রামেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত এক নারীর মৃত্যু

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের আইইউসিতে তার মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া ওই রোগীর নাম শাপলা খাতুন (২৩)। তিনি জেলার পুঁঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর এলাকার হাসিবুল ইসলামের স্ত্রী। এর আগে গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালে রাখা আছে।
রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম ফেরদৌস শাপলার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুঠিয়া উপজেলায় নিজ গ্রামে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন শাপলা। গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর তাকে রামেক হাসপাতালের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে রক্ত পরীক্ষায় তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে। তিনি আরো বলেন, ওই ওয়ার্ডে রেখেই তার চিকিৎসা চলছিল। সোমবার সকালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। এ সময় তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহীতে মৃত্যুর সংখ্যা এ নিয়ে দু’জনে দাঁড়ালো। এর আগে গত ১২ই আগস্ট রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল মালেক নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার হাউসনগর গ্রামের গোলাম নবীর ছেলে। রাজধানী ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়ে তিনি সেখানে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে আসা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বদলে গেল ক্লাবপাড়ার দৃশ্যপট, তবে

তদন্তের জালে ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা

কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে র‌্যাবের অভিযান সভাপতি গ্রেপ্তার

পিয়াজের দাম কমছেই না

ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন দেখছি না

দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১০ জনের

‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের আরো অবনতি’

৪ খুঁটির মূল্য দেড় লক্ষাধিক টাকা

নজরদারিতে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা

যুবলীগ কইরা মাতব্বরি করবেন ওই দিন শেষ

ভুটানের জালে তিন গোল বাংলাদেশের

সিলেট চেম্বার নির্বাচন নিয়ে মর্যাদার লড়াই

২৪ ঘণ্টায় নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ৫০৮ জন

কমিশন কেলেঙ্কারিতে একা হয়ে পড়েছেন জাবি ভিসি

খালেদ মাহমুদকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার

মিন্নির আলোচিত সেই জবানবন্দি