ভারতীয় নাগরিকপঞ্জীর সমালোচনায় রানা দাসগুপ্ত

স্টাফ রিপোর্টার

শেষের পাতা ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৪

ভারতীয় পার্লামেন্টে সদ্য পাস হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধন বিলের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের নাম যুক্ত করে ওই ‘৩ দেশে সংখ্যালঘুরা অত্যাচারিত’ হচ্ছে মর্মে যে অভিযোগ করা হয়েছে তাতে হতাশ বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা। সংখ্যালঘুদের সর্বোচ্চ সংগঠন ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্যপরিষদে’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাসগুপ্ত ভয়েস অব  আমেরিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে  বলেন, ভারতীয় পার্লামেন্টে এই বিল পাসের মাধ্যমে বরং বাংলাদেশে হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনকারীরা আরো উৎসাহিত হবে। তিনি ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে ভারতীয় নাগরিক পঞ্জি করার উদ্যোগেরও সমালোচনা করেন। মিস্টার গুপ্ত সেই সাক্ষাৎকারে তার নেতিবাচক মনোভাবে ব্যাখ্যা দেন। বলেন, বিলটি একান্তই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তারপরও এটি নিয়ে আমি আমার নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করছি। কারণ ধর্মীয় বিভাজনের প্রেক্ষাপটে বিলটি সত্যিই আমাদের হতাশ করেছে। এটা সত্য যে তারা যেটা বলছেন, বাংলাদেশে নির্যাতিত হিন্দুরা ভারতে গেছে, এটা সত্য। কিন্তু বিলটি আনার কারণে এখন বাকীরাও যেতে উৎসাহিত হবে।
ফলে যদি সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশ সংখ্যালঘু শূণ্য হয়ে পড়ে তবে তারাই খুশি হবে যারা একক ধর্মীয় রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে একাত্তরে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল। তারা এখন সেই স্বপ্নে ফের সংখ্যালঘুদের নির্যাতন ও বিতাড়নে উৎসাহিত হতে পারে। রানা দাস গুপ্ত মনে করেন, সামপ্রদায়িকতার সমস্যা, সমাধান সম্ভব নয়- সামপ্রদায়িকতার মাধ্যমে। ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি করে কোন সমস্যার সমাধান কখনোই সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mustafa Ahsan

২০১৯-১২-১১ ১৯:৪৬:৪১

রানা দাশ গুপ্ত কে বুঝার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।আমার মতে ১৯৪৭ এর ভারত দ্বী-জাতী ত্বততের ভিত্তিতে ভাগ হওয়ার পর এবারই আবার এই উপ মহাদেশ গোড়া কট্টর পন্থিদের মতবাদে ভারতকে এক বিপর্যয় কর অবস্তানে নিয়ে গেল এতে করে পুরো উপমহাদেশের হিন্দু মুসলমানদের জিবনে আবার সেই ৪৭শের দাংগা আর খুনাখুনির চরম দুর্দশার ছায়ার পেরেক্ষাপট কি বিজেপি সরকার তৈরী করলো না?এটা কখনো কারো জন্যই ভাল ফল বয়ে আনবে না।শুধু দুই ধর্মের মানুষদের মধ্যে আসতার সংকট তৈরী করবে।

sdd

২০১৯-১২-১২ ০৮:১৪:১১

অধিকারশূন্য একটি মুসলিম দেশে বিরূপ প্রতিবেশীদের সঙ্গে সহাবস্থান করতে সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবার পরই হিন্দুরা ভারতে যায়। ভারত সরকার বিলটি পাস্ না করলেও হিন্দুদের ভারতে চলে যাওয়া থেমে থাকত না। এই যে দুই তৃতীয়াংশ বাংলাদেশী হিন্দু ভারতে চলে গেছে, তারা কখনোই ফিরবে না। অতএব তাদের নাগরিকত্ব দিয়ে ভারত সরকার মানবিক ও সঠিক কাজটি করল।রানা দাশগুপ্ত কি বাংলাদেশ সরকারকে রাষ্ট্রধর্ম বাতিল করাতে পারবেন, নিশ্চয় না, তবে তার প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক কেন! বাংলাদেশের ৯৯ শতাংশের বেশি হিন্দু ভারতের এই আইন সমর্থন করে।

মাহমুদুন্নবী

২০১৯-১২-১১ ১১:৩০:০৬

মিঃ গুপ্তর মতো মানুষরাই দেশোদ্রহী। এরা ভারত এবং স্কনের দালাল। প্রিয়া সাহা এদেরই একজন। এরা বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ভাবমূর্তি কে বহিঃবিশ্বে প্রশ্নবিদ্ব করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত দিন

শেষের পাতা অন্যান্য খবর

পাথর লুটে অঢেল সম্পদ

শ্রমিক হত্যায় গ্রেপ্তার আইয়ুব

২৫ জানুয়ারি ২০২০





শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত



নারায়ণগঞ্জে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

সোনাইমুড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

থানা হেফাজতে এফডিসি কর্মকর্তার মৃত্যু

সহকর্মীদের বিক্ষোভ নানা প্রশ্ন