পদযাত্রায় বাধা, আমরণ অনশনে নন-এমপিও শিক্ষকরা

স্টাফ রিপোর্টার

দেশ বিদেশ ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৮

এমপিও নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে পদযাত্রায় বাধার মুখে পড়েন নন এমপিও শিক্ষকরা। জাতীয় ঈদগাহ’র সামনে পুলিশি বাধার মুখে ব্যর্থ হয় তাদের পদযাত্রা। পদযাত্রায় সফল না হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সামনে বসে পড়েন তারা। এরপর ফের আন্দোলনের পূর্বের স্থান প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, আমরা সকাল সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে পদযাত্রা শুরু করি। জাতীয় ঈদগাহের সামনে গেলে পুলিশ আমাদের পদযাত্রায় বাধা দেয়। ফলে, আমাদের শিক্ষকরা ঈদগাহের সামনে বসে প্রতিবাদ চালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে আমরা প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তায় এসে বসি।
তিনি আরও বলেন, পদযাত্রায় বাধা দেয়ায় শিক্ষকরা মনক্ষুন্ন হয়েছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চাই। গতকাল বিকাল ৫টায় অধ্যাপক গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার জানান, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না। আজ জুম্মার নামাজ শেষে মুনাজাতের পর থেকে তারা আমরণ অনশনে বসবেন। ওদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা গ্রেড পরিবর্তনের দাবিতে ৩ দিন ধরে কর্মবিরতি পালন করে আসছেন। মঙ্গলবার তারা ১ ঘণ্টার কর্মবিরতি, বুধবার ৩ ঘণ্টা ও গতকাল পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেন। তাদের দাবি আদায় না হলে ২৩শে অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন। শিক্ষকরা ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে আন্দোলন করে আসছেন। সংগঠনের সচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ১০ম গ্রেড প্রধান শিক্ষকদের আর সহকারি শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেবার দাবি করে আসছি দীর্ঘ দিন থেকে। কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দেয়া হলেও সহকারীদের দেয়া হয়েছে ১২তম গ্রেড। বৈষম্য দূরীকরণের উদ্যোগ সরকার থেকে নেয়া হলেও বাস্তবায়ন না হওয়াও আমরা হতাশ।

দেশ বিদেশ অন্যান্য খবর

বাজার সম্প্রসারণে জার্মান বিনিয়োগ পেলো ওয়ালটন

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে বিশ্বের দ্রুত অগ্রসরমান ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনের পাশে দাঁড়াচ্ছে জার্মান বিনিয়োগ এবং ...

ট্রাম্পকে অভিশংসনের দুটি আর্টিকেল অনুমোদন কংগ্রেসে

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন প্রক্রিয়ায় দুটি অভিযোগ বা আর্টিকেল অনুমোদন করেছে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের ...

ক্ষমতা না-ও ছাড়তে পারেন মাহাথির মোহাম্মদ

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

 ২০২০ সালের পরেও ক্ষমতায় থেকে যেতে পারেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ। কাতারের রাজধানী দোহা’য় ...

সুদানের ক্ষমতাচ্যুত বশিরের রায় ঘোষণা

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

প্রায় ত্রিশ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত সুদানের শাসক ওমর আল বশিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা ...

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সফরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যের সতর্কতা

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কেন্দ্র করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলমান সহিংস বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ভ্রমণ সতর্কতা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ...

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনে ঢাকা-দিল্লির ‘স্বর্ণালী’ সম্পর্ক কেঁপে উঠেছে

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ‘ট্রাবল-ফ্রি’ বা ঝামেলামুক্ত হিসেবে দেখে ভারত, যেখানে বহুবিধ সমস্যা রয়েছে। এমনকি বলা ...

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করতে হবে: ঢাবি ভিসি

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন,শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে উদার, অসাম্প্রদায়িক ও ...





পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mohammed Abdul Malek

২০১৯-১২-১৬ ০৮:৫২:০৫

সেই সময় হানাদার বাহিনী কারা ছিল?

আপনার মতামত দিন

দেশ বিদেশ সর্বাধিক পঠিত