গ্রামীণফোন-রবির পাওনা আদায়ে আইনি প্রক্রিয়ায় যাবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

এক্সক্লুসিভ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫৭
মোবাইলফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবির পাওনা আদায়ে সরকার আইনি প্রক্রিয়ায় যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে আমরা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে। গতকাল সচিবালয়ে মোবাইলফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি ও বিটিআরসির মধ্যে এ সংক্রান্ত এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বৈঠকের পর নিরীক্ষার বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে জেলা দায়রা জজ আদালতে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে গ্রামীণফোন ও রবি। অর্থমন্ত্রী বলেন, বকেয়া সংক্রান্ত যে সমস্যা রয়েছে, সেটি সমাধানে তারাও হারবে না, আমরাও হারবো না। তারাও এ দেশে ব্যবসা করবে এবং আমাদের পাওনাও বুঝিয়ে দেবে।
এ ক্ষেত্রে আমরাও তাদের সাহায্য করবো। তিনি বলেন, তাদের কাছ থেকে প্রতি বছর ৫ হাজার কোটি টাকা করে পাই। বকেয়া ৪ হাজার কোটি নিয়ে বিরোধ। তারা কিছু কিছু ব্যাপারে বিরোধ করছে। আমরা নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করেছি। বিটিআরসির ব্যাপারটি ৮ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ভুল বোঝাবুঝির জন্য এ সমস্যা হয়েছে। আমরা দেখছি কোন পদ্ধতি অবলম্বন করলে সমস্যা সমাধান হবে। তবে আমাদের লসের সম্ভবনা বেশি। কিন্তু সমাধানের বাইরে আমরা অন্য কোনো পদ্ধতিতে যাব না। আমরা আশা করি, দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে এটি সমাধান হবে। আমরা এর জন্য আদালতে যাব না, নিজেরা বসেই সিদ্ধান্ত নেব। আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান করব। সমাধান অবশ্যই হবে। তারাও জিতবে, আমরাও জিতব, যোগ করেন মন্ত্রী।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি। বিটিআরসির দাবি অনুযায়ী, গ্রামীণফোন ও রবির কাছে প্রতিষ্ঠানটির পাওনা ১৩ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা এবং রবির কাছে ৮৬৭ কোটি টাকা। এ টাকা আদায়ে ব্যান্ডউইথ সীমিত করা এবং প্যাকেজ ও সরঞ্জামের ছাড়পত্র (এনওসি) দেয়া বন্ধ করে দিয়েছিল বিটিআরসি। তাতে কোনো কাজ না হওয়ায় এরপর ৫ই সেপ্টেম্বর দুই অপারেটরকে লাইসেন্স (টু-জি ও থ্রি-জি) বাতিল কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চিঠি দেয়া হয়। জবাবের সময় ৩০ দিন। চিঠির পর গ্রামীণফোন বরাবরের মতোই পদক্ষেপটিকে অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেছে। রবি বলেছে, তারা সময়মতো চিঠির জবাব দেবে। সব মিলিয়ে বিষয়টি সহজে সুরাহা হবে, এমন কোনো ইঙ্গিত বিটিআরসি ও দুই অপারেটরের কাছ থেকে মিলছে না। বিটিআরসির চিঠির আগেই নিরীক্ষার বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছে গ্রামীণফোন ও রবি। গত ২৫শে আগস্ট রবি প্রথমে মামলা করে, পরের দিন মামলা করে গ্রামীণফোন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

সুলতান

২০১৯-০৯-১৯ ১৪:৩১:১৯

এতে করে আপনিও আপনার পকেট ভর্তি করতে কোন কস্ট করতে হবে না আপনি ওজাগর সাপের মতই হা করে আছেন।

আপনার মতামত দিন

যানবাহনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে

ক্রিকেটারদের ধর্মঘট ষড়যন্ত্রের অংশ

যেভাবে কোটিপতি ‘পলিথিন তবারক’

কীভাবে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করতেন সম্রাট?

ক্রিকেটারদের আন্দোলনে ফিকা’র সমর্থন

দুদকের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু

ইডেন টেস্টে উপস্থিত থাকবেন শেখ হাসিনা

‘আমার মনে হয় বোর্ডের সবাই ব্যর্থ’

বিশ্বনাথে পংকি খান ও ফারুককে নিয়ে জল্পনা

পদ্মা সেতুর ১৫তম স্প্যান বসলো

ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করাতে জনসনের শেষ প্রচেষ্টা

এনু-রূপণের ৩৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

মাদক-দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে জিরো টলারেন্স: যুবলীগ

সাদাতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের বিক্ষোভ

বাংলাদেশ উন্নয়নের মডেল: আইনমন্ত্রী