যুবলীগ চেয়ারম্যানের গণভবনে যাওয়া নিয়ে যা বললেন কাদের

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, ১১:৩৭
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সপ্তম কাউন্সিলের আগেই সংগঠনের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আনতে গণভবনে যাবেন রোববার। তবে দলীয় সভাপতির সঙ্গে ওই বৈঠকে থাকছেন না যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। এ নিয়ে গত দুদিন ধরে বেশ গুঞ্জন চললেও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মুখ খুলেছেন।
শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুবলীগ নিয়ে গণভবনে বৈঠক ডেকেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুবলীগের চেয়ারম্যানকে কেন ডাকা হয়নি, কোন বয়স পর্যন্ত যুবলীগ করা যাবে, সেসব আলোচনা রোববারই করা হবে।
যুবলীগ চেয়ারম্যানের গণভবনে যাওয়া নিষেধ, তাহলে কি কার্যত তিনি অপসারিত হয়েছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণভবনে এই মিটিং ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে কাকে ডাকবেন আর কাকে ডাকবেন না সেটা প্রধানমন্ত্রীর বিষয়। এটা পার্টি অফিসে ডাকা হলে আমি বলতে পারতাম। আওয়ামী লীগ সভাপতি যুবলীগকে গণভবনে ডেকেছেন।
সেখান থেকে যাদের বলা হয়েছে, তারাই মিটিংয়ে যাবেন।
এসময় সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য নুর ই আলম সিদ্দিকীসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Nil

২০১৯-১০-১৮ ০৯:৩৯:৫৭

Ei omar faruk jatio party theke ese awami liger songoton jubo liger hybrid neta ei 7 bosor kossoper moto ghapti mere bose chilo keho ki ter peyesilo. Peyesilo Ekjon honourable PM. Ctg 41 koti bank er taka mere dhakay palie esesilo. Kiser gono vobon tarie daw boro ke. Ghore bose ghorer khoti korlo.

Polash

২০১৯-১০-১৮ ০৭:০৭:৪৭

বুড়া বয়সে যুব থাকে কিভাবে?

Citizen

২০১৯-১০-১৮ ১৬:৪৫:৪৫

This is most improper way of dealing with the situation. If the Jubo League Chairman is at fault, he must be removed legally, systematically. He is still the chairman but can not or do not attend the meeting. Why is such hide and seek ? Is there something else inside ?

Kazi

২০১৯-১০-১৮ ০৩:০৯:১৭

সকল বিতর্কিত সদস্যদের গণ ভবনে না যাওয়াই উত্তম । এতে প্রধান মন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযান বিতর্কিত হয়ে যাবে। প্রধান মন্ত্রীর, দলের ও সরকারের হিতৈষী হলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত । নির্দোষ প্রমাণিত হলে দলে আবার যোগদান করার সুযোগ আছে।

আপনার মতামত দিন

অধ্যাপক অজয় রায় আর নেই

চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের ৪ সদস্য আটক

বৃহস্পতিবার বৃটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচন

দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে: ফখরুল

সুচি তখন হাসছিলেন

মিয়ানমারকে বর্জনের আহ্বান

বেগম রোকেয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রেমিকার বাবা-মাকে দায়ী করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের আত্মহত্যা

‘অবৈধ সম্পদ শান্তিতে ভোগ করতে দেয়া হবে না’

‘ইলিয়াস কাঞ্চনের ‘অবৈধ সম্পদের’ প্রমাণ দিতে শাজাহান খানকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিলো নিসচা

সিএবি শুধু মুসলিমদেরকেই বাইরে রাখবে না, সৃষ্টি করবে আরো জটিলতা

প্রকাশ্যে ধুমপান, চাঁদপুরে ৩ যুবকের অর্থদণ্ড

আজ লোকসভায় উঠছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল

ববিতে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৪

ঢাবির ৫২তম সমাবর্তন আজ, উৎসবমুখর ক্যাম্পাস

‘সেগুলোকে এড়িয়ে চলতে হবে’