বাচন কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তাতেও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন সম্পর্কে কোনো বিষয় এজেন্ডাভুক্ত নয়।

মাহবুব তালুকদার বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্পর্কে আমি বিগত ৯, ১৩, ১৬ ও ২০ জানুয়ারি যে ৪টি ইউও নোট প্রদান করেছি, তা রীতিমত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং আমলে নেয়া হয়নি। এসবের বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো আলোচনা হয়নি বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গৃহীত হয়নি। যদি আমার বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য হয়, তাহলেও আমাকে তা জানানো উচিত ছিল। বিগত ১৬ জানুয়ারি প্রদত্ত ইউও নোটের মাধ্যমে কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দুই রিটার্নিং অফিসারের কাছে আমি প্রার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ সম্পর্কে তথ্যাদি জানাতে বলেছিলাম। এসব অভিযোগের বিষয়ে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ২০শে জানুয়ারির মধ্যে আমার কাছে পেশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু আমার সেই নির্দেশ উপেক্ষিত হয়েছে। কোনো তথ্যই আমাকে সরবরাহ করা হয়নি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর পক্ষ থেকে আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্পর্কে যে সব অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগপত্র প্রেরিত হয়েছে, তা নিয়ে কমিশনে কোনো প্রকার আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এসব অভিযোগের পেছনে যে অসন্তোষ আছে, তা বিস্ফোরিত হলে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন যথাপযুক্তভাবে অনুষ্ঠিত হবে না, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এর দায়ভার নির্বাচন কমিশনকে বহন করতে হবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

shahidul islam nerob

২০২০-০১-২৬ ১৯:৩৯:০৪

GOOD COMMENTS FOR COUNTRY

Daysack

২০২০-০১-২৬ ০৩:১৬:৩১

APONAR KOTHAY -KORMER MORDHE , LEVEL -FILE ACHHE KI ?

আপনার মতামত দিন



অনলাইন অন্যান্য খবর

আওয়ামী লীগ নেতা নিহত

বান্দরবানে হঠাৎ মুখোশ পড়া অস্ত্রধারীদের ব্রাশ ফায়ার

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

তালতলী নির্বাচন অফিস

‘জানতে চাইলে বলবেন, ১৪০ টাকা’

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ঘরে ৪ বছরের ছোট্ট মেয়ে

মেডিকেল শিক্ষার্থী মায়ের লাশ মর্গে

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

২০২১ সাল হবে পর্যটনবর্ষ

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ইয়াবা নিয়ে বাংলাদেশে এক ভারতীয় নাগরিক

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কুমিল্লার বুড়িচং থানা পুলিশ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয় ১ হাজার ৫শ’ ...



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত