টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট

বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট দেখার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন হাসিনা, আশাবাদী সৌরভ

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার

আগামী মাসে কলকাতায় অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ দেখার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ক্রিকেট এসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি) থেকে। এ খবর দিয়ে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, শেখ হাসিনা ২১ শে নভেম্বর কলকাতা অবতরণ করবেন। ২২ শে নভেম্বর ইডেন গার্ডেনে উদ্বোধনী দিনে উপস্থিত থাকবেন। এতে আরো বলা হয়, যদি সব পরিকল্পনামতো হয় তাহলে তিনি এদিন যোগ দেবেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সর্বশেষ এই তিনজন একত্রিত হয়েছিলেন ২০১৮ সালের মে মাসে শান্তিনিকেতনের বিশ্ব-ভারতী সমাবর্তন অনুষ্ঠানে।

ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়, সোমবার সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি ম্যাচ দেখতে আসছেন। আমরা টেস্টের প্রথম দিনের ম্যাচ দেখার জন্য আমন্ত্রণপত্র পাঠাবো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে।


সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে রিপোর্টে বলা হয়, ওই সময় একটি সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় থাকবেন নরেন্দ্র মোদি। ফলে এই আমন্ত্রণ তার গ্রহণ করার সম্ভাবনা খুব বেশি। এরকম ঘটনা ঘটলে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সাক্ষাত হবে। তবে তিস্তার পানি বন্টন নিয়ে বিরোধের মতো ইস্যুতে তাদের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কথাবার্তা হবে কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যায় নি।

ওদিকে সোমবার বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা ঢাকায় ঘোষণা দিয়েছেন, তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত তারা ক্রিকেট সংক্রান্ত কোনো কর্মকা-ে অংশ নেবেন না। তবে, সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছেন, তিনি আশাবাদী। তিনি আশা করেন এই ইস্যুটির দ্রুত সমাধান হবে। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের ধর্মঘট সম্পর্কে তিনি বলেন, এটা তাদের আভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তবে আমি আশাবাদী, ভারত সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই এর সমাধান করা হবে। তাদেরকে অবশ্যই আসতে হবে।

এ যাবতকালের মধ্যে ইডেনে প্রথম ইন্দো-বাংলা টেস্ট ম্যাচ অধিক স্মরণীয়। তাই সিএবি বাংলাদেশ টিমের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা নিয়েছে, যারা ২০০০ সালের নভেম্বরে ঢাকায় ভারতের বিরুদ্ধে উদ্বোধনী টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। সৌরভ বলেন, ওই ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়দের আমন্ত্রণ জানাতে আমি অনুরোধ করেছি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে। একই সঙ্গে বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি ওই ম্যাচের ভারত দলের সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানাবো। উল্লেখ্য, বুধবার বিসিসিআইয়ের এজিএমে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন সৌরভ গাঙ্গুলী। তবে কাকতালীয়ভাবে, বাংলাদেশের সঙ্গে ২০০০ সালের নভেম্বরের ওই টেস্ট ম্যাচের অধিনায়ক ছিলেন সৌরভ নিজেই। ওই ম্যাচে ভারত জেতে ৯ উইকেটে। ওই ম্যাচে ভারতের উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন শচিন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়, জহির খান, জাভাগাল শ্রীনাথ প্রমুখ। অন্যদিকে নাইমুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলে ছিলেন হাবিবুল বাশার, আকরাম খান, খালেদ মাসুদ প্রমুখ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Amir

২০১৯-১০-২২ ২০:২২:২৩

তবে তিস্তার পানি বন্টন নিয়ে বিরোধের মতো ইস্যুতে তাদের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কথাবার্তা হবে কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যায় নি।-----ক্রিকেট দেখার অন্তরালে আশাতেো ঐ একটাই যদি তিস্তা সম্পর্কে কিছু অগ্রগতি হয়!

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন

আইসিজের নির্দেশ সুচির জন্য তিরস্কার

২৪ জানুয়ারি ২০২০

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্ট

যুদ্ধাপরাধের কথা প্রথমবার স্বীকার করেছে মিয়ানমার

২৩ জানুয়ারি ২০২০

সব চোখ আজ আইসিজে’তে

২৩ জানুয়ারি ২০২০

বিশ্বে গণতন্ত্রের পশ্চাৎযাত্রা

হাইব্রিড গণতন্ত্রে বাংলাদেশের নাম

২২ জানুয়ারি ২০২০





বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



জেগে উঠেছে পুরনো প্রেম

পালিয়েছেন বরের পিতা ও কনের মা