রোহিঙ্গা সংকট নিরসন না হওয়া ‘সম্মিলিত ব্যর্থতা’: জাতিসংঘ দূত

কূটনৈতিক রিপোর্টার

দেশ বিদেশ ১০ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:২৫

দুই বছরে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মিয়ানমারকে রাজি করাতে না পারাকে সবার ‘সম্মিলিত ব্যর্থতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো। গতকাল ঢাকায় ‘ডিক্যাব টক’-এ তিনি বলেন, আমার মতে এটা স্বীকার করতে হবে যে, মিয়ানমারকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতা রয়েছে। এই ব্যর্থতা শুধু জাতিসংঘের নয়, আরও অনেকের। ঢাকার কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্টস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের প্রতিনিধির সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি রাহীদ এজাজ ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব। বক্তব্যে বাংলাদেশে জাতিসংঘ পরিচালিত সব ধরনের কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন মিয়া সেপ্পো। তবে প্রশ্নোত্তরে গুরুত্ব পায় রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ। ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এদের সাড়ে সাত লাখই এসেছে ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন অভিযানের মুখে।
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফেরাতে উদ্যোগ নেওয়া হলেও মিয়ানমার সরকার এখনও রাখাইনে তাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি না করায় তা সফল হয়নি। রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণনা করে এর সমাধানে জটিলতার দিকগুলো তুলে ধরেন মিয়া সেপ্পো। সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারে রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এর সমাধান আসবে বিভিন্ন দিক থেকে নানা উদ্যোগের মাধ্যমে। এই সংকটের দিকে অব্যাহত নজর ধরে রাখা এবং এটা নিয়ে আলোচনায় সদস্য দেশগুলোকে এক জায়গায় আনতে সক্ষম হয়েছে জাতিসংঘ। এখন সংকট নিরসনের পথ হিসেবে দুটি দিকের ওপর গুরুত্ব দেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি। মিয়া সেপ্পো বলেন, প্রথমত, আমাদের সামনে যেসব প্রশ্ন আছে সেগুলোর সমাধান কোনো একটি বিষয় দিয়ে হবে না। আমরা একসঙ্গে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি, সেগুলো জটিল ও পরস্পর সম্পর্কিত। অবশ্যই, প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে তাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি। তার আগ পর্যন্ত শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার কারণে বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর যে প্রভাব পড়ছে সেদিকে নজর দেয়ার পাশাপাশি এই রোহিঙ্গাদের দিকে মনোযোগ দেয়ার কথা বলেন তিনি। তার মতে, দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, সমাধানের ‘স্থায়িত্ব’। স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু ঠিকমতো হতে হবে। আমরা আজকে যে কাজগুলো করছি সেগুলো যেন আগামীকালের সম্ভাব্য পদক্ষেপের মঞ্চ তৈরি করে, তার জন্য সময় লাগবে এবং সযত্ন বিবেচনা থাকতে হবে। সীমান্তের উভয় পাশেই জাতিসংঘের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি সত্য। রাখাইন প্রদেশে অবস্থার উন্নয়নে কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি তার উপায় বের করতে হবে।




 

আপনার মতামত দিন

দেশ বিদেশ অন্যান্য খবর

খামারিদের পাশে এনএটিপি-২

৯ জুলাই ২০২০

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার দরিয়াপুর ইউনিয়নের প্রান্তিক নারী খামারি মোছা. ববিতা খাতুন। তার একটি গাভীর বাছুর ...

ক রো না

ইন্দোনেশিয়ায় আক্রান্ত ১২৬৮ মৃত ৬৮

৮ জুলাই ২০২০

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে ইন্দোনেশিয়ায় প্রাণ হারিয়েছেন আরো ৬৮ জন। নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১ ...

ক রো না

যুক্তরাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৫৫০০০ ছাড়িয়েছে

৮ জুলাই ২০২০

যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃতের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক হিসাবে এই তথ্য ...

ক রো না

ভারতে মৃত্যু ২০০০০ ছাড়ালো

৮ জুলাই ২০২০

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে ভারতে প্রাণ হারিয়েছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। মঙ্গলবার দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ...

মানবজমিনের প্রধান বার্তা সম্পাদকের মায়ের ইন্তেকাল

৭ জুলাই ২০২০

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান বার্তা সম্পাদক সাজেদুল হকের মা দুধ নাহার বেগম গতকাল ভোর ৪টা ৩০ ...

দেশ ও দলের দুর্দিনে আওয়ামী লীগ তৃণমূল কর্মীরা বারবার ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন

৬ জুলাই ২০২০

দেশ ও দলের দুর্দিনে আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মীরা বারবার ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ...

চট্টগ্রামে করোনায় বরাদ্দের দাবিতে অন্যরকম পদযাত্রা

৬ জুলাই ২০২০

মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ-চট্টগ্রাম মহানগর কমান্ড, গণঅধিকার চর্চা কেন্দ্র, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ...

বিমানবন্দরে মাস্ক চুরি

জড়িত বিমান ও কাস্টমসের ১০ কর্মকর্তা

৬ জুলাই ২০২০

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো গোডাউন থেকে তমা কনস্ট্রাকশনের আমদানি করা মাস্ক চুরির ঘটনায় বিমান ...

নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলা

সন্ত্রাসী ব্রেন্টন টেরেন্টের রায় শুরু ২৪শে আগস্ট থেকে

৬ জুলাই ২০২০

কুখ্যাত সন্ত্রাসী ব্রেন্টন টেরেন্টের বিরুদ্ধে শাস্তি ঘোষণার শুনানি শুরু আগামী ২৪শে আগস্ট সোমবার। চূড়ান্তভাবে তার ...



দেশ বিদেশ সর্বাধিক পঠিত