নোয়াখালীতে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে

বাংলারজমিন ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৫০

বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে প্রবাসীর স্ত্রী এক সন্তানের জননী জান্নাতুল ফেরদৌস একা (২২) কে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর এক বছরের ছেলে মো. ফরিদকে নিয়ে দেবর ফয়সাল, ননদ ফারিহা আক্তার ও শাশুড়ি পলাতক রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। নিহত গৃহবধূ একা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের সৈয়দ মিয়ার বাড়ির আফ্রিকা প্রবাসী খোরশেদ আলম ফরহাদের স্ত্রী এবং উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের একরাম উল্যা খন্দকারের মেয়ে। গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস একার বাবা একরাম উল্যা খন্দকার ও ভাই মো. হাসান খন্দকার গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, ২ বছর পূর্বে প্রবাসী খোরশেদ আলম ফরহাদের সাথে পারিবারিকভাবে একার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তার স্বামী ফরহাদ প্রবাসে থাকার কারণে দেবর ফয়সাল একা’কে বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে। একা তার প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে বিষয়টি স্বামী ফরহাদকে জানায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফরহাদ ছোট ভাইকে গালাগাল দেয়।
ভাইয়ের শাসনে ফয়সাল কয়েকদিন বাড়ির বাইরে অবস্থান করে।  সোমবার বিকালে ফয়সাল বাড়ি ফিরে এসে রাত ৯টার দিকে একা’র রুমে ঢুকে তাকে গলাটিপে হত্যা করে। ঘটনা আড়াল করতে শ্বশুর বাড়ির লোকজন সিএনজিযোগে একা’র লাশ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে বের করে আনে এবং একা গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে তার পরিবারে খবর দেয়। খবর পেয়ে একা’র বাবা ও পরিবারের লোকজন ছুটে এসে হাসপাতালে নিয়ে গেয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক একাকে মৃত ঘোষণা করে। ঘটনার পরপরই একার এক বছরের ছেলে মো. ফরিদকে নিয়ে দেবর ফয়সাল, ননদ ফারিহা আক্তার ও শাশুড়ি পালিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হারুন অর রশিদ মানবজমিনকে জানান, প্রবাসীর স্ত্রীর ব্যাপারে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। সুরতহাল লিপিবদ্ধের পর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত পলাতকদের গ্রেপ্তার করা যায়নি।



পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

k m sozib

২০১৯-১১-১৩ ০৬:২৮:১২

সাইফুল ইসলাম তোমাকেই বলতেচি, তুমি কি করে জানো যে মেয়েটা অন্য ছেলের সাথে কথা বলতো? তুমি ওরে কিভাবে চিনো? আর ওর দেবরের বয়স হইচে ২১-২২ বছর আর তুমি বলতেচ ১৪-১৫ বছর তুমি তো মিথ্যা কথা বলতেচ, আমার তো মনে হচ্ছে তুমিও মেয়েটার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আছো, ছেলের ওজন কম হলেও ৫০-৫৫ কেজি হবে,মেয়ের ২২ বছর হলেও মেয়েদের ওজন কম ই হয়, মানবজমিনের প্রতিনিধী রা টাকার বিনিময়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেনা।

জাবের

২০১৯-১১-১৩ ০৬:০৪:৪৮

এদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

M.A.Rashid

২০১৯-১১-১৩ ০৪:০৭:০৯

আসামীরা যদি অপরাধ না ই করে থাকে, তাহলে পলাতক কেন?,,,,,,,,,,,ধরে নিলাম একা পরকীয়া লিপ্ত।

নাঈম

২০১৯-১১-১২ ২০:৪২:৫৯

হালার পুতেরে ফাঁসি চাই

সাইফুল ইসলাম

২০১৯-১১-১২ ১১:৪৩:০৭

ভুয়া খবর সে অন্য এক ছেলের সাথে গোপনে মোবাইলে কথাবলে এবং সে খবর জানা জানি হয়ে গেলে সে লোক সরমে আত্মহত্যা করে।।আর একটা কথা দেবরের বয়স ১৪/ ১৫ হবে আর ভাবীর বয়স ২২ বছর এটা কিবাবে সম্বভ ভাবীর গায়ের যে ওজন তা দেবরের তুলনায় ভাবীর হবে ৬০ এর উপরে আর দেবরের ৩৮/৪০ হবে এটা কি মেনে নেওয়া যায় যে তাকে হত্যা করা হয়েছে। একটা কথা মনে রাখবেন টাকার জন্য মিথ্যা খবর প্রচার করবেন না এতে একটা পরিবার নষ্ট হয়ে জেতে পারে আর তাদের সব অভিসাপ মিথ্যা খবর যারা প্রচার করবে তাদের উপর এসে পড়বে।

আপনার মতামত দিন

বাংলারজমিন -এর সর্বাধিক পঠিত