ব্রেক্সিট বিলম্বিত করাতে আদালতে যেতে প্রস্তুত এমপিরা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৪২
‘ব্রেক্সিট পেছানোর চেয়ে খাদে পড়ে মরে যাওয়া বেছে নেবো’- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এমন প্রত্যয় ঘোষণা করলেও তাকে ছাড় দিতে নারাজ তার দল থেকে বিদ্রোহ করে বরখাস্ত হওয়া এমপি ও বিরোধী দল। ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া বিলম্বিত করাতে তারা এবার আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। চূড়ান্তভাবে জনসন যদি ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন তাহলে তারা আদালতে যাবেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

৩১ শে অক্টোবরের মধ্যে চুক্তিবিহিন ব্রেক্সিট এড়াতে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কাছে সময়সীমা বর্ধিত করার আহ্বান সম্বলিত একটি বিল এখন রাজকীয় অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। কিন্তু এর জবাবে বরিস জনসন বলেছেন, ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে আবেদন করার চেয়ে তিনি খাদে পড়ে মরে যাওয়াকে বেছে নেবেন। তার এমন বক্তব্যের পর এমপিরা এখন সংঘবদ্ধ। তারা প্রয়োজনবোধে তাকে ব্রেক্সিট বিলম্বিত করাতে বাধ্য করতে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ব্রেক্সিটের সময় বৃদ্ধি করা সংক্রান্ত আন্তঃদলীয় ওই বিলটি শুক্রবার বৃটিশ পার্লামেন্টে পাস হয়েছে। জনসন একে (বিল) অর্থহীন বিলম্বের জন্য ব্রাসেলসকে লিখার বাধ্যবাধকতা হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। ডেইলি টেলিগ্রাফ তার রিপোর্টে বলছে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সময় বর্ধিত করার আবেদন তিনি কখনোই করবেন না। ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বলা হয়েছে, বৃটিশরা তাদের পরিষ্কার কথা জানিয়ে দিয়েছেন। তারা জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা ব্রেক্সিট চান।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

কোটি টাকা চাঁদা দাবির অডিও ফাঁস

টিআইবির নির্বাহী পরিচালকের মন্তব্য অনভিপ্রেত: বেক্সিমকো

ডিপ্লোম্যাটের প্রচ্ছদে শেখ হাসিনা

জনগণের সঙ্গে পুলিশের নিবিড় সম্পর্ক থাকতে হবে

‘ছাত্রলীগ নেতাদের বহিষ্কারেই বোঝা যায় দেশে কতটা দুর্নীতি চলছে’

বিকেন্দ্রীকরণে বাধা দিচ্ছেন এমপিরা

বাংলাদেশে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলবে আরব আমিরাত

সিলেট সফরে যে বিতর্কের জন্ম দেন শোভন

পিয়াজের কেজি একলাফে বেড়ে ৭০ টাকা

প্রয়োজনে থানায় বসে ওসিগিরি করব

আসুন, ভাঙনের খেলাটা শুরু করি!

চাঁদাবাজির তথ্য পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা

ভিকারুননিসায় নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ

সিলেট বিভাগের পৌর মেয়রদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতবিনিময়

রাব্বানীর ডাকসু জিএস পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন

শোভন-রাব্বানীকে নিয়ে যা ছিল গোয়েন্দা রিপোর্টে