চীনকে নিশ্চয়তা দিলেন ইমরান খান

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার
দ্রুতগতিতে চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) প্রকল্প সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি রোববার চীনকে সময়মতো এ প্রকল্প বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি আশা করেছেন, চীনের অধিক পরিমাণ কোম্পানি তার দেশে বিনিয়োগ করবে। এদিন তিনি সফররত চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং য়ি’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সিপিইসি প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন। জোর দেন দ্রুতগতিতে এই প্রকল্প সম্পন্ন করার ওপর। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন।
ভারত দখলীকৃত কাশ্মীর পরিস্থিতি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন ইমরান খান। এ সময় পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে আরো দ্বিপক্ষীয় বন্ধন ও অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ রক্ষায় সম্মত হন উভয় পক্ষ। দু’দিনের এ সফরে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি ও সেনাপ্রধান জেনারেল কমর বাজওয়ার সঙ্গে। এসব বৈঠকে আলোচনা হয়েছে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয় উভয়পক্ষ।
সাক্ষাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, যেহেতু সিপিইসির সুবিধা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই অধিক পরিমাণে চীনা কোম্পানি পাকিস্তানে বিনিয়োগ করতে পারে। পাকিস্তান যে শিল্পায়ন প্রক্রিয়ার কথা বলছে সেক্ষেত্রে চীনকে সমর্থন দেয়ার কথা বলেছেন তিনি। এ ছাড়া পাকিস্তানে রয়েছে কৃষি উৎপাদন ও উদ্ভাবনের বৃহত্তর নীতি। সিপিইসির জাতীয় পর্যায়ে বৃহত্তর ভূমিকার কথা তুলে ধরেন ইমরান খান। বলা হয়, এতে পাকিস্তানের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। তবে চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে জোর দিয়ে তা উল্লেখ করেন ইমরান খান।
ইমরান খান ৫ই আগস্ট থেকে কাশ্মীরের ওপর চাপিয়ে দেয়া ভারতের একপেশে নীতি ও সেখানকার অচলাবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন চীনকে। কাশ্মীরে কারফিউ ৩৫ দিন অতিবাহিত হওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া এখনও অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে কাশ্মীর। যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে কাশ্মীরে মানবিক পরিস্থিতির এক করুণ দশা বিরাজমান বলে তিনি চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। বলেন, এ বিষয়ে জরুরিভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। ইমরান খান দাবি করেন, কাশ্মীর থেকে অবিলম্বে কারফিউ ও অন্যান্য বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা উচিত।
কৌশলগত সহযোগিতা আরো গভীর করার জন্য পাকিস্তান ও চীনকে আরো ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, দু’দেশকে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং য়ি বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও বন্ধুত্বের শক্তিশালী বন্ধনের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে পাকিস্তান-চীন সম্পর্ক। ইমরান খানের অধীনে জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে পাকিস্তানি প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন তিনি। এক্ষেত্রে চীনের সমর্থন থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তান সরকারের নীতির কারণে সেদেশের অর্থনীতি ও আর্থিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। এ সময় সিপিইসি প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন ওয়াং য়ি। এই প্রকল্পটি যৌথভাবে সম্পন্ন করছে পাকিস্তান ও চীন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

১৮ মিনিটে ৫ গোল দিয়ে ম্যান সিটির রেকর্ড

পালাতে চেয়েছিল শামীম

খালেদের সেই টর্চারসেল

ক্যাসিনো ঘিরে অন্য সিন্ডিকেট

ভিআইপিদেরও হার মানিয়েছে ‘শামীম স্টাইল’

বশেমুরবিপ্রবি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা

কলাবাগান ক্লাবের শফিকুল ১০ দিনের রিমান্ডে

‘রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি’ সুচির দুই রূপে বিস্মিত ক্যামেরন

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির কড়া সমালোচনা জাতিসংঘে

দুর্গা পুজো নিয়ে রাজনীতির দড়ি টানাটানি

শিক্ষায় এগিয়ে রিটা সম্পদে সাদ

নূরুল কবীরের চোখে যে দুই কারণে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান (অডিও)

বশেমুরবিপ্রবি’র ভিসির পদত্যাগ দাবি ভিপি নুরের

সওজের জায়গায় এমপি খোকার অবৈধ মার্কেট

দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল

তাদের মুখে রাঘব বোয়ালের নাম